ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধানমন্ডি লেকে কমল-শাপলার চারা রোপণ করেছেন ছাত্রদল নেতা প্রিন্স


ধানমন্ডি লেকে কমল-শাপলার চারা রোপণ করেছেন ছাত্রদল নেতা প্রিন্স

 রাজধানীর ধানমন্ডি লেকে জলজ উদ্ভিদের সৌন্দর্য বৃদ্ধির এবং পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে কমল, শাপলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল।

এ সময় ছাত্রদল নেতা মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স, সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ধানমন্ডি লেকের বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় শতাধিক জলজ উদ্ভিদের চারা রোপণ করেছেন। সাথে তিনি লেক ও এর আশপাশের জমে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন বর্জ্য এবং আগাছা অপসারণের জন্য একটি পরিচ্ছন্নতা অভিযানেও নেতৃত্ব দেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

সংশ্লিষ্ট আয়োজকরা জানান, সৌন্দর্যবর্ধক জলজ উদ্ভিদ বিস্তারের মাধ্যমে লেকের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নগরবাসীর জন্য পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, ধানমন্ডি লেক শুধু রাজধানীর একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, এটি নগরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা করতেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি সমাজ ও পরিবেশের কল্যাণে তরুণরা ভূমিকা রাখুক। এই চিন্তা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিবেশ সংরক্ষণে জনসম্পৃক্ত উদ্যোগ হাতে নিয়েছি।

প্রিন্স উল্লেখ করেন, আজকের এই কর্মসূচি কোনো সাময়িক কর্মসূচি নয়, বরং ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে বৃক্ষরোপণ, জলাশয় সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে। এই সময় পরিবেশ রক্ষার এই জনকল্যাণমূলক কাজে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ছাত্রদল নেতা মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

কর্মসূচিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ইরানে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ পি.এম


ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ইরানে ২ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইসরায়েলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সামরিক ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত তথ্য পাচারের অভিযোগে দুই ইরানি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে দেশটির সরকার।

সোমবার (৩ আগস্ট) তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই ব্যক্তি হলেন- ওমিদ বেহজাদ ও পৌরিয়া সাফভাত। উপরোক্ত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনাসংক্রান্ত তথ্য ইসরায়েলের কাছে পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছিল।

বর্তমানে ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মধ্যেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দুই নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল তেহরান।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যেও আলোচনা নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সোমবার ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ফের শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়েই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে না এবং কোনো বৈঠকের পরিকল্পনাও নেই।

২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ইরানে বিমান হামলা শুরু করলে দুই দেশের মধ্যে ১২ দিনের যুদ্ধ হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রও সংঘাতে যুক্ত হয়। শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে ওই সংঘাতের অবসান ঘটে।

এরপর ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে তেহরানের উত্তেজনা অব্যাহত থাকে। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফের ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন ছক ইরানের: ট্রাম্পকে নত করতে চেষ্টা করছে: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৮ পি.এম


নতুন ছক ইরানের: ট্রাম্পকে নত করতে চেষ্টা করছে: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের শর্তে সমঝোতায় আনতে ইরান সামরিক সংঘর্ষের পরিবর্তে ধাপে ধাপে চাপ বাড়ানোর কৌশল গ্রহণ করেছে। এর ফলে ইরানের লক্ষ্য সরাসরি যুদ্ধ জয় করা নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথ, নৌপথ ও জ্বালানি অবকাঠামোকে চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে ওয়াশিংটন ও তার মিত্রদের জন্য সংঘাতের মূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি করা।

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান এমন একটি ‘পরিমিত উত্তেজনা বৃদ্ধি’ কৌশল গ্রহণ করছে, যাতে সংঘাত ধীরে ধীরে বিস্তৃত হয় কিন্তু পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে রূপ না নেয়। বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বোঝানো যে, হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ইরানের দাবিগুলো মেনে নেওয়া, সংকটকে জোর করে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেয়ে কম ব্যয়বহুল।

ইরান এও ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ওয়াশিংটন যদি হরমুজে তেহরানের বৃহত্তর ভূমিকা স্বীকার না করে, তবে সংঘাত পারস্য উপসাগরের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী দিয়ে যুদ্ধের আগে বৈশ্বিক তেল ব্যবহারের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হতো। ওই পথে নৌ চলাচল ব্যাহত করার সক্ষমতা প্রদর্শনের পর, ইরান এখন ইঙ্গিত দিয়েছে যে, শুধু হরমুজ নয়, অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথও তাদের কৌশলের বাইরে নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, লোহিত সাগর এবং সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর ইরানের হুমকি প্রমাণ করে যে, বৈশ্বিক বাণিজ্য সুরক্ষার খরচ বাড়ানো এবং যুক্তরাষ্ট্র কতটা অস্থিরতা সহ্য করতে পারে তা যাচাই করাই এখন তেহরানের নতুন লক্ষ্য।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষক মাইকেল নাইটস মন্তব্য করেছেন, শুরু থেকেই ইরান এমনভাবে উত্তেজনা বাড়িয়েছে যাতে প্রতি সপ্তাহে নতুন কোনও কৌশল সামনে উপস্থাপন করতে পারে। কখনও নতুন ভৌগোলিক এলাকা, কখনও নতুন অস্ত্র, আবার কখনও নতুন লক্ষ্যবস্তু। তার ভাষ্যমতে, “ইরানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলকে ক্ষতিগ্রস্ত করা নয়, বরং উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিকে চাপে ফেলার সক্ষমতা।”

একজন উপসাগরীয় সূত্রের ধারণা অনুযায়ী, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর কমান্ডাররা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক। সূত্রটি জানায়, ইরানের বিশ্বাস হলো যুদ্ধ যত বিস্তৃত হবে এবং চাপ যত বাড়বে, শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প সমঝোতায় বাধ্য হবেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প মনে করেন যে, কঠোর সামরিক চাপ প্রয়োগ করলে ইরান আলোচনায় ফিরে আসবে। তবে তেহরান এ চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না বলেই তাদের ধারণা।

এই মূল্যায়ন বর্তমানে ইরানের আলোচনার কৌশলের ভিত্তি বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেছেন, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। তবে তেহরান জানিয়েছে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে না।

ইরানের একজন জ্যেষ্ঠ সূত্র দাবি করেছেন যে, অতীতে নমনীয় অবস্থান গ্রহণের পরও ওয়াশিংটনের চাপ বেড়েছে। কাজেই এখন তেহরান মনে করছে কার্যকর আলোচনা শুরুর আগে নিজেদের দর-কষাকষির শক্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো মাইকেল সিংয়ের মতে, ইরান এখনো মনে করে কৌশলগত инициатив তাদের হাতেই রয়েছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন কতটুকু সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

তার মতে, ইরানের লক্ষ্য শুধু হরমুজ প্রণালীর ওপর সার্বভৌম কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা নয়, বরং ওই জলপথে নির্বাচিতভাবে নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা। সংকটের মূল প্রশ্ন এখন হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ প্রশাসন। আঞ্চলিক সূত্রগুলো দাবি করছে যে, ওমান উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থনে একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে দেওয়া হয়েছে, যেখানে স্বেচ্ছাভিত্তিক ব্যবহার ফি আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

কিন্তু ইরান চাইছে হরমুজ প্রণালীর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ এবং ওই পথে চলাচলকারী জাহাজ থেকে সেবা ফি আদায়ের ক্ষমতা। যুক্তরাষ্ট্র এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ওয়াশিংটনের অবস্থান হলো, হরমুজ একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ এবং এটি কোনোভাবেই ইরানের নিয়ন্ত্রণে যেতে পারে না।

বিশ্লেষকদের ভাষ্যমতে, ইরানের কৌশলের একটি বড় প্রভাব ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। এখন আঞ্চলিক ও পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ ও জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষায় অধিক মনোযোগ দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত সামুদ্রিক নিরাপত্তা উদ্যোগটি মূলত বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপত্তা দেওয়া, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

ইরানের সঙ্গে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষে জড়ানোর উদ্দেশ্য নেই এ জোটের। মাইকেল নাইটস এ উদ্যোগের তুলনা করেছেন লোহিত সাগরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘অ্যাসপিডেস’ মিশনের সঙ্গে, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখা।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সামরিক শক্তিতে পাল্লা দেওয়ার সক্ষমতা ইরানের নেই। তবে প্রতিবার নতুন কোনও নৌপথ বা জ্বালানি স্থাপনাকে ঝুঁকির মুখে ফেললে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের প্রতিরক্ষায় বিপুল সম্পদ ব্যয় করতে বাধ্য করতে পারে।

হরমুজ, বাব আল-মান্দেব বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ জলপথে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বৈশ্বিক বাণিজ্য সচল রাখতে আরও বেশি নৌবাহিনী, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অর্থ ব্যয় করতে হবে। এটাই ইরানের প্রকৃত কৌশল- একটি দীর্ঘস্থায়ী চাপের লড়াই, যেখানে তেহরান বিশ্বাস করে তারা যতদিন অর্থনৈতিক চাপ সহ্য করতে পারবে, ততটাই কম সময় যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন জোট বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বারবার অস্থিরতা মেনে নিতে পারবে।

এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক কূটনীতিক ও ইরান বিশেষজ্ঞ অ্যালান আইয়ার মনে করেন, ইরানের বর্তমান কৌশলের উদ্দেশ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রকে অবরোধ প্রত্যাহার এবং সামরিক হামলা বন্ধ করতে বাধ্য করা। অন্যদিকে কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের জ্যেষ্ঠ ফেলো রে তাকেইহ মনে করেন, ইরান আলোচনায় বসলে নিজেদের শর্তই প্রতিষ্ঠা করতে চাইবে। তিনি বলছেন, “যদি আলোচনা হয়, তাহলে শর্ত নির্ধারণ করতে চাইবে উভয় পক্ষই। এখন উভয়েই পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা বাড়ানোর পথেই হাঁটছে।” বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা হলো, ওয়াশিংটন ও তেহরান কেউই আপাতত পিছু হটার লক্ষণ দেখাচ্ছে না। ফলে চাপের এই কৌশল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে এমন এক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত কোনও পক্ষেরই নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। সূত্র: রয়টার্স

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফরে যাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফরে যাবেন

চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত তিনটি উপজেলা - হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালী সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ৯ আগস্ট এই সফর চূড়ান্ত হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে যাচ্ছেন; তা এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যাদুর্গত মানুষের কাছে ত্রাণ বিতরণ ছাড়াও বন্যায় গৃহহারা পরিবারকে নতুন নির্মাণকৃত বাড়ি হস্তান্তর করবেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম চট্টগ্রাম সফর। এই সফর ঘিরে চট্টগ্রামের প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। একই সাথে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে দলীয়ভাবেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ইতোমধ্যে এসব উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন বন্যায় গৃহহারা পরিবারগুলোকে নতুন করে বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ার কাজ প্রায় সম্পন্ন করেছে। সেসব বাড়ি প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্তদের বুঝিয়ে দেবেন। পাশাপাশি সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ আয়োজন করা হবে এবং দুর্গতদের জন্য ত্রাণ তুলে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অবতরণের জন্য উপযুক্ত স্থানে হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা হচ্ছে। সেখান থেকে তিনি পশ্চিম বাঁশখালীতে সমাবেশ ও ত্রাণ বিতরণ করবেন। একই এলাকায় সরকারি সহায়তায় পুনঃনির্মাণ করা ১০০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্তদের হস্তান্তর করবেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকে কেন্দ্র করে আজ (সোমবার) প্রধানমন্ত্রীর গুলশান কার্যালয়ে আমাকে ও সদস্য সচিবকে ডাকা হয়েছে। আমরা সেখানে যাচ্ছি। দলীয়ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি। এখনও দাপ্তরিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি তবে সফরসূচি চূড়ান্তভাবে জানানো হলে সে মোতাবেক আমাদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ‘কঠোর’ পদক্ষেপের ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৪০ পি.এম


অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে ‘কঠোর’ পদক্ষেপের ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

অবৈধভাবে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে, মানবপাচারকারী চক্র দমনে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা হয়েছে এবং ইংলিশ চ্যানেলের উভয় পাশে দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছে।

ডোভারে এক বক্তব্যে বার্নহাম বলেছেন, সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্যও নিরাপদ ও বৈধ পথ তৈরি করতে হবে, যাতে মানবপাচারকারী চক্রের ব্যবসা দুর্বল হয়ে পড়ে।

যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শুরুতে মানবপাচার দমনে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির (এনসিএ) কর্মকর্তার সংখ্যা ছিল ৩৭৬ জন, যা বর্তমানে প্রায় ৮০০-তে পৌঁছেছে। গত বছর প্রায় ৩০০ মানবপাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ১,১০০টিরও বেশি ছোট নৌকা ও ইঞ্জিন জব্দ করা হয়েছে।

এদিকে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টি অভিযোগ করেছে, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে লেবার সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণে অক্ষম হয়েছে। অন্যদিকে রিফর্ম ইউকে ক্ষমতায় এলে ছোট নৌকাগুলোকে ফেরত পাঠাতে নৌবাহিনী মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সর্বশেষ শনিবার ৩২৬ জন অভিবাসী ছোট নৌকায় করে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। তবে সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে একই সময়ের তুলনায় ছোট নৌকায় অবৈধ অনুপ্রবেশের সংখ্যা প্রায় ৪৩ শতাংশ কমেছে।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%