প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ডেলিভারি দেওয়ার আগে চালককে হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। তবে গাড়িতে থাকা গ্রাহকের পিৎজা আটকে থাকেনি। শেষ পর্যন্ত, দুই পুলিশ কর্মকর্তা সেই পিৎজা গ্রাহকের বাড়িতে পৌঁছে দেন।
অদ্ভুত এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের টেম্পি শহরে ঘটেছে। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে বেপরোয়া গাড়ি চালানো ও রেসিংয়ের অভিযোগে একটি খাবার সরবরাহকারীকে ট্রাফিক থামিয়ে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
চালককে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ কর্মকর্তারা লক্ষ্য করেন, তার গাড়িতে একজন গ্রাহকের পিৎজার অর্ডার রয়েছে। চালক হেফাজতে থাকায় অর্ডারটি গ্রাহকের কাছে কীভাবে পৌঁছানো যায়, তা নিয়ে তারা চিন্তা করতে শুরু করেন।
অবশেষে, তারা নিজেদের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেন যে, পিৎজাটি তারা নিজেরাই পৌঁছে দেবেন। এরপর পিৎজার বাক্স হাতে ওই নারীর বাড়ির দরজায় হাজির হন তারা।
দরজা খুলে পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখে গ্রাহক বিস্মিত হয়ে যান। তখন একজন কর্মকর্তা তাকে জানান, তার খাবার সরবরাহকারীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তাই পিৎজাটি পৌঁছে দিতে তারা এসেছেন। পাশে থাকা আরেক কর্মকর্তা মজা করে বলেন, পিৎজাটি এখনো গরম থাকার কথা।
অপ্রত্যাশিত এই ঘটনায় অবাক হলেও ওই নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান।
পরে টেম্পি পুলিশ বিভাগের প্রকাশ করা পুলিশের শরীরে থাকা ক্যামেরার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুই কর্মকর্তা পিৎজা পৌঁছে দিচ্ছেন।
ঘটনাটি নিয়ে টেম্পি পুলিশও মজা করে জানায়, খাবার সরবরাহকারী হেফাজতে গেলেও পিৎজা সরবরাহ ঠিকই সম্পন্ন হয়েছে। ফলে একটি সাধারণ ট্রাফিক থামানোর ঘটনা শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় ব্যতিক্রমী এক পিৎজা পৌঁছে দেওয়ার ঘটনায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন