ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রেল কর্মকর্তা হত্যার ঘটনা


বিয়েতে রাজি না হওয়ায় রেল কর্মকর্তা হত্যার ঘটনা

বাংলাদেশ রেলের কর্মকর্তা মামুন মিয়াকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া প্রেমিকা বিউটি আক্তারের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন, কারাগার থেকে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানি শুরু হয়। তবে আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গত ১৪ জুলাই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বনানী থানার উপপরিদর্শক তারেক হাসান তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, এক বছর আগে মামুনের সাথে বিউটির ননদের মাধ্যমে তাদের পরিচয় ঘটে। পরে তারা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে এবং প্রায়ই দেখা করতে থাকে। বিষয়টি জানত না মামুনের পরিবার। শুক্রবার চিকিৎসার কথা বলে বিউটি ঢাকায় আসে। মহাখালীর টিবি গেট এলাকায় একটি রুম ভাড়া নেয়। মামুনকে সেখানে আসতে বলে দেখা করার জন্য।

গত ১১ জুলাই সকাল ১১টার দিকে মামুন সেখানে যায়। বিউটি বিয়ে করার জন্য তাকে চাপ দেয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে বিউটি দুপুর দেড়টার দিকে ফল কাটার ছুরি দিয়ে মামুনের গোপনাঙ্গে আঘাত করে। একই সঙ্গে পেটেও ছুরি মারে। মামুনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭ টার দিকে মামুন মারা যায়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এ ঘটনায় নিহতের চাচা মো. শমসের আলী বাদী হয়ে মামলা করেন। এই মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত ১২ জুলাই বিউটিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে পেপেঁ চাষে সুমনের সংগ্রামী জীবন নতুন করে দাঁড়িয়ে উঠেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


বরিশালে পেপেঁ চাষে সুমনের সংগ্রামী জীবন নতুন করে দাঁড়িয়ে উঠেছে

বাবুগঞ্জ উপজেলার সংগ্রামী যুবক আবু বকর সিদ্দিকী সুমন, যিনি একজন সফল উদ্যোক্তার তকমা নিয়ে পরিচিত, তার সংগ্রামের গল্প এক অনুপ্রেরণা। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সংগ্রাম করতে করতে, আজ তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হয়ে উঠেছেন। বেঁচে থাকার তাগিদে তিনি জীবনে কখনো রেলওয়ের চাকরি, কখনো রংমিস্ত্রি আবার কখনো দিনমজুরের কাজ করেছেন।

বর্তমান সময়ে, তিনি শুধু নিজেই স্বাবলম্বী হননি, বরং হাজারো যুবককে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যুবক, শিক্ষার্থী, বেকার ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে ইতিমধ্যে তিনি দুই হাজারেরও বেশি কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

অভাবের কারণে নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন সময়ে পড়াশোনা বন্ধ করে রেলওয়ে চাকরি গ্রহণ করেন বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের বায়লাখালী গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকী সুমন। চাকরির পর তিনি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় বিদেশে, বিশেষত লেবাননের বৈরুতে যান। তবে যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে তিনি সিরিয়া ও ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৭ মাস পর দেশে ফিরতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে ঢাকার ফকিরাপুলে কখন রংমিস্ত্রি এবং কখন দিনমজুর হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন।

২০২১ সালে মাছ চাষের জন্য ঋণগত কারণে তৎকালীন বাবুগঞ্জের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাইদুজ্জামানের নির্দেশনায়, মাছের পাশাপাশি তিনি পেঁপে চাষ শুরু করেন। মৎস্য অধিদপ্তরের ৫০ হাজার টাকা সহায়তায় তিনি চাষে হাত দেন। শুরুতে ব্যর্থ হলেও পরে গাজীপুর থেকে উন্নতমানের পেঁপের বীজ এনে নিজেই চারা উৎপাদন শুরু করেন।

২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রযুক্তি শেখার পর নিজের পতিত জমিতে আধুনিক পেঁপে বাগান গড়ে তোলেন। বর্তমানে ১ একর ৪৮ শতক জমি এবং তিনটি মাছের ঘেরের পাড়জুড়ে প্রায় ১ হাজার ২৫০টি পূর্ণবয়স্ক পেপেঁ গাছ দাঁড়িয়ে আছে। বাগানে শাহী, কাশ্মীরি ও টপ লেডি জাতের পেঁপে চাষ করা হয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে চার থেকে পাঁচ মণ পর্যন্ত ফল উৎপন্ন হয়। তার বাগানে সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি ওজনের একটি পেঁপেও উৎপাদিত হয়েছে।

বরিশাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে সুমন কাঁচা ও পাকা মিলিয়ে প্রায় ৬০ লাখ টাকার পেঁপে এবং ১ কোটি ৬০ লাখ টাকার পেঁপের চারা বিক্রি করেছেন। এতে তার লাভ হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ টাকা। গত মৌসুমে সুমন প্রায় ১৫ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করেছেন। চলতি মৌসুমে কাঁচা ও পাকা মিলিয়ে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির প্রত্যাশা করছেন। এছাড়াও চলতি বছরের শুরুতে পেঁপের চারা বিক্রি করে প্রায় ৭ লাখ টাকা লাভ করেছেন।

চারা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও তার এসেছে ধারাবাহিক সাফল্য। ২০২৩ সালে ছয় হাজার চারা বিক্রির মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়, তবে ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৫ হাজারে। ২০২৫ সালে চারা বিক্রির সংখ্যা প্রায় ১৪ লাখে পৌঁছায়। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মাঝেও ২০২৬ সালে ছয় লাখ চারা উৎপাদন ও বিক্রি করেছেন তিনি।

আগামী বছরে সারাদেশে ২০ লাখ চারা বিক্রির লক্ষ্য স্থির করে তিনি ইতিমধ্যেই একটি আধুনিক পলি হাউজ নির্মাণ করেছেন। প্রতিটি চারায় খরচ বাদ দিয়ে প্রায় পাঁচ টাকা লাভ হয় বলে জানান তিনি। শুধু পেঁপে নয়, মাছের ঘেরের পাড়ে মিষ্টি কুমড়া, লাউ, চিচিঙা, ধুন্দুল, করলা ও বরবটি সহ বিভিন্ন সাথী ফসলও চাষ করছেন। পুকুরপাড়ে মাচা পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করেও বছরে অতিরিক্ত কয়েক লাখ টাকা আয় করছেন।

সাফল্যের কথা তুলে ধরে সুমন বাসস’কে বলেন, “আমাদের দেশে কৃষিই হতে পারে বেকারত্ব দূর করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। মাত্র কয়েকটি গাছই বদলে দিতে পারে একজন বেকার চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীর জীবন।”

তিনি জানান, “আমি চাই বেকার যুবক ও শিক্ষার্থীরা কৃষিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করুক। একজন শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনার পাশাপাশি মাত্র ২৫টি উন্নত জাতের পেঁপে গাছ লাগিয়ে সঠিক পরিচর্যা করেন, তাহলে একটি মৌসুমেই প্রায় এক লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। অন্যের চাকরির অপেক্ষায় না থেকে বাড়ির পতিত জমিকে কাজে লাগাতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি আমার ট্রেনিং সেন্টারে বিনা মূল্যে পেঁপে চাষের প্রশিক্ষণ দিই। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ এসে প্রশিক্ষণ নিয়ে সফল উদ্যোক্তা হচ্ছেন।

অল্প জমিতে বেশি ফলন উৎপাদনের স্বীকৃতি হিসেবে দেশ-বিদেশ থেকে সাতটি সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। নেপাল থেকে কৃষি সম্মাননা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি, ভারতের মহাত্মা গান্ধী ও মাদার তেরেসা সম্মাননাসহ একাধিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার তার ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে।

বায়লাখালী গ্রামের তরুণ সফিকুল ইসলামের সঙ্গে আলাপকালে জানান, “সুমন ভাই নিজে সফল হওয়ার পর এখন দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ তার কাছে প্রশিক্ষণ নিতে আসছেন। অনেকে তার কাছ থেকে চারা নিয়ে সফলভাবে পেঁপে চাষ করছেন।”

বাবুগঞ্জের আসলাম উদ্দিন বলেন, “আমি তার কাছ থেকে উন্নত জাতের চারা নিয়ে চাষ করে সফল হয়েছি। এটা আমার নতুন আয়ের উৎস সৃষ্টি করেছে।”

বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বাসস’কে বলেন, “আমরা একাধিকবার তার বাগান পরিদর্শন করেছি। তিনি একজন পরিশ্রমী ও উদ্যমী কৃষি উদ্যোক্তা। উন্নতমানের পেঁপের চারা উৎপাদনের মাধ্যমে তিনি কৃষকদের সহায়তা করছেন। তার এই উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয়। তাকে অনুসরণ করে অনেক কৃষক বাণিজ্যিকভাবে পেঁপে চাষে এগিয়ে এলে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে বাড়ছে ডিপ টিউবওয়েলের ব্যবহার, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


রাজধানীতে বাড়ছে ডিপ টিউবওয়েলের ব্যবহার, বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান পানির তীব্র সংকট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি সঠিকভাবে না পেলেও তাদেরকে অতিরিক্ত ওয়াসার বিল গুনতে হচ্ছে। সংকট থেকে মুক্তি পেতে লাখ লাখ টাকা খরচ করে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাময়িক সমাধানের ফলে ভবিষ্যতে আরো বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে।

সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ওয়াসার লাইনে পর্যাপ্ত পানি নেই। অনেক এলাকা এমনকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও এক বালতিও পানি পায়নি।

পানির লাইনে পানি না এলেও মাস শেষে পুরো ওয়াসার বিল দিতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, পানি না এলেও তাদের বড় অংকের বিল দিতে হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করছেন, পানি ছাড়া এত টাকা বিল আসে কীভাবে! তাই বাধ্য হয়ে কোথাও যৌথ উদ্যোগে, আবার কোথাও ব্যক্তিগত অর্থায়নে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবির ভিত্তিতে, একটি ডিপ টিউবওয়েল বসাতে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার খরচ হচ্ছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়াই এসব গভীর নলকূপ বসানোর অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সংকটের মূল কারণ দূর না করে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলে, তা ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নেমে যেতে পারে। এতে করে ভবিষ্যতে পানির সংকটের পাশাপাশি নগর অবকাঠামোও ঝুঁকিতে পড়বে।

বিআইপির নগর পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান বলেছেন, ডিপ টিউবওয়েলগুলো ওয়াসার উদ্যোগে হচ্ছে এবং পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও বসানো হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো হবে যদি ঢাকা ওয়াসা তাদের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি পরিচালনা করে এবং কোনো ব্যক্তি মালিকানায় ডিপ টিউবওয়েলের অনুমতি না দেয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, যে এলাকায় বেশি এলোমেলোভাবে ডিপ টিউবওয়েল হবে, সেই এলাকায় ভূমিকম্প বা অন্য কোনো দুর্যোগ হলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নকাজ চলছে। নিয়মের বাইরে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিল্পে গ্যাস সংকট আরও প্রকট, হুমকিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন: সালাউদ্দিন চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


শিল্পে গ্যাস সংকট আরও প্রকট, হুমকিতে বিনিয়োগ ও উৎপাদন: সালাউদ্দিন চৌধুরী

দেশের শিল্প খাতে গ্যাস সংকট দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা সমস্যা বর্তমানে ক্রমাগত আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। এসি শিল্প গ্রুপ ও এসজিএলের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, এই সংকট শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য অন্যতম বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে গাজীপুরে তিনি সময় সংবাদকে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, 'শিল্পে গ্যাস সংকটের বিষয়টি অনেকদিন ধরেই তুলে ধরা হয়েছে, কিন্তু কার্যকর সমাধানে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে সংকট আরও গভীর হয়েছে। অনেক শিল্প এলাকার জন্য প্রয়োজনীয় চাপের তুলনায় গ্যাসের প্রেসার অনেক কম রয়েছে, আবার কোথাও কোথাও একেবারেই গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না।'

গ্যাস সংকটের কারণে গত কয়েক বছর ধরে সালাউদ্দিন চৌধুরী মনে করেন, বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ হারাচ্ছে। একই সঙ্গে তৈরি পোশাক শিল্পেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কমে যাচ্ছে, যা কর্মসংস্থানকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং বিদেশি ক্রেতাদের একটি অংশ তাদের ক্রয়াদেশ অন্য দেশে স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানের সামনে আর্থিক সংকট বাড়ছে এবং কিছু সুপরিচিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান খেলাপির ঝুঁকিতে পড়ছে।

তিনি আরও জানান, সরকার অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে শিল্পে গ্যাস সংকট নিরসনে এখন দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।

পাশাপাশি, শিল্পোন্নত দেশগুলোর সফল মডেল অনুসরণ করে গ্যাস সরবরাহ সংকট দূরীকরণ, নতুন সংযোগ এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের ওপরও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি নেতারা কিশোরগঞ্জে অংশ নিতে যাচ্ছেন জুলাই জাগরণ ও পথসভায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


এনসিপি নেতারা কিশোরগঞ্জে অংশ নিতে যাচ্ছেন জুলাই জাগরণ ও পথসভায়

যাতে দেশ গড়ার লক্ষ্যে জুলাই জাগরণ ও পথসভায় অংশ নিতে পারে, এজন্য কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতারা।

সোমবার (২৭ জুলাই) জেলাসদরসহ মোট তিনটি উপজেলায় এই পথযাত্রা এবং পথসভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিকেল তিনটায় তাড়াইল উপজেলায়, সন্ধ্যা ছয়টায় করিমগঞ্জ উপজেলায় এবং রাত আটটায় কিশোরগঞ্জ শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে অনুষ্ঠিত হবে জুলাই পদযাত্রা ও পথসভা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি।

দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারি, উত্তর অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, ডক্টর আতিক মুজাহিদ এমপি, শামসুল আলামিন এমপিসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাবেন।

অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি জানাতে রোববার (২৬ জুলাই) সকালে কিশোরগঞ্জ শহরের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে সংবাদ সম্মেলন পক্রিয়া চালানো হয়। জেলা জাতীয় নাগরিক কমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল।

এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আহনাফ সাঈদ খান, কিশোরগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক শেখ খাইরুল কবির, সদস্য সচিব আরিফুর রহমান বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্স, শরিফুল হক জয়, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ সাজন, জেলা যুব শক্তির আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান, ছাত্র শক্তির সদস্য সচিব সাব্বিরুল হক তন্ময়সহ অন্যান্য নেতাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, জুলাই পদযাত্রার অনুষ্ঠানে হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব আহনাফ সাঈদ খান। নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাদের দ্বারা হামলার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। তিনি জানান, নিষিদ্ধ সংগঠন কিছু জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা নানা উপায়ে হুমকি দিচ্ছেন। বিষয়টি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%