০৮:৩৪ পি.এম
বাহামাসে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১০ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১০ জুলাই) এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে দেশটির রাজধানী নাসাউয়ের পশ্চিমে অবস্থিত উত্তর অ্যানড্রয়ের জলভাগে।
দেশের ৫৩তম স্বাধীনতাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্যেই এই বড় বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বাহামিয়ান বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, বিধ্বস্ত বিমানটি বাহামাসে নিবন্ধিত একটি ‘সেসনা ৪০২’ মডেলের ছোট বিমান ছিল। বিমানটি নাসাউয়ের লিন্ডেন পিন্ডলিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সান অ্যানড্রসের উদ্দেশে যাত্রা করার পরপরই এটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।
দুর্ঘটনার পর এক সংবাদ সম্মেলনে বাহামাসের প্রধানমন্ত্রী ফিলিপ ব্রেভ ডেভিস জানান, প্রথমে একজনকে জীবিত উদ্ধারের খবর পাওয়া গেলেও পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান।
নিহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ যখন স্বাধীনতাবার্ষিকী উদযাপন করছিল, তখন এটি একটি গভীর শোকের দিনে পরিণত হয়েছে। যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই।’
এই মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণে এবং একই দিনে আরেকটি নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে সরকার ‘ফ্ল্যামিঙ্গো এয়ার’-এর বিমান পরিচালনা সনদ (লাইসেন্স) সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
দেশটির জ্বালানি, পরিষেবা ও বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের স্বার্থে সতর্কতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিমান চলাচল মন্ত্রী জোবেথ কোলবি-ডেভিস জানান, শুক্রবার সকালে ফ্ল্যামিঙ্গো এয়ারের আরেকটি বিমানেও বড় ধরনের নিরাপত্তা বিভ্রাট ঘটেছিল। মায়াগুয়ানাগামী ওই বিমানটির পাইলট মাঝ-আকাশে জরুরি সমস্যা টের পেয়ে নাসাউতে ফিরে আসেন। বিমানটি সফলভাবে অবতরণ করার পর যাত্রীরা নিরাপদে নেমে যাওয়ার পরপরই সেটিতে আগুন ধরে যায়। পরপর ঘটে যাওয়া এই দুইটি ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এয়ারলাইনসটির সব ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন