রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৩ পি.এম
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাফিদ শাহরিয়ার, যিনি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন, তিনি আর নেই।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আনুমানিক সকাল ১১.৩০টায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, মৃত্যুর পূর্বে তিনি রাজধানীর মাদানি এভিনিউয়ে অবস্থিত ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ দিন ধরে জীবন-মৃত্যুর সাথে লড়াই করছিলেন। তবে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট থাকাকালীন চিকিৎসকদের সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আজ জীবনের মায়া ত্যাগ করেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালমাসে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছিলেন এবং বাম অংশ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। নিউরো সার্জনরা জানিয়েছেন, তার ব্রেনের অর্ধেক অংশ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছিল। মস্তিষ্কের ঐ অংশে কোনো নিউরন কাজ করছে না এবং কোষগুলো পুনরুদ্ধার করাও সম্ভব নয়।
এর আগে গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা নাগাদ রাজশাহীর বিনোদপুর বাজারে একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মস্তিষ্কে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, রাফিদ মোটরসাইকেল চালানোর সময় বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি বাইক হঠাৎ ইউ-টার্ন নেয়। ঘটনার আকস্মিকতায় রাফিদ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং বাইক থেকে ছিটকে পড়ে যান। এতে তাঁর মাথা সরাসরি সড়কের ডিভাইডারে প্রচণ্ড আঘাত পায়।
দুর্ঘটনার পরপরই সহপাঠী ও স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাকে প্রথমে জরুরি বিভাগের ৮নং ওয়ার্ডে এবং পরে অপারেশন থিয়েটারে স্থানান্তর করা হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালের আইসিইউ কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে জানান, আঘাতের তীব্রতায় তার মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বেঁধেছে এবং এতে তিনি গভীর কোমায় চলে গেছেন। পরদিন (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন, ছাত্রকল্যাণ দপ্তর পরিচালক অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম সরকার সহ একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতালে যান। তখন রাফিদের শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতির খবর জানতে পারেন এবং রাজশাহী মেডিকেলের চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এ অবস্থায় রুয়েট প্রশাসনের উদ্যোগে ঐদিন সকালেই জরুরি ভিত্তিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স বুকিং দেওয়া হয়। দুপুর সোয়া ১টার দিকে উন্নত চিকিৎসার উদ্দেশ্যে রাফিদকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এদিকে রাফিদের চিকিৎসায় রুয়েট প্রশাসন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে সরাসরি ও অনলাইনে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সকল চেষ্টা ও সহপাঠী-পরিবারের প্রার্থনাকে বিফল করে দিয়ে আজ আইসিইউতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। রাফিদ শাহরিয়ার রুয়েটের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন (আইডি: ২১০৩০৯৫)। তিনি খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলার বাসিন্দা।
তার এই অকাল ও মর্মান্তিক প্রয়াণে রুয়েট ক্যাম্পাস জুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে বিষাদের আবহ বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শোক জানিয়ে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জ্ঞাপন করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবুল খায়ের গ্রুপ জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রার্থীদেরকে তাদের জীবনবৃত্তান্ত, দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সহ উল্লিখিত ঠিকানা ও সময়ে উপস্থিত হয়ে সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা লাভ করবেন।
পদের নাম: সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (এসআর)
লোকবল নিয়োগ: ২০০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস
অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
দায়-দায়িত্ব:
- রিটেইল আউটলেট থেকে অ্যাপের মাধ্যমে পণ্যের অর্ডার সংগ্রহ করতে হবে।
- কোম্পানি প্রদত্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে।
- বিক্রেতা এবং পরিবেশকের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপন করা জরুরি।
- নিউমেরিক ডিস্ট্রিবিউশন নিশ্চিত করতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: মাঠ পর্যায়ে
প্রার্থীর ধরন: শুধু পুরুষ
বয়সসীমা: ১৮ থেকে ৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো জায়গায়
বেতন: ১১,০০০ টাকা থেকে ২২,০০০ টাকা পর্যন্ত (গ্রেড ভিত্তিক)।
অন্যান্য সুবিধা: টিএ-ডিএ, মোবাইল বিল, গ্রেড এলাউন্স, প্রোডাক্ট ভিত্তিক ইনসেন্টিভ, ঈদ বোনাস এবং পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর আইডিয়াল কলেজ এবং ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সাইন্সল্যাব সংলগ্ন গ্রিন রোডের মুখে সংঘর্ষটি ঘটে।
এই ঘটনার ফলে সাইন্সল্যাব মোড় সংলগ্ন সবগুলো সড়কে যানচলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী হাবিব জানান, ক্লাস শেষে ছুটির পর সাইন্সল্যাব দিয়ে ঢাকা কলেজের বাস যাওয়ার সময় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা ইট পাটকেল ছুড়ে। এর ফলে বাসের জানালার কিছু কাচ ভেঙে যায়। এই খবর পেয়ে আমরা সাইন্সল্যাবে গিয়ে আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতিহত করি।
অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা হঠাৎ করে আমাদের ওপর আক্রমণ করে। কী কারণে এই আক্রমণ হয়েছে তা জানি না। আমাদের কলেজের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে এবং কয়েকজনের মাথা ফেটে গিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা নতুন শিক্ষার্থী। বাসার দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ করেই তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করে। আমরা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত।
এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে ইলিয়াস মন্তব্য করেন, ঢাকা কলেজের বাস সাইন্সল্যাব দিয়ে যাওয়ার সময় আইডিয়াল কলেজের কিছু শিক্ষার্থী ল্যাব এইড হাসপাতালের সামনে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। এ সময় ঢাকা কলেজের কিছু শিক্ষার্থী এবং আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। এ ঘটনায় ঢাকা কলেজের তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের আশঙ্কায় কলেজ প্রশাসন সকাল থেকে নিউমার্কেট এবং ধানমন্ডি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। শিক্ষকদেরও পাঠানো হয়েছিল যেন শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চোখের সামনে হঠাৎ কালো, ধূসর বা অন্ধকার ছায়া দেখা, অথবা দৃষ্টির কোনো অংশ পর্দার মতো অন্ধকার হয়ে আসা অনেকেই সাময়িক সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যান। তবে, এই ধরনের লক্ষণ কখনো কখনো গুরুতর চোখের সমস্যার সংকেত হতে পারে। বিশেষ করে, যদি দৃষ্টির পাশের অংশ থেকে এমন ছায়া বা পর্দার মতো অন্ধকার দেখা শুরু হয়, তাহলে দ্রুত চোখ পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।
কীভাবে দেখা যায় এই লক্ষণ
চোখের সামনে কালো, ধূসর বা ঝাপসা অংশ দেখা দিতে পারে। কখনো কখনো মনে হতে পারে যে দৃষ্টির একটি অংশ অন্ধকার পর্দায় ঢেকে গেছে। সাধারণত, এটি চোখের পাশের দৃষ্টিতে শুরু হলেও যেকোনো দিক থেকে দেখা দিতে পারে। এক চোখে অথবা একসাথে দুই চোখেও এমন সমস্যা হতে পারে।
চোখের পর্দা সরে যেতে পারে
এ ধরনের লক্ষণের একটি গুরুতর কারণ হতে পারে চোখের ভেতরের আলো-সংবেদনশীল পর্দা, অর্থাৎ রেটিনা ছিঁড়ে যাওয়া বা সরে যাওয়া। রেটিনা হলো চোখের পেছনের অংশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর, যা দৃষ্টির জন্য অত্যাবশ্যক। রেটিনা সরে গেলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে ওই চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
রেটিনা সরে যাওয়ার ক্ষেত্রে হঠাৎ আলোর ঝলক দেখা, চোখের সামনে নতুন করে অনেক কালো দাগ বা ভাসমান রেখা দেখা এবং দৃষ্টির পাশে ছায়া বা ধূসর পর্দার মতো কিছু দেখা দিতে পারে।
চোখের রক্তনালিতে বাধা
চোখের রক্তনালিতে রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে দৃষ্টিতে অন্ধকার বা ছায়ার মতো পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। চোখের প্রধান ধমনি বা শিরায় বাধা তৈরি হলে দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই ধরনের সমস্যার সঙ্গে শরীরের রক্তনালি ও হৃদ্যন্ত্রের কিছু সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে।
ঘাড়ের রক্তনালির সমস্যার সঙ্গেও সম্পর্ক থাকতে পারে। ঘাড়ের প্রধান রক্তনালিতে চর্বি বা অন্য কারণে বাধা তৈরি হলে চোখে রক্ত সরবরাহে সমস্যা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি ভবিষ্যতে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের গুরুতর সমস্যার সতর্কসংকেতও হতে পারে। তাই হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তনকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
চোখে সংক্রমণ থেকেও হতে পারে
কিছু ভাইরাসের কারণে চোখের ভেতরের রেটিনায় সংক্রমণ হতে পারে। এমন সংক্রমণেও দৃষ্টিতে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে চোখের এমন লক্ষণ দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি।
হঠাৎ হলে অপেক্ষা নয়
দৃষ্টির সামনে হঠাৎ কালো বা ধূসর পর্দার মতো কিছু দেখা গেলে নিজে থেকে ভালো হয়ে যাবে—এমন ধারণা করা ঠিক নয়। রেটিনা সরে যাওয়ার মতো সমস্যা হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ চোখ পরীক্ষা করানো উচিত।
চোখের অনেক রোগের শুরুতে স্পষ্ট কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে। আবার কেউ কেউ দৃষ্টিশক্তির পরিবর্তনকে বয়স বাড়ার স্বাভাবিক অংশ মনে করে উপেক্ষা করেন। তাই অস্বাভাবিক কোনো দৃষ্টির পরিবর্তন দেখা দিলে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।
সূত্র: আমেরিকান একাডেমি অফ অপথালমোলজি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে প্রার্থীরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বেলা ১১টার দিকে সেখান থেকে একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে তারা দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য যে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্তদের আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র প্রদান শুরু হয়েছে। কিন্তু দেশের বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নির্ধারিত সময়ে নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তাদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
‘চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’ প্ল্যাটফর্মের দাবি, ১৪ হাজার ৩৮৪ জন চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীর মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশনের অজুহাতে প্রায় দেড় হাজার প্রার্থীর নিয়োগপত্র আটকে রাখা হয়েছে। সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ না করে প্রার্থী বাদ দেওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে নিয়োগপত্র প্রদানের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে তারা পাঁচ দফা দাবি জানান।
এর আগে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়েছিল এবং গত ৮ ফেব্রুয়ারি ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ