বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:০৫ পি.এম
নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজের একদিন পর তোষকে মোড়ানো অবস্থায় মোতালেব হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে শহরের জামতলা এলাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরাতন সড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত মোতালেব হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার শিবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের জামতলা এলাকায় শ্বশুরবাড়ি সাজেদা মঞ্জিলে বসবাস করতেন। মাসদাইর বাজারে ‘সুমাইয়া টেলিকম ও বুক’ নামে একটি দোকানে তিনি বিকাশ ও ফ্যাক্সিলোডের ব্যবসা করতেন।
নিহতের শ্যালক অবসরপ্রাপ্ত সার্জন মো. কামাল জানান, বুধবার (১ জুলাই) সকাল আটটায় বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি মোতালেব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে রাতে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। পরে বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তার পাশে তোষকে মোড়ানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে মোতালেবের মরদেহ শনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন সময় সংবাদকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে তোষকে পেঁচিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে গেছে। কারা, কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।’
এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান থানা পুলিশের এই কর্মকর্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরে লিথী গ্রুপের পাঁচটি ইউনিট কর্তৃপক্ষের ঘোষণা অনুযায়ী একযোগে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েছে। এর ফলে এসব কারখানায় কর্মরত প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক হঠাৎ করেই কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন কারণে, যেমন গ্যাস সংকট ও ক্রয়াদেশের হার কমে যাওয়া, এসব কারখানা বন্ধ করা হয়েছে।
এই বন্ধ কার্যক্রম বুধবার (১ জুলাই) থেকে কার্যকর করা শুরু হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) কর্তৃপক্ষ কারখানার প্রধান ফটকে বন্ধের নোটিশ টানিয়ে দেয়, যার অবস্থান গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায়। বুধবার রাত পৌনে ৮টায় কারখানার পরিচালক মনিরুজ্জামান মুঠোফোনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লিথী গ্রুপের বন্ধ হওয়া পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে রয়েছে- অ্যাপারেল-২১ লি., ফমকম ফ্যাশন লি., ফমকম ডাইং লি., ফমকম প্রিন্টিং লি. এবং ফমকম নিটিং লি.। কারখানার পরিচালক জানিয়েছেন, ব্যাংক থেকে সময়মতো সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। কারখানা বন্ধ হলেও শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। তবে সমস্ত বিভাগের কর্মকর্তা এবং শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের পাওনা পরিশোধ করা হবে বলে জানান তিনি।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া নোটিশে উল্লেখিত কারণে রয়েছে গ্যাস কানেকশন বন্ধ থাকা, ক্রয়াদেশের সংখ্যা কমে যাওয়া, ভবিষ্যতে ক্রয়াদেশের পূর্বাভাস না থাকা, বিগত বছরগুলিতে অযৌক্তিক শ্রম আন্দোলন, পণ্যের বিক্রয় মূল্য হ্রাস পাওয়া, এবং সময়মতো ব্যাংকিং সহায়তা না পাওয়া। এই কারণে নিয়মিত কারখানা ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হয়ে এসেছে। মালিকের পক্ষে কারখানা পরিচালনা করার মতো আর্থিক সক্ষমতা না থাকায়, এই দিক থেকে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সম্ভব নয়। এজন্য বুধবার (১ জুলাই) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে কারখানা চালু এবং ব্যবসা পরিচালনার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে পুরোনো দক্ষ কর্মীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বেতন ও পাওনা পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আকাশ আহম্মেদ জানিয়েছেন, 'লিথী গ্রুপের সব কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করায় হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে গেল। দেশের অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে পোশাক শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের সংকট কাটাতে দ্রুত স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।'
এর আগে গত বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে লিথী গ্রুপের ফমকম ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা বন্ধ কারখানা পুনরায় চালু করার এবং বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় কারখানার পাশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
শ্রমিকরা জানান যে, আর্থিক সংকটের কারণে গত ৭ জুন থেকে ফমকম ফ্যাশন লিমিটেডের কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩ (১) ধারা অনুসারে কারখানা বন্ধ করে। এর আগে শ্রমিকদের মে মাসের বেতন পরিশোধের জন্য ২৩ জুন তারিখ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে পারেনি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা দাবী জানান যে, অবিলম্বে বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হোক, কারখানা পুনরায় চালু করা হোক এবং তাদের সব পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হোক।
তারা আরও জানান, দীর্ঘ সময় কারখানা বন্ধ থাকায় তারা চরম আর্থিক সমস্যায় পড়ে গেছেন। নিয়মিত আয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের পরিবার ও পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বকেয়া বেতন না পাওয়ার কারণে তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। তারা মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
গাজীপুর কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপ-মহাপরিদর্শক প্রকৌশলী এম. এম. মামুন-অর-রশিদ বলেছেন, 'শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে টঙ্গীতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের কার্যালয়ে একটি বৈঠক হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ওই বৈঠকে শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, প্রথমবারের মতো কোনো সরকার প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে সমন্বিত করে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিবন্ধী অধিকার ও সেবা সুরক্ষা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয় ও বাস্তবায়ন কমিটির সভা শেষে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের স্পেশাল অলিম্পিকে উল্লেখযোগ্য অর্জন রয়েছে। তাদের আরও সুবিধা প্রদানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নেয়া পদক্ষেপে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সহায়তা করবে।’
তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের চাহিদাগুলোকে অধিকার হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‘প্রতিটি সরকারি স্থাপনায় প্রতিবন্ধীদের জন্য সুবিধাজনক প্রবেশ এবং টয়লেটের ব্যবস্থা থাকবে। সরকার বৈদ্যুতিক যানবাহনে প্রতিবন্ধীদের উৎসাহিত করছে। এসব বাহন প্রতিবন্ধীবান্ধব করা হবে।’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে অন্তত ২০ থেকে ২৫টি উপজেলায় শিশু স্বর্গ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিশুদের স্বাস্থ্য সেবা দেয়া হবে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ‘বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের বিশেষত্বগুলোকে আমরা তুলে আনতে চাই। রাষ্ট্র এবং নাগরিকের মধ্যে যে অধিকারের চুক্তি, সেটিকেই বাস্তবায়ন করতে চায় সরকার।’
তিনি জানান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকারগুলোকে একটি ওয়ান স্টপ সার্ভিসের আওতায় নিয়ে আসা হবে। বলেন, ‘অন্তত ১০টি জেলার ২০ থেকে ২৫টি উপজেলায় ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু করা হবে।’
ফারজানা শারমীন জানান, সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা আইনি সেবা ও সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে চায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের জকিগঞ্জে ফুটবল বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে দেখতে কথা-কাটাকাটির জেরে এক চাচাতো ভাই তার আরেক চাচাতো ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত ঘাতককে গ্রেফতার করেছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো চাকুও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জকিগঞ্জ থানা পুলিশ এই ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে। নিহত যুবকের নাম আলম হোসেন এবং অভিযুক্ত ঘাতকের নাম পারভেজ আহমদ। তারা দুইজনই একটি সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফুটবল বিশ্বকাপের ইংল্যান্ড ও ডিআর কঙ্গোর মধ্যে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে একটি তুচ্ছ বিষয়ে আলম হোসেন এবং পারভেজ আহমদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে চাচাতো ভাই পারভেজ ধারালো চাকু দিয়ে আলম হোসেনকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে এবং পরে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
स्थানের স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আলম হোসেনকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরেকটি বিষয় জানিয়েছেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পারভেজ আহমদকে গ্রেফতার করেছে। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাকুটিকে জব্দ করা হয়েছে। নিহত আলম হোসেনের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. জসিম উদ্দিন বাদী হয়ে জকিগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নড়াইলে চোর সন্দেহে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে আনোয়ার হোসেন (৩২) নামের এক মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
আনোয়ার হোসেন নড়াইল সদর উপজেলার বাঁশগ্রামের কাওছার মোল্যার ছেলে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত ২৪ জুন সকালে আনোয়ার বাড়ি থেকে বের হন। পর দিন সকালে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন যে, একই উপজেলার গোবরা এলাকায় তার ভাইকে চোর অপবাদ দিয়ে সারা রাত গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়েছে।
পুলিশ পরে তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু আনোয়ারের অবস্থার অবনতি ঘটলে, তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুণ্ডু জানান, ‘ঘটনার পর নিহত আনোয়ারের ভাই গোবরা এলাকার পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলার সঙ্গে নতুন করে হত্যার ধারা যুক্ত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত আসামিরা পলাতক রয়েছে এবং তাদের ধরার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ