ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সান্ধ্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতে গ্রাফিতি


সান্ধ্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতে গ্রাফিতি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিলের দাবি উঠেছে। ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে ক্যাম্পাসের পাঁচটি ছাত্রী হলের প্রধান ফটকে গ্রাফিতি আঁকেন একদল নারী শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত, তারা এসব গ্রাফিতি আঁকেন। ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ স্লোগানে এ কর্মসূচির আয়োজন করে প্রগতিশীল নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’।

এ কর্মসূচিতে হলগুলোর প্রবেশপথে ‘নিরাপত্তার অজুহাতে সংকুচিত স্বাধীনতা মানি না’, ‘সময়ের শেকল ভাঙো’-সহ নানা স্লোগান ও প্রতীকী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকালেও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ ও শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করার কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অবরোধবাসিনীর প্ল্যাটফর্মের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিধিনিষেধ, এক হলের শিক্ষার্থীর অন্য হলে প্রবেশে বাধা এবং নারী স্বজনদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়ে গেছে। এটি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অসম বাস্তবতা তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিরাপত্তার যুক্তিতে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর ‘সান্ধ্য আইন’ বাস্তবে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বাড়িয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধরনের বিধিনিষেধ নেই। তাই ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতেও এই বৈষম্যমূলক নীতির অবসান হওয়া উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অবরোধবাসিনীর তিনটি দাবির মধ্যে রয়েছে- ২৪ ঘণ্টা নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের ভিত্তিতে সব নারী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এছাড়া, অনুমতি সাপেক্ষে রাত্রিযাপনের সুযোগ এবং মা-বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিন্নমতকে হুমকি হিসেবে দেখার পরিণতি, পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য শিক্ষণীয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


ভিন্নমতকে হুমকি হিসেবে দেখার পরিণতি, পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য শিক্ষণীয়

যখন কোনো সরকার জনসমালোচনাকে গণতান্ত্রিক অভিব্যক্তির পরিবর্তে একটি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে দেখতে শুরু করে, তখন তার পরিণতি একটি প্রতিবাদ কিংবা রাজনৈতিক বিবাদের অনেক ঊর্ধ্বে চলে যেতে পারে। পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক অস্থিরতা দেশটির মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিকে আবারও আন্তর্জাতিক পর্যালোচনার আলোচনায় এনেছে। সংঘর্ষ, মৃত্যু, যোগাযোগে বাধা এবং একটি বিশিষ্ট নাগরিক সমাজের জোটের বিরুদ্ধে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপগুলো বিতর্ককে উস্কে দিয়েছে।

প্রতিটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য এই ঘটনাপ্রবাহ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের তাৎক্ষণিক সংকটটি জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)-র নেতৃত্বে হওয়া বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। এটি ছিল সুশীল সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর একটি জোট যা সুশাসন, প্রতিনিধিত্ব ও জন জবাবদিহিতা সম্পর্কিত দাবি তুলেছিল। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংগঠনটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে, বিক্ষোভকারী নেতাদের দাবির ভিত্তিতে তারা অভিযোগ করেন যে, তাদের আন্দোলন নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি। তাদের মতে, দাবি সমূহ ছিল রাজনৈতিক এবং শান্তিপূর্ণ।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে এই অস্থিরতার ফলে বহু মানুষ নিহত ও আহত হয়ে থাকেন। যদিও, হতাহতের সংখ্যা এবং সহিংসতার দায় নিয়ে বিভিন্ন পক্ষের মাঝে বিতর্ক রয়েছে। ঘটনার স্বাধীন যাচাই-বাছাইয়ের অভাব স্বচ্ছ তদন্তের গুরুত্বকে আবারও তুলে ধরেছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থা এই অস্থিরতার সাথে সম্পর্কিত মৃত্যুর ঘটনাগুলিতে দ্রুত ও স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়ে এসেছে। সেইসাথে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

কাশ্মীরের বিক্ষোভকে ঘিরে চলমান বিতর্কটি পাকিস্তানে নাগরিক স্বাধীনতা সম্পর্কিত বৃহত্তর বিতর্কের প্রতিফলন। বছরের পর বছর ধরে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ, সাংবাদিকদের ওপর চাপ, কর্মীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার ও জোরপূর্বক গুমের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতো সংস্থাগুলো একাধিক ঘটনার নথিভুক্ত করেছে যেখানে কর্মী, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক বিরোধীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন، আটক বা তাদের কার্যকলাপের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগ করে আসছেন। পাকিস্তান সরকার প্রায়শই জঙ্গিদের সহিংসতা এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের মতো গুরুতর প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পক্ষে যুক্তি দাঁড় করিয়েছে। তাদের মতে, জাতীয় নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কখনও কখনও বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন হয়। তবে সমালোচকরা মনে করেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ যথার্থ বিচার প্রক্রিয়া, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বিকল্প হতে পারে না।

এই বিতর্ক ঘটনার কারণে বেলুচিস্তানে বিশেষভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। সেখানে পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ আত্মীয়দের অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছে দাবি করে আসছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো মানুষের জোরপূর্বক নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ নথিভুক্ত করেছে এবং স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানাচ্ছে। পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বহু অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং দাবি করেছে যে, নিরাপত্তা অভিযানগুলো শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কার্যকলাপের পরিবর্তে জঙ্গি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও উদ্বেগের একটি প্রধান ক্ষেত্র হিসেবে রয়ে গেছে। পাকিস্তানের সাংবাদিকরা সংবেদনশীল রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিষয়ে প্রতিবেদন করার সময় ভয়ভীতি, আইনি চাপ ও বিধিনিষেধের সম্মুখীন হয়েছেন। যদিও পাকিস্তানের সংবিধান মত প্রকাশের স্বাধীনতার সুরক্ষা প্রদান করে, কিন্তু সমালোচকদের মতে, ব্যাপক নিরাপত্তা আইন ও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা দেশটির স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিসরকে সংকুচিত করেছে।

এই উদ্বেগগুলো শুধুমাত্র পাকিস্তান রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বিরোধীরাই উত্থাপন করেননি। এই উদ্বেগগুলো আসে আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকেও, যারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এ বিষয়গুলোর গুরুত্ব কেন অপরিসীম তা একটি শক্তিশালী স্মারক। ১৯৭১ সালের ঘটনাবলি এখনও দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক ও মর্মান্তিক অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয়। দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে সরকারগুলো প্রায়শই নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিভিন্ন বিধিনিষেধের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে। এ অঞ্চলের অনেক রাষ্ট্রই সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মতো বাস্তব হুমকির সম্মুখীন হয়। তবে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতিমালা জোর দিয়ে বলে যে, মৌলিক স্বাধীনতার ওপর আরোপিত যেকোনো বিধিনিষেধ অবশ্যই আইনসম্মত, প্রয়োজনীয় এবং অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

কোনো দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা শুধু তার নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর নির্ভর করে না। এটি জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। যেখানে মতাভেদ বিলুপ্ত হয়ে যায়, তা সুস্থ গণতন্ত্র হতে পারে না। যেখানে ভিন্নমত ও দ্বিমত ভয়ের পরিবেশ ছাড়াই সহাবস্থান করতে পারে, তা হলো সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ।

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরের ঘটনাবলিকে শাসনব্যবস্থা, অধিকার ও জবাবদিহিতা নিয়ে বৃহত্তর আঞ্চলিক আলোচনার অংশ হিসেবে দেখা উচিত। এসব ঘটনা দক্ষিণ এশিয়ার সমাজগুলোকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে, কণ্ঠস্বর দমন করে অর্জিত স্থিতিশীলতা প্রায়ই সাময়িক। পক্ষান্তরে অংশগ্রহণ, আস্থা ও পারস্পরিক বিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা স্থিতিশীলতা অনেক বেশি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। প্রতিটি গণতন্ত্রের জন্য চ্যালেঞ্জ এক, শুধুমাত্র নির্বাচন আয়োজন করলেই যথেষ্ট নয়; বরং নিশ্চিত করতে হবে যে নাগরিকরা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে নিজেদের মত প্রকাশ করতে, সংগঠিত হতে এবং রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময়ে হুইপ অপু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ পি.এম


সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময়ে হুইপ অপু

শরীয়তপুর, ৩১ জুলাই, ২০২৬ : শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।

আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সভাকক্ষে এই মতবিনিময়টি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন।

এই সময়ে প্রধান অতিথি মিয়া নুরউদ্দিন আহম্মেদ অপু সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং জনগণের দোরগোড়ায় স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

পরে, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা তাঁদের নিজ নিজ বিভাগের কার্যক্রম, সমস্যা ও সম্ভাবনা তুলে ধরেন এবং সেবার মান আরও উন্নত করার জন্য পারস্পরিক সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মায় স্পিডবোটে হামলা, ভেড়ামারায় যুবক গুলিবিদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


পদ্মায় স্পিডবোটে হামলা, ভেড়ামারায় যুবক গুলিবিদ্ধ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় গভীর রাতে পদ্মা নদীতে স্পিডবোট নিয়ে ট্রায়াল দেওয়ার সময় একটি গুলির ঘটনায় শরিফুল ইসলাম ববি (৩৮) নামের একজন যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার গোলাপনগর মনি পার্কসংলগ্ন পদ্মায় এই ঘটনা ঘটেছে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। গুলিবিদ্ধ শারিফুলের বাড়ি উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে, তার বাবা মৃত আলম খন্দকার।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার সময় ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগর পদ্মা তীরবর্তী এলাকার মনি পার্কের মালিক মনিরুল ইসলাম মনি চারজনকে সঙ্গে নিয়ে একটি স্পিডবোটে ট্রায়াল দিতে পদ্মা নদীতে যান। তাদের পার্ক এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পৌঁছানোর পর, অন্য একটি স্পিডবোট থেকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এই ঘটনায় একজন যুবক গুলিবিদ্ধ হন।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ইকবাল হাসান বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রেজিস্টারে গুলিবিদ্ধ ওই ব্যক্তির নাম পাওয়া গেলেও পরে তাকে ওয়ার্ডে খুঁজে পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের রেজিস্টারে ইনজুরির কারণ হিসাবে লেখা হয়েছে গানশুট।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় গুলিবিদ্ধ যুবকের স্ত্রী বনি ফোনে জানান, ‘ওর (শরিফুল) অবস্থা খুবই খারাপ। আমরা ঢাকায় যাচ্ছি। প্রায় পৌঁছে গেছি। এখন ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। সুস্থ হলে বলতে পারব।’

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, তিনি বিষয়টি জানেন। ঘটনার যে বিস্তারিত তথ্য পার্ক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালাউদ্দিন তানভীরকে সাময়িক অব্যাহতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব সালাউদ্দিন তানভীরকে সাময়িক অব্যাহতি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে সাময়িকভাবে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুতর শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যবস্থা না নেয়ার বিষয়ে জানতে পত্রিকায় প্রকাশিত শোকজ নোটিশও জারি করেছে দলটি।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) এনসিপির দফতর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার মতো মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশনায় তাকে অবিলম্বে সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী কেন তার বিরুদ্ধে পরবর্তী স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সেই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা নোটিশ পাওয়ার দুই কার্যদিবসের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় শৃঙ্খলা কমিটির কাছে জমা দিতে হবে। আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ এবং ব্যাখ্যা এই সময়সীমার মধ্যে দাখিল করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%