১০:৫৩ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ‘সান্ধ্য আইন’ বাতিলের দাবি উঠেছে। ২৪ ঘণ্টা যাতায়াতের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে ক্যাম্পাসের পাঁচটি ছাত্রী হলের প্রধান ফটকে গ্রাফিতি আঁকেন একদল নারী শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত, তারা এসব গ্রাফিতি আঁকেন। ‘সময়ের শেকল ভাঙো’ স্লোগানে এ কর্মসূচির আয়োজন করে প্রগতিশীল নারী শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘অবরোধবাসিনী’।
এ কর্মসূচিতে হলগুলোর প্রবেশপথে ‘নিরাপত্তার অজুহাতে সংকুচিত স্বাধীনতা মানি না’, ‘সময়ের শেকল ভাঙো’-সহ নানা স্লোগান ও প্রতীকী চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকালেও গণস্বাক্ষর সংগ্রহ ও শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করার কর্মসূচি ঘোষণা করে সংগঠনটি।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
অবরোধবাসিনীর প্ল্যাটফর্মের এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিধিনিষেধ, এক হলের শিক্ষার্থীর অন্য হলে প্রবেশে বাধা এবং নারী স্বজনদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়ে গেছে। এটি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অসম বাস্তবতা তৈরি করেছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নিরাপত্তার যুক্তিতে রাত ১০টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর ‘সান্ধ্য আইন’ বাস্তবে নারী শিক্ষার্থীদের হয়রানি বাড়িয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন কয়েকটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য এই ধরনের বিধিনিষেধ নেই। তাই ঢাবির ছাত্রী হলগুলোতেও এই বৈষম্যমূলক নীতির অবসান হওয়া উচিত।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অবরোধবাসিনীর তিনটি দাবির মধ্যে রয়েছে- ২৪ ঘণ্টা নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, বৈধ পরিচয়পত্র প্রদর্শনের ভিত্তিতে সব নারী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো হলে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা। এছাড়া, অনুমতি সাপেক্ষে রাত্রিযাপনের সুযোগ এবং মা-বোনসহ নারী স্বজনদের হলে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন