১১:২৭ এম
শুক্রবার দাবি করা হয়েছে ইরানের পক্ষ থেকে যে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
তেহরান অভিযোগ করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের একটি বিমানবন্দর, একটি রেলস্টেশন এবং দু’টি সেতুতে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এর পর ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোতে ধারাবাহিক হামলা শুরু করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলা হয়, কুয়েতে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ‘লজিস্টিক সহায়তা কেন্দ্র’ লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করেছে ইরান।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘শত্রুর অপরাধের জবাব এবং মাতৃভূমির শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।’
শুক্রবার কুয়েত জানিয়েছে, তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার জবাব দিচ্ছে। উল্লেখ্য, এর আগের দিন ইরানের আকাশপথে হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল দেশটি।
উপসাগরীয় দেশ বাহরাইন এবং কাতারও শুক্রবার ভোরে হামলার কথা জানিয়েছে।
বাহরাইনে সাইরেন বাজিয়ে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে। এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে যে, দেশটি একটি বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
অন্যদিকে, কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে যে, দেশটির সেনাবাহিনী একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সফলভাবে প্রতিহত করেছে। রাজধানী দোহায় অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরাও পরপর কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন