প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান পানির তীব্র সংকট লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি সঠিকভাবে না পেলেও তাদেরকে অতিরিক্ত ওয়াসার বিল গুনতে হচ্ছে। সংকট থেকে মুক্তি পেতে লাখ লাখ টাকা খরচ করে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাময়িক সমাধানের ফলে ভবিষ্যতে আরো বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হতে পারে।
সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ওয়াসার লাইনে পর্যাপ্ত পানি নেই। অনেক এলাকা এমনকি ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও এক বালতিও পানি পায়নি।
পানির লাইনে পানি না এলেও মাস শেষে পুরো ওয়াসার বিল দিতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, পানি না এলেও তাদের বড় অংকের বিল দিতে হচ্ছে। তারা প্রশ্ন করছেন, পানি ছাড়া এত টাকা বিল আসে কীভাবে! তাই বাধ্য হয়ে কোথাও যৌথ উদ্যোগে, আবার কোথাও ব্যক্তিগত অর্থায়নে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবির ভিত্তিতে, একটি ডিপ টিউবওয়েল বসাতে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার খরচ হচ্ছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়াই এসব গভীর নলকূপ বসানোর অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সংকটের মূল কারণ দূর না করে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলে, তা ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নেমে যেতে পারে। এতে করে ভবিষ্যতে পানির সংকটের পাশাপাশি নগর অবকাঠামোও ঝুঁকিতে পড়বে।
বিআইপির নগর পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান বলেছেন, ডিপ টিউবওয়েলগুলো ওয়াসার উদ্যোগে হচ্ছে এবং পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগেও বসানো হচ্ছে। সবচেয়ে ভালো হবে যদি ঢাকা ওয়াসা তাদের ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি পরিচালনা করে এবং কোনো ব্যক্তি মালিকানায় ডিপ টিউবওয়েলের অনুমতি না দেয়। তিনি উল্লেখ করেছেন, যে এলাকায় বেশি এলোমেলোভাবে ডিপ টিউবওয়েল হবে, সেই এলাকায় ভূমিকম্প বা অন্য কোনো দুর্যোগ হলে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতে পারে।
অন্যদিকে, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়নকাজ চলছে। নিয়মের বাইরে ডিপ টিউবওয়েল বসানো হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন