বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩২ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্কে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন, যেখানে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করছেন।
বিশ্বনেতা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং কূটনৈতিক তৎপরতায় তার সময় অতিবাহিত হচ্ছে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর থেকেই তিনি বিভিন্ন কূটনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। এই কার্যক্রমের মধ্যে জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নির্ধারিত ভাষণসহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
নিউইয়র্ক সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈশিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক বিষয়াবলি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো মূল বিষয়গুলোতে আলোকপাত করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
ইউএনজিএ-তে অংশগ্রহণের প্রথম দিন অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর সকালে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল প্রধান ও তাদের সঙ্গীদের সম্মানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আয়োজিত এক প্রাতঃরাশ সভায় তিনি যোগদান করেন।
এরপর তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের উচ্চপর্যায়ের সাধারণ বিতর্কে অংশ নেন।
দিনব্যাপী অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, মালদ্বীপের ভাইস-প্রেসিডেন্ট উজ হুসেইন মোহাম্মদ লতিফ, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ের ফিল্স-এমে’র সঙ্গে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও তিনি অংশ নেন।
প্রধানমন্ত্রী দিনভর ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, মিয়ানমার বিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এবং মেটা প্ল্যাটফর্মসের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার জোয়েল কাপলানের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
সন্ধ্যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আসা বিশ্বনেতাদের সম্মানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
২৩ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিগুলোর মূল কেন্দ্রে মানবিক সমস্যা, জলবায়ু মোকাবিলা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা থাকবে।
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে আন্তর্জাতিক জনহিতকর ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক প্রাতঃরাশ সভায় তিনি অংশগ্রহণ করবেন। গেটস ফাউন্ডেশন, ভিসা ফাউন্ডেশন, রকফেলার ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি এবং রোটারি ইন্টারন্যাশনালসহ বেশ কয়েকটি বৈশ্বিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পরে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা সংকটের ওপর ‘দ্য রোহিঙ্গা ক্রাইসিস: আ রিনিউড কল ফর আ ডিউরেবল সলিউশন ফ্রম প্রোট্র্যাক্টেড ডিসপ্লেসমেন্ট, উইথ জাস্টিস অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি’ শীর্ষক একটি উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন এবং ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রধান আকর্ষণ হবে ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে তার ভাষণ।
সূচি অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সময় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সাধারণ পরিষদ হলে বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। বিকেলের সেশনের ১৮ জন বক্তার মধ্যে তিনি ১১তম বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখবেন এবং তার বক্তব্যের জন্য ১৫ মিনিটের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ওইদিন সকালে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলার ওপর আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এ ছাড়া তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এবং জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।
জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ার পর, নিউইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির আয়োজনে তার সম্মানে দেওয়া নৈশভোজে তিনি যোগদান করবেন।
২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক ত্যাগের আগে ম্যানহাটনে জেপি মরগানের সদর দপ্তরে ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সঙ্গে জেপি মরগান আয়োজিত এক প্রাতঃরাশ সভায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই দিনে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহর সঙ্গেও তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক সময় ২৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় দুবাই হয়ে এমিরেটসের ইকে২০২ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালত ১৫ সার ডিলারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলায় সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার ১৬ আসামি জামিনের জন্য হাজির হন। শুনানি শেষে বিচারক মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের মধ্যে একজনকে জামিন প্রদান করেন এবং বাকি ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার এজাহারভুক্ত ২০ আসামির মধ্যে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জন্য জামিন নেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ১৬ জন নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। একজনের জামিনের মেয়াদ থাকায় আদালত পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে তার জামিন মঞ্জুর করেন। অন্য ১৫ জনের উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাদের পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করে কারাগারে পাঠানো হয়।
কারাগারে যাওয়া সার ডিলারদের মধ্যে রয়েছেন—সুফিয়া বেগম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, মরিয়ম আক্তার মুন্নি, মো. ফরহাদ আলী, তাপস নন্দী, সিরাজুল ইসলাম, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী, বোরহান উদ্দিন, মাজাহারুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. রতন মিয়া ও মো. বাদশা মিয়া।
গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ জুন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহানের নেতৃত্বে একটি দল শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথ বাজার, নতুন বাসস্ট্যান্ডসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকান পরিদর্শন করে।
পরিদর্শনের সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ৯(২) ধারা অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমো জব্দ করে যাচাই-বাছাই করা হয়। এতে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, অধিক মুনাফার আশায় ডিলাররা সরকারি বরাদ্দের ৪ হাজার ৪১২ টন ইউরিয়া সার কালোবাজারে বিক্রি করেন। এসব সারের মূল্য প্রায় ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৪ হাজার টাকা। এছাড়া ৮২১ টন ডিএপি সার, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৭২ লাখ ৪১ হাজার টাকা, ১৩৪ টন টিএসপি সার, যার মূল্য প্রায় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার টাকা এবং অন্যান্য সার বাবদ প্রায় ৩৪ লাখ ৪০ হাজার টাকার সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল মান্নান জানান, মামলার ২০ আসামি বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহ করে জামিন নিয়েছিলেন। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার ১৬ জন নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। উচ্চ আদালতের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদালত ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। একজনের জামিনের মেয়াদ থাকায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরে রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেল থামিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় ট্রাফিক পুলিশ দেশীয় তৈরি একটি ওয়ান শুটার গান ও চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করেছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শহরের হাসপাতাল মোড়ে নিয়মিত চেকপোস্ট চলাকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন—দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার দপ্তরীপাড়া এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে হারুন (৫৫) এবং ষষ্ঠীতলা এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. রতন (২০)। হারুন পিকআপ চালক হিসেবে কর্মরত আছেন এবং রতন একটি পিকআপ গ্যারেজে কাজ করেন।
ট্রাফিক পুলিশ জানায়, লিলির মোড় থেকে রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি মোটরসাইকেলে করে হারুন ও রতন বালুবাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। হাসপাতাল মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট রুপক কুমার ঝা তাদের থামার সংকেত দেন। কিন্তু তারা সংকেত অমান্য করে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সার্জেন্ট রুপক কুমার তাদের ধাওয়া করে আটক করেন।
আটকের সময় তাদের বহন করা লাল রঙের একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে দেশীয় তৈরি একটি ওয়ান শুটার গান ও চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ট্রাফিক কনস্টেবল শাহনেওয়াজ ও মেহেদী হাসান অংশ নেন। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) অমৃত সরকারের উপস্থিতিতে তল্লাশি শেষে আটক দুজনকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও গুলিসহ কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
ট্রাফিক বিভাগের টিআই (প্রশাসন) রাহিনুর ইসলাম খান জানান, রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলটি থামিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের সময় আরোহীদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তল্লাশি করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়।
এ বিষয়ে দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক অ্যান্ড এস্টেট) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসার নির্দেশনায় চলমান চেকপোস্ট কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাসপাতাল মোড়ে অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার দুইজনকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে। গ্রেপ্তার হারুনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি ডাকাতির মামলা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড, যা স্কয়ার গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান, জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় হল সম্প্রতি তোলা দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার সকল সনদপত্রের ফটোকপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ক্যালকুলেটর, এবং জীবনবৃত্তান্ত। এসব তথ্যসহ আগামী শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮ টার মধ্যে উল্লিখিত ঠিকানায় লিখিত পরীক্ষার জন্য উপস্থিত থাকতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
পদের নাম: সেলস অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি পাস
অভিজ্ঞতা: বিক্রয়ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
দায়িত্ব ও কর্তব্য:
- দোকান থেকে পণ্যের অর্ডার গ্রহণ করা এবং দোকানে অর্ডার অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা।
- বিক্রয় লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করা।
- পরিবেশকের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে, তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টে নাছির উল্লেখ করেছেন, সন্ত্রাসনির্ভর ছাত্ররাজনীতির ধারক ও বাহক, মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আলবদর বাহিনীর উত্তরসূরি ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজশাহী মহানগর শাখার সভাপতি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে যে উসকানিমূলক হেট স্পিচ ছড়িয়েছে, তা দেশের সকল ক্যাম্পাসের রাজনৈতিক সহাবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ছাত্রশিবিরের ক্যাডারের এহেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ হুমকিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা অরাজকতার আশঙ্কা করছে।
তিনি আরও লিখেছেন, "আমরা স্পষ্ট করে বলছি, কেউ আমাদের কোনো নেতাকর্মীর ওপর আঘাত করতে চাইলে আমরা তাদেরকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে ইতস্তত বোধ করব না।" বেপরোয়া ছাত্রশিবিরকে মুখে ও হাতে লাগাম লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ