ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুই সন্তানের সামনেই স্ত্রীর নির্মম হত্যা করেছেন ছায়েদুল: র‌্যাবের তথ্য


দুই সন্তানের সামনেই স্ত্রীর নির্মম হত্যা করেছেন ছায়েদুল: র‌্যাবের তথ্য

মাদক সেবনের জন্য টাকা না পাওয়ার কারণেই পোশাক শ্রমিক নাসিমা আক্তারকে তাঁর স্বামী ছায়েদুল ইসলাম ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এই ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত স্বামী ছায়েদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র‍্যাব ১- এর অধিনায়ক লেফটেনেন্ট কর্নেল মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী।

র‌্যাবের এই কর্মকর্তা মার্ক করেন যে, গত রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গাজীপুরের শ্রীপুরে নাসিমা আক্তার নামক এক পোশাক শ্রমিককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন তাঁর স্বামী ছায়েদুল ইসলাম। তিনি স্ত্রীর নির্মম হত্যা ঘটান ঘরের মধ্যে, দুই শিশু সন্তানের সামনে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

মো. নেয়ামুল হালিম চৌধুরী বলেন, ঘটনার পরপরই র‍্যাব-১ ছায়া রেখে তদন্তে নামেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জানা যায় যে, অভিযুক্ত ছায়েদুল গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে সেখানে চালানো অভিযান শেষে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

র‍্যাব ১- এর অধিনায়ক আরও জানান, ছায়েদুল ও নাসিমা দম্পতি ভাড়া বাসায় শ্রীপুরে বসবাস করতেন। নাসিমা গার্মেন্টসে চাকরি করতেন, তবে ছায়েদুল মাদকসেবী হওয়ায় তিনি তেমন কিছুই করতেন না। মাদকের টাকা নিয়ে মাঝে মাঝেই নাসিমাকে মারধর করতেন। ১২ জুলাই, নাসিমা যখন অফিস থেকে বেতন নিয়ে বাসায় ফিরে এসে পৌঁছান, তখন রাত আড়াইটার দিকে ছায়েদুল তিন হাজার টাকা দাবি করেন। নাসিমা টাকা দিতে অস্বীকার করলে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপ দিতে শুরু করেন ছায়েদুল। এর পর, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে নাসিমার মৃত্যু হয়। এরপর ছায়েদুল পালিয়ে যান। গ্রেফতার হওয়ার পর, তাঁকে শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মায়ের অকাল মৃত‍্যু এবং বাবার গ্রেফতার হওয়ার কারণে এই দম্পতির দুটি সন্তানের ভবিষ্যৎ বর্তমানে অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। আপাতত তারা মামার হেফাজতে আছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টানা দুই দফায় ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৪ হাজার টাকার বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ পি.এম


টানা দুই দফায় ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৪ হাজার টাকার বেশি

দেশের বাজারে সবশেষ ৫ দফা দাম সমন্বয়ের ফলে স্বর্ণের দাম ৪ বার কমেছে। এর মধ্যে টানা ২ দফায় মোট কমেছে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা।

সবশেষ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে টানা ২য় দফা স্বর্ণের দাম কমিয়েছে। এবার সংগঠনটি ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমার কারণে, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার আগ থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এখন দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, কোনো পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার এবং রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সাথে ভ্যাট যুক্ত থাকার কারণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের পূর্ববর্তী নিয়ম বহাল থাকবে।

এদিকে, গত ১৩ জুলাই সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সেই দিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই।

এখন পর্যন্ত চলতি বছরে দেশে ৯১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৬ দফা এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এবং চলতি বছর اکنون পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে দাম ২৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; এবং বাকি ২৮ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, এর মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের জব্দের নির্দেশের এক বছর পরও সড়কে চলছে ‘এনা পরিবহন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


আদালতের জব্দের নির্দেশের এক বছর পরও সড়কে চলছে ‘এনা পরিবহন’

আদালতের জব্দের নির্দেশের এক বছর পেরিয়ে গেলেও সড়কে কোনো বিঘ্ন ছাড়াই চলছে খন্দকার এনায়েত উল্লাহর মালিকানাধীন ‘এনা পরিবহন’। গত বছরের আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ১৭৯টি বাস জব্দ করার কথা থাকলেও, পুলিশ এখন পর্যন্ত জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে মাত্র ৫টি বাস। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় গতি আনার জন্য তারা আবারও আদালতের শরণাপন্ন হবেন।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা এবং বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী বাস থেকে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত শুরু করে।

এরপর গত বছরের মে মাসে আদালত এনা পরিবহনের ১৭৯টি বাস জব্দের নির্দেশ দেন। আদেশে উল্লেখ করা হয়, পুলিশ বাসগুলো জব্দ করে বিআরটিসির কাছে হস্তান্তর করবে এবং বিআরটিসি সেগুলো পরিচালনা করবে।

তবে এক বছরেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও অধিকাংশ বাস এখনো জব্দ হয়নি। বরং এ বাসগুলোর মাধ্যমেই পরিবহনটি ব্যবসা করে চলেছে। এতে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠেছে। এনা পরিবহনের ডিপোতে গিয়ে দেখা গেছে, জব্দের তালিকায় থাকা বাসগুলো এখনও দূরপাল্লার বিভিন্ন রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। যদিও ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে, তবে খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও কক্সবাজার রুটে এসব বাস নিয়মিতভাবে চলছে।

চালক ও শ্রমিকরা বলছেন, জব্দের আদেশের পর থেকে তারা নানা প্রশাসনিক জটিলতায় ভুগছেন। একজন শ্রমিক জানান, এখন খুব অল্প টিকিট বিক্রি হচ্ছে, ফলে কোম্পানির বড় ধরনের লোকসান হচ্ছে। একটি বাস পরিচালনার জন্য চালক, স্টাফ ও সুপারভাইজারসহ একাধিক খরচ হয়। গাড়ির মালিকদের হয়তো খুব বেশি সমস্যা হচ্ছে না, কিন্তু শ্রমিকদের জীবিকা সবচেয়ে বেশি দ্বিধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এদিকে, এনা পরিবহনের কর্মকর্তাদের দাবি, পরিবহন ব্যবসার সাথে মালিক সমিতির অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই। বিআরটিসির কাছে বাস হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে রিটও করেছেন। এনা ট্রান্সপোর্টের এজিএম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এসব বাস ব্যাংক ঋণ নিয়ে কেনা হয়েছে। যদি ধারাবাহিকভাবে বাসগুলো আটক করা হয়, তাহলে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা কোম্পানির জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পুলিশের হলেও, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ বলছে, তালিকাভুক্ত অধিকাংশ বাসের অবস্থান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ বেশিরভাগ বাসই এখন ঢাকার বাইরে চলাচল করছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান বলেন, বাসগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাজধানীতে থাকে না, দেশের বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে। চলন্ত অবস্থায় প্রতিটি বাসের ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর যাচাই করা তাৎক্ষণিকভাবে সবসময় সম্ভব নয়। তবে এখন পর্যন্ত পাঁচটি বাস জব্দ করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দুদকের আইনজীবী বলেছেন, বাসগুলো জব্দে গতি আনতে তারা আবারও আদালতের দ্বারস্ত হবেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর খাদেমুল হক জানান, অনেক সময় পেরিয়ে গেছে। তাই কমিশনের পক্ষ থেকে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করা হবে, যাতে আদালত পুলিশকে আবারও নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য স্মরণ করিয়ে দেন।

এদিকে, খন্দকার এনায়েত উল্লাহকে অনৈতিক সুবিধা দিতে বাস জব্দে গাফিলতির অভিযোগ তুলে গত নভেম্বরে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পক্ষ থেকে দুদকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরগুনায় আগুনে পুড়ে ছাই ৩০ দোকানির স্বপ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩১ পি.এম


বরগুনায় আগুনে পুড়ে ছাই ৩০ দোকানির স্বপ্ন

বরগুনার পাথরঘাটায় ভয়াবহ আগুনের কারণে ৩০টি দোকান সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার কিছু পরে পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের লেমুয়া বাজারে এই ঘটনার উদ্ভব ঘটে। এতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারেরা দাবি করেছেন।

স্থানীয়দের মতে, গভীর রাতে হঠাৎ করে লেমুয়া বাজারের ২-৩টি বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন জ্বলতে দেখা যায় নৈশ প্রহরীর দ্বারা। পরে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন, যাতে তারা ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করেন। এর পর পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনটি ইউনিটের সমন্বয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টার সাধনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। ততক্ষণে এক এক করে পুড়ে গেছে মুদি মনহরী, ফার্মেসি এবং চায়ের দোকানসহ মোট ৩০টি ছোট-বড় দোকান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। আগুনের তীব্রতা দেখে পার্শ্ববর্তী মঠবাড়িয়া ও বামনা উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকেও দ্রুত খবর দেয়া হয়। এরপর আমরা তিনটি ইউনিটের সমন্বয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি।’

স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক সংযোগের ত্রুটির মধ্য দিয়ে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে ওই কর্মকর্তা দ্বারা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বাবাকে গলা কেটে হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ পি.এম


গোপালগঞ্জে বাবাকে গলা কেটে হত্যায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

গোপালগঞ্জে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে জন্মদাতা পিতাকে ধারালো বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে আদালত ঘাতক ছেলে আলীম কাজীকে (২৫) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, এছাড়াও অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে গোপালগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মাদ সামছুল হক জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আলীম গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চর মানিকদাহ গ্রামের কাজীর বাজার এলাকার মৃত ইসমাইল কাজীর ছেলে।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, সাজাপ্রাপ্ত আলীম দীর্ঘ দিন আগে থেকেই মাদকাসক্ত ছিলেন। ২০২৩ সালের ১২ মে সন্ধ্যায় তিনি মাদক সেবন করে বাড়িতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং ভাঙচুর শুরু করেন। তার বাবা ইসমাইল তাতে বাধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আলীম তার বাবাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান।

এর পরদিন ১৩ মে সকালে ইসমাইল কাজী বাড়ির পাশে আখের রস বিক্রির উদ্দেশ্যে আখ পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় আলীম একটি ধারালো বটি নিয়ে এসে আকস্মিকভাবে তার বাবার গলায় সজোরে কোপ দেন। এতে ইসমাইল কাজীর শ্বাসনালী কেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের বড় ছেলে সেলিম কাজী বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ তদন্ত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের শেষে আদালত আজ আসামি আলীম কাজীকে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%