শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৭ পি.এম
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে হিমালয় অঞ্চলের একাধিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে আটকে পড়া শত শত শ্রমিকের মধ্যে থেকে, নেপালের একটি বিপর্যস্ত জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, আরও কয়েকজনের গলার শব্দ শোনা গেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।
ত্রিশূলী ৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলের ভেতর থেকে উদ্ধারকৃত দুইজনকে অল্প সময়ের ব্যবধানে উদ্ধার করা হয়। সেখানে নিখোঁজ ৪২ শ্রমিকের সন্ধানে টানেল খনন করে উদ্ধারকারীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রায় এক ডজন উদ্ধারকারী মাটির একটি ছোট গর্ত দিয়ে একজনকে বের করে আনছেন। নিরাপদে বেরিয়ে আসার পর উদ্ধারকারীরা হাততালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নুওয়াকোট জেলার পুলিশ প্রধান বিপিন রেগমি জানান, উদ্ধারকারীরা ভেতর থেকে মানুষের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছেন। ঘটনাস্থলে একটি মেডিকেল টিম পাঠানো হচ্ছে।
জলবিদ্যুৎকেন্দ্রটির ভূগর্ভস্থ পাওয়ার হাউজে যাওয়ার টানেলটি চার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ। ভয়াবহ বন্যার সময় সেখানে কয়েক ডজন শ্রমিক কাজ করছিলেন।
ত্রিশূলী নদীর তীরে অবস্থিত নেপালের কয়েকটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব প্রকল্পে চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারতের নাগরিকসহ বিভিন্ন দেশের শ্রমিক ছিলেন। বন্যার পানির প্রবল স্রোতে নদী ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে নেপালে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
সূত্র : সিএনএন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে কসটেপ মোড়ানো অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত ব্যক্তির মুখে কসটেপ পেঁচানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা মরদেহটি এনে এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে রেখে গেছে।
বনানী থানার ওসি মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি নিহতের পরিচয় শনাক্ত এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে— কেউ তাকে হত্যা করে মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ফেলে গেছে। সব সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। খুব শিগগিরই ঘটনা উদ্ঘাটন করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সরকারের নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে। সংস্থাটি জানায়, শুধুমাত্র সেই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আনা উচিত, যারা প্রতিবছর সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করবেন।
টিআইবি আরও আহ্বান জানিয়েছে যে, যারা সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করবেন না, তাদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রযোজ্য হওয়া উচিত নয়। গত মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এই আহ্বান জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন।
সংস্থাটি মনে করে, এই শর্ত বাস্তবায়িত হলে সরকারি খাতে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একইসঙ্গে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করা সহজ হবে।
ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আর্থিক সক্ষমতার কঠিন সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তিন ধাপে সরকারি কর্মজীবীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত যুক্তিসঙ্গত। তিনি উল্লেখ করেন, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সরকারি কর্মজীবীদের বেতন-ভাতা সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে, তাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পেশাগত উৎকর্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা প্রত্যাশা করা অসম্ভব।
টিআইবি মনে করে, জনগণের করের টাকায় বেতন-ভাতা বাড়ানোর কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে হলে সরকারি কর্মজীবী ও তাদের পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয় ও সম্পদের হিসাব প্রতিবছর হালনাগাদ প্রকাশ করতে হবে।
ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, অনেক সরকারি কর্মজীবী অনিয়ম ও দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন এবং সৎভাবে জীবনযাপন করেন। তাদের জন্য নতুন বেতন স্কেল ন্যায়সংগত ও অপরিহার্য।
অন্যদিকে, ঢালাওভাবে নতুন বেতন স্কেল প্রয়োগ করা হলে, সরকারি খাতে দুর্নীতির মাত্রা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অবৈধ অর্থসম্পদ অর্জনে লিপ্ত ব্যক্তিদের জন্য এই সুবিধা অযৌক্তিক ও নিষ্প্রয়োজন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, তাদের অর্থসম্পদের আকাঙ্ক্ষা এতটাই গগনচুম্বী যে কার্যকর জবাবদিহির উপায় নিশ্চিত না করে ঢালাওভাবে নতুন বেতন স্কেল প্রয়োগ করা হলে, সরকারি খাতে দুর্নীতির মাত্রা আরও বাড়বে। এর আগে এরূপ উদাহরণও রয়েছে।
নতুন বেতন কাঠামো সরকারি কর্মজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা ও কর্মোদ্দীপনা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষ, গতিশীল ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, সরকারের এমন আশাবাদের কথা উল্লেখ করেছে টিআইবি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদ্যালয়ে চালু করা হয়েছিল ‘সততা স্টোর’, যা শিশুদের মধ্যে সততার চর্চা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে। সেখানে কোনো বিক্রেতা উপস্থিত থাকতেন না। শিশুরা নিজেদের পছন্দের খাবার নিয়ে নির্ধারিত দাম টিনের বাক্সে রেখে যেত। তবে, ওই টাকার বাক্স ভেঙে ১ হাজার ২৫০ টাকা চুরি হয়ে গেছে।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের খাগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে এই ঘটনা ঘটে। বিদ্যালয়ের দুটি বৈদ্যুতিক পাখাও চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, জানালার গ্রিল কেটে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ‘সততা স্টোরের’ টাকার বাক্স ভেঙে নগদ টাকাসহ দুটি বৈদ্যুতিক পাখা চুরি হয়েছে এবং একটি আলমারির তালা ভেঙে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তছনছ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পূর্ণেন্দু চন্দ্র রায় জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১০৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। সাত বছর আগে শিশুদের মধ্যে সততার চর্চা গড়ে তোলার জন্য ‘সততা স্টোর’ চালু করা হয়েছিল।
সেখানে মুড়ি, বিস্কুট, চানাচুরসহ বিভিন্ন শুকনা খাবার রাখা হতো। প্রতিটি খাবারের দাম লেখা থাকত। টিফিনের সময় শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের খাবার নিয়ে নির্ধারিত টাকা টিনের বাক্সে রেখে দিত। ১০ থেকে ১৫ দিন পরপর ওই টাকা দিয়ে আবার খাবার কেনা হতো।
চুরির ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, বিদ্যালয়ে এভাবে চুরি হওয়ায় তাঁরা মালপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে কোনো নৈশপ্রহরী না থাকায় রাতে পুরো প্রতিষ্ঠান অরক্ষিত থাকে। একই রাতে বিদ্যালয়ের পাশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খাগা আশ্রমেও চুরি হয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন। আশ্রমের একটি ঘরের তালা ভেঙে পূজার কাজে ব্যবহৃত কাঁসার থালাবাসন ও বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি হয়েছে।
এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা বেড়েছে অভিযোগ করে খানপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মুন্নাফ হোসেন জানিয়েছেন, মাদকের টাকা জোগাড় করতে কেউ এ ধরনের চুরির সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এলাকার পুলিশের টহল বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ে চুরির বিষয়ে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার কাজ শুরু করেছে, যা সংসদীয় বিষয়াবলি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
এই কমিটি গঠন করা হয়েছে দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য, যা প্রথাগত ও সরকারি কূটনীতির পাশাপাশি সংসদীয় কূটনীতি এবং পেশাদার বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিনের সঙ্গে বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়।
বৈঠকে কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্র ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
এ সময় সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, "১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই রাশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষিত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে।" সময়ের পরিক্রমায় এই সম্পর্ক আজ সুদৃঢ় ও বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বে রূপ নিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কৃষি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, পারমাণবিক বিজ্ঞান, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি খাত এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা ‘পিপল-টু-পিপল কানেকশন’ সুসংহত করতে যৌথ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাস করে। নতুন প্রজন্মের সমন্বয় এবং নতুন কাঠামোর অধীনে যৌথ উদ্যোগে ঢাকা-মস্কো দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব আরও গভীর ও গতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, "দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়ন, উভয় দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
তিনি বিশ্বাস করেন যে, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের এই যৌথ অংশগ্রহণের ফলে বিদ্যমান বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন, "পারস্পরিক সুবিধা বা ‘মিউচুয়াল বেনিফিট’ হলো যেকোনো টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আসল ভিত।"
তিনি জনকূটনীতি এবং সামাজিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, যৌথ স্বার্থ ও সুবিধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও নির্ভরতা বৃদ্ধি করতে সরাসরি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
উক্ত বৈঠকে মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাইরুল কবির খোকন, সাঈদ আল নোমান, সাইফুল আলম, আতিকুর রহমান মুজাহিদ এবং জেবা আমিন খান।
এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার পাশাপাশি রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের মানোন্নয়নে একজন মুসলিম সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে 'গ্রুপ অব ডেপুটিস' বা সংসদীয় মৈত্রী দল গড়ে তোলা হয়েছে।
সেখানে আন্তর্জাতিক ও জনকূটনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের সুসম্পর্ক সুসংহত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। সংসদীয় কূটনীতির এই শক্তিশালী বিকাশ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে উভয় দেশের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ