বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৭ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ির সামনে গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় ছয় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। নিহত শিশুর নাম প্রেস্টন। দুর্ঘটনার সময় তার বাবা টেরিক এল গুয়িন্ডি গাড়িটি পেছনে নিচ্ছিলেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার কিছু আগে টেমেকুলা শহরের ব্রুকহেভেন কোর্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, গাড়ি পেছনে নেওয়ার সময় প্রেস্টন গাড়িটির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করেন। পরে শিশুটিকে উইলডোমারের ইনল্যান্ড ভ্যালি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। তবে সেদিন রাতেই তার মৃত্যু ঘটে।
পরিবারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টেফানি চেসব্রো শিশুটির জন্য অনুদান সংগ্রহের একটি পাতা খুলেছেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্ঘটনার সময় প্রেস্টন বাইরে খেলছিল। চলন্ত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর হাসপাতালে মায়ের পাশে থাকার সময় তার মৃত্যু হয়।
পরিবার জানিয়েছে, প্রেস্টন মাত্র গত মাসে প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা শুরু করেছিল।
দুর্ঘটনার পর ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগের কর্মকর্তারা টেরিক এল গুয়িন্ডিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
সংস্থাটির এক মুখপাত্র জানান, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি স্বয়ংক্রিয় চালনা ব্যবস্থায় চলছিল না। একই সঙ্গে শিশুটির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তারা।
তবে গাড়ির ভেতরের কোনো সতর্কতা ব্যবস্থা চালককে গাড়ির পেছনে শিশুটির উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তদন্তকারীরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।
দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুর্ঘটনার দায় বা কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়নি।
টেরিক এল গুয়িন্ডি শরীরচর্চা জগতের পরিচিত মুখ। তিনি ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে কাজ করেন। বিশ্বের শীর্ষ পেশাদার শরীরচর্চাবিদদের পারফরম্যান্স মূল্যায়নে এ প্রতিযোগিতার বিচারকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
এল গুয়িন্ডি অলিম্পিয়া টেলিভিশনের সঙ্গেও যুক্ত। শরীরচর্চা ও পেশাদার শরীরচর্চা নিয়ে আলোচনা করা ‘প্রাইম টাইম মাসল’ অনুষ্ঠানেও তিনি উপস্থাপকের দায়িত্ব পালন করেন।
শরীরচর্চা অঙ্গনে তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও খেলোয়াড়দের নিয়ে নিয়মিত মন্তব্য করেন। ছয়বারের ‘মিস্টার অলিম্পিয়া’ বিজয়ী ক্রিস বামস্টেড সম্পর্কেও তিনি আগে প্রশংসাসূচক মন্তব্য করেছিলেন। ২০২৪ সালে বামস্টেড অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এল গুয়িন্ডি তাকে শরীরচর্চার প্রতি নতুন করে মানুষের আগ্রহ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
এদিকে প্রেস্টনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রেস্টন সবসময় হাসিখুশি থাকত এবং আশপাশের মানুষের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে দিত।
দুর্ঘটনার পর পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরে শোক প্রকাশ করেছেন।
ঘটনাটি দুর্ঘটনা হিসেবে তদন্ত করছে ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ। এখন পর্যন্ত এল গুয়িন্ডির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা বা তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: ক্যালিফোর্নিয়া মহাসড়ক টহল বিভাগ, ওয়ার্ল্ড বডিবিল্ডিং নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের ফাঁকে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এই সাক্ষাতের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ড. খলিলুর রহমান তার ব্যক্তিগত ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত মতবিনিময়।’
খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে জাতিসংঘ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং নিরাপত্তা পরিষদে আফ্রিকার স্থায়ী প্রতিনিধিত্বের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেছেন। তিনি আফ্রিকাকে বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২ জুন ২০২৬ খলিলুর রহমান ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তার এক বছরের মেয়াদ শুরু হয়েছে।
এদিকে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূল পর্বের সাধারণ বিতর্ক শুরু হয়েছে। এতে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং বিশ্বনেতারা বক্তব্য প্রদান করছেন। একই দিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন। অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও উপস্থিত রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়ি কেনা অনেকের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ মনে হতে পারে, তবে প্রথমবার বাড়ি কিনতে যাওয়া যোগ্য ক্রেতাদের জন্য সরকারি সহায়তার সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিভাগের ‘হোমফার্স্ট’ কর্মসূচি।
এই কর্মসূচির অধীনে বাড়ির প্রাথমিক মূল্য পরিশোধ এবং বাড়ি কেনার সাথে সম্পর্কিত খরচ মেটাতে সর্বাধিক ১ লাখ ডলার পর্যন্ত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। নিউইয়র্ক সিটির পাঁচটি বরো—ব্রঙ্কস, ব্রুকলিন, ম্যানহাটন, কুইন্স এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
এ কর্মসূচির আওতায় ১ থেকে ৪ ইউনিটের বাড়ি, কনডোমিনিয়াম অথবা সমবায় মালিকানার বাড়ি কেনার সুযোগ রয়েছে। তবে ক্রেতার প্রধান বাসস্থান হিসেবে কেনা বাড়িটি ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি, বাড়িটি কেনার পূর্বে নির্ধারিত আবাসন মানের পরিদর্শনে উত্তীর্ণ হতে হবে।
হোমফার্স্টের আওতায় পাওয়া ১ লাখ ডলার সরাসরি নগদ অনুদান নয়, বরং এটি নির্দিষ্ট শর্তে প্রদত্ত ঋণ। ৪০ হাজার ডলার বা তার কম সহায়তা গ্রহণ করলে ক্রেতাকে ওই বাড়িতে অন্তত ১০ বছর প্রধান বাসস্থান হিসেবে থাকতে হবে। অন্যদিকে, ৪০ হাজার ডলারের বেশি সহায়তা গ্রহণ করলে অন্তত ১৫ বছর সেখানে বসবাস করতে হবে।
এছাড়া, আবেদনকারীর পরিবারের সদস্যসংখ্যা অনুযায়ী বার্ষিক আয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী, এক সদস্যের পরিবারের সর্বোচ্চ বার্ষিক আয় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫৬০ ডলার হতে পারে। চার সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আয়সীমা ২ লাখ ৩ হাজার ৫২০ ডলার।
এক ইউনিটের বাড়ির জন্য ব্রঙ্কস, ম্যানহাটন এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ডে সর্বোচ্চ বাড়ির মূল্য ৬ লাখ ৬১ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। হোমফার্স্টের পাশাপাশি, নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে কনডোমিনিয়াম এবং সমবায় মালিকানার বাড়ি কেনার সুযোগও রয়েছে।
মধ্যম ও মাঝারি আয়ের পরিবারের জন্য ‘মিচেল-লামা’ কর্মসূচি রয়েছে, যার আওতায় সমবায় মালিকানার বাড়ি পাওয়ার সুযোগ আছে। তবে এই সুবিধার জন্য আলাদা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়।
অন্যদিকে, যারা নিউইয়র্ক সিটির বাইরে বাড়ি কিনতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য নিউইয়র্ক স্টেট মর্টগেজ এজেন্সির অধীনে বিভিন্ন প্রাথমিক মূল্য পরিশোধ সহায়তা কর্মসূচি রয়েছে।
তবে সরকারি সহায়তার মাধ্যমে বাড়ি কেনার আগে সংশ্লিষ্ট কর্মসূচির সর্বশেষ নিয়ম ও শর্ত যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া, অনুমোদিত আবাসন পরামর্শকের পরামর্শ নেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগর পুলিশের ট্রাফিক প্রয়োগকারী কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ কোর্সে ব্যাচের সেরা হয়ে নতুন একটি অর্জনের নজির স্থাপন করেছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান আল মোর্শেদ।
বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন তাকে অভিনন্দন জানিয়েছে নিউইয়র্ক নগর পুলিশের ট্রাফিক প্রয়োগকারী কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য। সংগঠনটি তার এই অর্জনকে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে, কারণ তিনি পুরো ব্যাচের ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী’ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
শুধু সফলভাবে প্রশিক্ষণ কোর্সটি সম্পন্ন করাই নয়, আল মোর্শেদ মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে ব্যাচের শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন এই স্বীকৃতিকে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচনা করেছে।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশিক্ষণের সময় আল মোর্শেদ কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা, মেধা ও দৃঢ় সংকল্প প্রদর্শন করেছেন। তার পেশাগত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা ও অটল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেছে এই সাফল্যে।
বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের মতে, নিউইয়র্ক নগর পুলিশের মতো মূলধারার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীতে আল মোর্শেদের এই সাফল্য যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেলিভারি দেওয়ার আগে চালককে হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। তবে গাড়িতে থাকা গ্রাহকের পিৎজা আটকে থাকেনি। শেষ পর্যন্ত, দুই পুলিশ কর্মকর্তা সেই পিৎজা গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেন।
অদ্ভুত এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের টেম্পি শহরে ঘটেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও রেসিংয়ের অভিযোগে একটি খাবার সরবরাহকারীকে ট্রাফিক থামিয়ে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
চালককে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেন, তার গাড়িতে একজন গ্রাহকের পিৎজার অর্ডার রয়েছে। চালক হেফাজতে থাকায় অর্ডারটি গ্রাহকের কাছে কীভাবে পৌঁছানো যায়, তা নিয়ে তারা চিন্তা করতে শুরু করেন।
অবশেষে, তারা নিজেদের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেন যে, পিৎজাটি তারা নিজেরাই পৌঁছে দেবেন। এরপর পিৎজার বাক্স হাতে ওই নারীর বাড়ির দরজায় হাজির হন তারা।
দরজা খুলে পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখে গ্রাহক বিস্মিত হয়ে যান। তখন একজন কর্মকর্তা তাকে জানান, তার খাবার সরবরাহকারীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তাই পিৎজাটি পৌঁছে দিতে তারা এসেছেন। পাশে থাকা আরেক কর্মকর্তা মজা করে বলেন, পিৎজাটি এখনো গরম থাকার কথা।
অপ্রত্যাশিত এই ঘটনায় অবাক হলেও ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
পরে টেম্পি পুলিশ বিভাগের প্রকাশ করা পুলিশের শরীরে থাকা ক্যামেরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই কর্মকর্তা পিৎজা পৌঁছে দিচ্ছেন।
ঘটনাটি নিয়ে টেম্পি পুলিশও মজা করে জানায়, খাবার সরবরাহকারী হেফাজতে গেলেও পিৎজা সরবরাহ ঠিকই সম্পন্ন হয়েছে। ফলে একটি সাধারণ ট্রাফিক থামানোর ঘটনা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় ব্যতিক্রমী এক পিৎজা পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ