শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২৮ পি.এম
বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার করার কাজ শুরু করেছে, যা সংসদীয় বিষয়াবলি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
এই কমিটি গঠন করা হয়েছে দুই দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য, যা প্রথাগত ও সরকারি কূটনীতির পাশাপাশি সংসদীয় কূটনীতি এবং পেশাদার বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিনের সঙ্গে বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়।
বৈঠকে কৌশলগত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্র ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
এ সময় সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, "১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকেই রাশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষিত উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে রয়েছে।" সময়ের পরিক্রমায় এই সম্পর্ক আজ সুদৃঢ় ও বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বে রূপ নিয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কৃষি, শিক্ষা, প্রযুক্তি, পারমাণবিক বিজ্ঞান, খাদ্য নিরাপত্তা, জ্বালানি খাত এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক বা ‘পিপল-টু-পিপল কানেকশন’ সুসংহত করতে যৌথ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাস করে। নতুন প্রজন্মের সমন্বয় এবং নতুন কাঠামোর অধীনে যৌথ উদ্যোগে ঢাকা-মস্কো দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্ব আরও গভীর ও গতিশীল হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন বাংলাদেশি প্রতিনিধিদলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, "দুই দেশের সংসদীয় সম্পর্ক উন্নয়ন, উভয় দেশের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং পারস্পরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে রাশিয়ার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
তিনি বিশ্বাস করেন যে, দুই দেশের সংসদ সদস্যদের এই যৌথ অংশগ্রহণের ফলে বিদ্যমান বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
রাশিয়ান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি উইথ বাংলাদেশের সভাপতি মিয়া সাত্তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল ভিত্তি হিসেবে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোকে চিহ্নিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন, "পারস্পরিক সুবিধা বা ‘মিউচুয়াল বেনিফিট’ হলো যেকোনো টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আসল ভিত।"
তিনি জনকূটনীতি এবং সামাজিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার তাগিদ দেন।
তিনি বলেন, যৌথ স্বার্থ ও সুবিধার ওপর ভিত্তি করে গঠিত বাংলাদেশ-রাশিয়া সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও নির্ভরতা বৃদ্ধি করতে সরাসরি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
উক্ত বৈঠকে মৈত্রী গ্রুপের সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী এমপির নেতৃত্বে সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাইরুল কবির খোকন, সাঈদ আল নোমান, সাইফুল আলম, আতিকুর রহমান মুজাহিদ এবং জেবা আমিন খান।
এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস অনুবিভাগের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকার পাশাপাশি রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমাতেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের মানোন্নয়নে একজন মুসলিম সংসদ সদস্যের নেতৃত্বে 'গ্রুপ অব ডেপুটিস' বা সংসদীয় মৈত্রী দল গড়ে তোলা হয়েছে।
সেখানে আন্তর্জাতিক ও জনকূটনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের সুসম্পর্ক সুসংহত করতে ধারাবাহিকভাবে কাজ চলছে। সংসদীয় কূটনীতির এই শক্তিশালী বিকাশ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক নানা ফোরামে উভয় দেশের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর মুহুরীগঞ্জ এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ইউনিক পরিবহণের একটি বাসের সংঘর্ষে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক। তবে, তাদের নাম ও পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ফাজিলপুর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু নোমান জানান, চট্টগ্রামমুখী লেনে একটি কাভার্ডভ্যান বিকল হয়ে পড়ে ছিল। পরে, একটি লং ভেহিক্যালের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানটি বেঁধে নেওয়ার কাজ চলছিল। এই সময় পেছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা ইউনিক পরিবহণের বাসটি কাভার্ড ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়।
এই সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই কাভার্ড ভ্যানের চালক, হেলপার এবং ইউনিক পরিবহণের বাসচালক নিহত হন। আহত একজনকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ফাজিলপুর হাইওয়ে পুলিশ নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ফেয়ারফ্যাক্স ডিস্ট্রিক্টে একটি শপিং সেন্টারের পার্কিং লটে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এক নারী প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। তবে, ড্রাইভারকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থার্ড স্ট্রিট ও ফেয়ারফ্যাক্স অ্যাভিনিউর সংযোগস্থলে অবস্থিত ‘গিলমোর স্টেশন’ শপিং সেন্টারে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিয়ন্ত্রণহীন একটি টেসলা গাড়ি ট্রেডার জোস, মেন্ডোসিনো ফার্মস এবং সাইডকার ডোনাটসের যৌথ পার্কিং লটের সামনে থাকা সিকিউরিটি স্ট্যান্ডে সজোরে ধাক্কা দেয়।
লস অ্যাঞ্জেলেস ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সী এক নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং আহতদের মধ্যে চারজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে ১৯ বছর বয়সী এক তরুণ গুরুতরভাবে আহত হন, এবং ৩০ ও ৫৭ বছর বয়সী দুই নারী সামান্য আঘাত পেয়েছেন।
ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা ড্রেক পিসিওন জানান, দুর্ঘটনার পর চালক চরম আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন।
ড্রাইভারের দাবি, তিনি গাড়িটি থামানোর জন্য ব্রেক চাপিয়েছিলেন, কিন্তু টেসলা গাড়িটি থামার পরিবর্তে দ্রুত গতিতে সামনে এগিয়ে যায়। গাড়ি থেকে নামার পর তিনি বুঝতে পারেননি যে তার গাড়ির ধাক্কায় একজনের মৃত্যু ঘটেছে।
ঘটনার পর লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র কারেন বাস গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং দুর্ঘটনাস্থলে সংকটাপন্নদের সহায়তায় ক্রাইসিস রেসপন্স টিম পাঠিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "ফেয়ারফ্যাক্স ও থার্ড স্ট্রিটের সংযোগস্থলের কাছে ট্রেডার জোসের বাইরে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আমি গভীরভাবে মর্মাহত। যারা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "আমার কার্যালয় থেকে ক্রাইসিস রেসপন্স টিমের সদস্যদের পাঠানো হয়েছে এবং লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগের (LAPD) কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সহায়তা প্রদানকারী সাহসী উদ্ধারকর্মীদের আমি ধন্যবাদ জানাই।"
পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত শেষে জানিয়েছে, এটি একজন বয়স্ক চালকের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে। তবে, প্রযুক্তির কোনো ত্রুটি নাকি চালকের ভুল—তা নিশ্চিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি মৌসুমের শুরুতে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। ব্রাজিলের এই ফরোয়ার্ড, আর্সেনাল ক্লাব ত্যাগ করে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-হিলালে যোগ দিয়েছেন।
আল-হিলাল, মার্টিনেল্লিকে দলে ভেড়াতে প্রায় ৬ কোটি পাউন্ড ব্যয় করেছে। ২০১৯ সালে আর্সেনালে যোগ দেওয়ার পর, মার্টিনেল্লির সাত বছরের অধ্যায় এবার শেষ হলো।
আর্সেনালের সঙ্গে এমিরেটস স্টেডিয়ামে মার্টিনেল্লির চুক্তির মেয়াদ ছিল মাত্র ১২ মাস। তবে কোচ মিকেল আর্তেতা নতুন মৌসুমের পরিকল্পনায় তাকে অন্তর্ভুক্ত না করার কথা জানান। ফলে, দ্রুত নতুন ক্লাব খুঁজে নেন মার্টিনেল্লি।
বর্তমানে আল-হিলাল, আল-নাসরের সঙ্গে যৌথভাবে সৌদি প্রো লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এর আগে, ইংলিশ ফরোয়ার্ড অলি ওয়াটকিনসও এই দলে যোগ দিয়েছেন। এবার আক্রমণভাগে মার্টিনেল্লি ওয়াটকিনসের সঙ্গী হবেন।
গত মৌসুমে আর্সেনালের হয়ে মার্টিনেল্লি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৫৩ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন এবং ১১ গোল করেছেন। ২০০৪ সালের পর আর্সেনালের প্রথম প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জয়ের পথে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলগুলোতে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ২-কে থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জেনারেটিভ এআই ব্যবহারে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। নতুন এই নীতির মাধ্যমে ছোট শিক্ষার্থীদের স্ক্রিন টাইম কমানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
মেয়র জোহরান মামদানি এবং স্কুল চ্যান্সেলর মেলিসা সামুয়েলসের ঘোষিত এই নীতিটি নিউইয়র্কের সরকারি স্কুলের প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রভাবিত করবে, যা মোট শিক্ষার্থীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ।
নীতির আওতায় ২-কে থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুলের কার্যক্রমে জেনারেটিভ এআই ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না। কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্য হলো ছোট বয়স থেকেই শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভরতা কমিয়ে পড়াশোনা, চিন্তাশক্তি এবং শ্রেণিকক্ষে সরাসরি শেখার পরিবেশের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
তবে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এআই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের জন্য এআই সম্পর্কে জ্ঞান ও দক্ষতা বা এআই লিটারেসি শেখানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের এআই কীভাবে কাজ করে, এর সম্ভাবনা ও ঝুঁকি এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিষয়ে ধারণা দেওয়া হবে।
নতুন নীতিতে ছোট শিক্ষার্থীদের স্ক্রিন ব্যবহারের সময় কমানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, শুধুমাত্র এআই নয়, শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ধরন নিয়েও স্কুলগুলোতে নতুন নীতিমালা কার্যকর হবে।
কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে শেখার মৌলিক দক্ষতা শক্তিশালী করা। একই সঙ্গে উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় এআই দক্ষতা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে।
নীতিটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে কার্যকর হবে। ফলে নিউইয়র্কের সরকারি স্কুলে ছোট শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহার সীমিত করার পাশাপাশি বড় শিক্ষার্থীদের জন্য এআই শেখার সুযোগ - দুই ধরনের নীতিই একসঙ্গে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ