০৪:১৮ এম
অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনাটি সত্য। বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারে এক গাছেই মিলছে ১০ জাতের আম। কলম সংযোজনের মাধ্যমে একই গাছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের আম ফলানোর এ উদ্যোগ ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তবে শুধুমাত্র ১০ জাতেই নয়, একটি গাছে ১৫ থেকে ২০ জাতের আম উৎপাদনের গবেষণাও চলছে বলে জানিয়েছে হর্টিকালচার সেন্টার কর্তৃপক্ষ।
রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারে বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে যে এক গাছে বহুজাতের আমের চারা রয়েছে। দেশি প্রজাতির আমগাছে কলমের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে বিশ্বের আলোচিত জাপানি আম মিয়াজাকি, সুস্বাদু ন্যামডকমাই, রেড আইভরি, টকমাই, থ্রি টেস্ট, দেশি আম্রপালি, বারিভোগ, বারি-১১সহ মোট ১০ জাতের আম। কর্তৃপক্ষ জানায়, শুধু চারা বিক্রিই নয়, এসব গাছের পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত ক্রেতাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারে একটি গাছে কলম সংযোজনকৃত ১০ জাতের আমের চারা পাওয়া যায়। এছাড়াও এটাকে ২০ জাত পর্যন্ত বাড়াতে কলমের কার্যক্রম চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যান তত্ত্ববিদ ফেরদৌস আরা মিতা বলেন, আমরা বছরজুড়ে আমাদের দেশীয় আম খাচ্ছি। এতে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, আর কাঁচা আমে মিলছে ভিটামিন সি। রোববার ১২ জুলাই রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের এক গাছেই ১০ জাতের আমের ফলন দেখতে সরেজমিন কথা হয় ওই সেন্টারের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. অলিউল রহমানের সঙ্গে। তিনি যুগান্তরকে বলেন, আমাদের গবেষণায় এ সেন্টারে ৭৪ জাতের আমের চারা রয়েছে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রহমতপুর হর্টিকালচার সেন্টারের এ উদ্যোগ দেশের কৃষি খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন