ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা, কড়া হুঁশি/য়ারি উত্কোরিয়ার


যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার ঘোষণা, কড়া হুঁশি/য়ারি উত্কোরিয়ার

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উভয় দেশের এই ঘোষণা বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং সাউথ কোরিয়ার মধ্যে এই সামরিক পরিকল্পনাকে ঘিরে উত্তর কোরিয়ার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়া পিয়ংইয়ংয়ের মাধ্যমে ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির দেয়া প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে এই তথ্য। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আগামী সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দুই দেশের যৌথ বার্ষিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) অনুষ্ঠিত হবে। মহড়ার আগে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে এই ঘোষণাটি দেন। এটি পিয়ংইয়ংয়ের জন্য এ বছরের বার্ষিক মহড়ার ক্ষেত্রে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এই মহড়াটিকে গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশলের প্রয়োগের উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে। এসব পদক্ষেপ মূলত পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। শত্রুপক্ষ সৃষ্ট এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি কখনও সহ্য করবে না উত্তর কোরিয়া।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

অতিরিক্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ভূত নতুন হুমকির মুখে দেশ রক্ষায় পিয়ংইয়ং নতুন স্তরের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ পরাশক্তিকে অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তি দ্বারা প্রতিহত করার কৌশল গড়ে তুলেছে।

সাধারণত, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হয়। যৌথ মহড়ার এই ঘোষণার পরপরই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের লক্ষ্যে বুধবার (১২ আগস্ট) এবং বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপান সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৩৮ পি.এম


ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ গণপরিবহন ব্যবস্থাকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচল ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম সম্প্রতি নগর ভবনে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে নির্দিষ্ট এলাকার রিকশা ওই এলাকার মধ্যেই চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

এক এলাকার রিকশা অন্য এলাকায় গিয়ে যাতে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য প্রয়োজন অনুযায়ী দিন ও সড়কভিত্তিক চলাচলের বিধিনিষেধ আরোপ করা হবে।

তিনি বলেন, রিকশার সমস্যাটা কোত্থেকে আসলো, কীভাবে আসলো- সেটা বের করে সমাধান করতে হবে। এই সমস্যাটাও আমাদেরই, আমাদেরই সমাধান করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকেই সমাধান করতে হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, ঢাকা শহরের রাস্তায় বর্তমানে এদিক-সেদিক, উল্টো দিকসহ বিভিন্নভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে। এসব রিকশা চালকদের অনেকেই ট্রাফিক আইন ও চলাচলের শৃঙ্খলা মানছে না। ফলে নগরীর বিভিন্ন সড়কে অযাচিত যানজট আরও বাড়ছে।

রিকশা ব্যবস্থাপনাকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনতে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় এসে ফুটপাত ও অন্যান্য উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান নিচ্ছে।

কেউ রিকশা চালাচ্ছে, আবার কেউ ভ্যান নিয়ে সবজি বা অন্যান্য পণ্য বিক্রি করছে। এভাবে অনিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষের ঢাকামুখী প্রবেশ নগরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, সারা বাংলাদেশের মানুষকে কি আমরা ঢাকা শহরে জায়গা দিতে পারব? এটাও তো নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ কারণে রিকশা ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন ব্যবস্থাকে নিবন্ধনের আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন আব্দুস সালাম।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, গত ৫ আগস্টের পর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা ঢাকায় প্রবেশের প্রবণতা বেড়েছে। এসব রিকশাকে একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মধ্যে আনা হবে। এজন্য ঢাকা শহরকে কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করে অঞ্চলভিত্তিক রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, ডেমরার একটা রিকশা কোনোভাবেই নিউ মার্কেটে যেতে পারবে না। অঞ্চলভিত্তিক আমরা ভাগ করে দেব। ভাগ করে দিয়ে তাদেরকে হয়তো দিনও ভাগ করে দেব। কিছু কিছু রাস্তা ভাগ করে দেব, কিছু কিছু রাস্তায় যাতে তারা একেবারেই চলাচল করতে না পারে-সেই জায়গটা ঠিক করে দেব।

তিনি আরও বলেন, লাইসেন্স ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে রিকশা চালাতে পারবে না। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকায় এসে চলাচল করা কিংবা ডেমরা থেকে নদী পার হয়ে রিকশা নিয়ে অন্য এলাকায় চলে আসার কোন সুযোগ থাকবে না। একইভাবে উত্তর সিটির রিকশাও নির্বিচারে এই এলাকায় চলাচল করতে পারবে না।

আব্দুস সালাম বলেন, আমরা অঞ্চলভিত্তিক ভাগ করে দেব। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আমরা এই বিষয়টিকে একটি পদ্ধতির মধ্যে আনতে চাই। সেটার জন্য তো কিছুটা সময় লাগবে এবং এ বিষয়ে গণমাধ্যমসহ সকলের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধিবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া চলছে।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে আইন প্রণয়ন করে সিটি কর্পোরেশনের কাছে পাঠানোর পর তা বাস্তবায়ন করা হবে।

রিকশার পাশাপাশি বাস চলাচলেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান ডিএসসিসি প্রশাসক। তিনি বলেন, ঈদের আগে যত্রতত্র বাস থামানো এবং যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাস থামানো ও যাত্রী ওঠানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, যত্রতত্র যাতে বাস থামাতে না পারে, যত্রতত্র যেখান সেখান থেকে যাতে যাত্রী উঠাতে না পারে-এটাও একটা সিস্টেমে আনতে হবে।

আব্দুস সালাম বলেন, পরিবহন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কিছু সময় দেওয়া হয়েছে এবং এখন পরিবহন ব্যবস্থাকেও একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার কাজ চলছে। আশা করি, কয়েক মাসের মধ্যে অনেকটা পদ্ধতির মধ্যে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ।

নগরীর যানজট ও অব্যবস্থাপনার জন্য শুধু প্রশাসন বা সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী না করে নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ারও আহ্বান জানান ডিএসসিসি প্রশাসক।

তিনি বলেন, ঢাকাকে বাসযোগ্য, সুন্দর ও শৃঙ্খলাপূর্ণ নগর হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতাও প্রয়োজন।

এদিকে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

মীর শাহে আলম বলেন, এ নীতিমালা সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রমের ফলে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের লক্ষ্যে প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে হ/ত্যা মাম/লায় একজনের মৃ/ত্যুদণ্ড ও অপ/রজনের যাব/জ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ পি.এম


চাঁদপুরে হ/ত্যা মাম/লায় একজনের মৃ/ত্যুদণ্ড ও অপ/রজনের যাব/জ্জীবন

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের নারায়নপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমর সরকারকে (৪৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যার অপরাধে জয় বিশ্বাস অনিককে (২১) মৃত্যুদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, অপর ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একই মামলায় অপর আসামি হৃদয় সূত্রধরকে (২১) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (দ্বিতীয়) কামাল হোসাইন এই রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানার সুভারিয়া সরকার বাড়ির অর্জুন বিশ্বাসের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হৃদয় সূত্রধর মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়নপুর সারপাড় এলাকার গোপাল সূত্রধরের ছেলে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যবসায়ী অমর সরকার মতলব দক্ষিণ উপজেলার সারপাড় এলাকার শ্রী রবি ভক্তের ছেলে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, বিগত ২০২২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ২টার মধ্যে অমর সরকার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মাধবী শিল্পালয় থেকে বাড়িতে আসার পথে উভয় আসামি যোগসাজশে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। ওই রাতেই ঘটনাটি আড়াল করার জন্য জয় বিশ্বাস অনিক নিজেই অমর সরকারকে কে বা কারা হত্যা করেছে এমন সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তার বাবার কাছে। তখন রবি ভক্ত ও তার বড় ছেলে জীবন কৃষ্ণ বাড়ি থেকে প্রায় ৮০ গজ দূরে দাস বাড়ির উঠানে তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

এই ঘটনায় পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি মতলব দক্ষিণ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করে অমর সরকারের বাবা রবি ভক্ত। মামলা হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত করে ঘটনায় জড়িত উল্লিখিত আসামি হৃদয়কে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং জয় বিশ্বাসকে ২৪ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতার করে চাঁদপুর আদালতে সোপর্দ করে।

মামলাটির তদন্ত করেন তৎকালীন মতলব দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাবিবুর রহমান। তিনি মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১০ মে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সালমা বেগম বলেন, মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য গ্রহণ, মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা ও আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করায় বিচারক এই রায় দেন। রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জয় বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি হৃদয় জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন। আসামি পক্ষে সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের নির্মাণাধীন টানেলে দুর্ঘটনায় মৃ/ত্যু ৭, আ/হত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫২ পি.এম


ভারতের নির্মাণাধীন টানেলে দুর্ঘটনায় মৃ/ত্যু ৭, আ/হত ১৩

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : ভারতের উত্তরাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি টানেলে ঘটে যাওয়া ভূমিধসের কারণে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে অন্তত সাত শ্রমিক নিহত হয়েছেন এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে, হিমালয় ঘেঁষা উত্তরাখণ্ড রাজ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেখানে সরকারি একটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য টানেল নির্মাণ কাজ চলছিল।

এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তত তিন শ্রমিক এখনো নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া টেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রকল্প এলাকা থেকে মোট ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মাথায় টর্চ লাগানো উদ্ধারকর্মীরা অস্থায়ী ভেলা ব্যবহার করে টানেলের পানিতে প্লাবিত অংশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

গত কয়েক দিনে উত্তরাখণ্ডে মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে।

ভারতে বড় নির্মাণ প্রকল্পে দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা। তবে পরিবেশবিদদের মতে, অতিরিক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ভঙ্গুর হিমালয় অঞ্চলে দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

গত মাসে, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রত্যন্ত সিকিম রাজ্যে আরেকটি সরকারি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে কাজ করার সময় ২০ জন নিহত হন।

২০২৩ সালে, উত্তরাখণ্ডে ধসে পড়া একটি টানেলের ভেতরে ১৭ দিন আটকে থাকার পর ৪১ শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুনে বার্ষিক মৌসুমি বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতজুড়ে বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন একত্রে দুর্যোগের ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সেগুলোর তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক

ভারতের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং নেতৃত্ব নির্বাচনের পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিশিষ্ট পরিবেশ এবং সামাজিক অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, দেশের সঠিক পথে পরিচালিত হতে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্ব দরবারে সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার অত্যন্ত জরুরি।

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় লাদাখের এই অধিকারকর্মী উল্লেখ করেন, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভুল পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা। যদি নেতৃত্ব সঠিক না হয়, তাহলে পুরো দেশই ভুল পথে পরিচালিত হতে পারে। সাধারণ নাগরিকদের প্রতি ‘নিঃস্বার্থ, নির্ভীক, চরিত্রবান ও যোগ্য’ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি, যারা দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এছাড়া তিনি চাইছেন, সাধারণ মানুষ যেন দেশের নিজ নিজ এলাকার সৎ ও মেধাবী মানুষের নাম প্রস্তাব করে স্বাধীনতা দিবসের উপহার হিসেবে তা পাঠান।

ভিডিও বার্তায় ওয়াংচুক ভারতের অগ্রগতির সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনা করে বলেন, ৫০ বছর আগে যে দেশগুলো ভারতের চেয়ে পিছিয়ে ছিল বা সমপর্যায়ে ছিল, তারা বর্তমানে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে ২০৪৭ সালে ভারত উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে না বলেই তিনি মনে করেন।

আইনপ্রণেতাদের যোগ্যতা ও চরিত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়াংচুক বলেছেন, বর্তমান পার্লামেন্টের প্রায় অর্ধেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ এবং অপহরণের মতো গুরুতর অভিযোগ আছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দেশ সঠিকভাবে এগোতে পারে না।

তিনি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে এককভাবে দায়ী না করে মন্তব্য করেন, ক্ষমতায় আসা প্রত্যেকটি দলই কম-বেশি একইভাবে দুর্নীতি চালিয়েছে এবং প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করেছে। ২০১২-১৩ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর সরকার পরিবর্তন হলেও এক দশকের মধ্যে দুর্নীতি আরও তিন গুণ বেড়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা দেশের উন্নয়নকে পিছিয়ে দিচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য ভারতের শীর্ষ চিন্তাশীল, মেধাবী এবং সৎ মানুষদের নিয়ে এক বৃহৎ আলোচনার পরিকল্পনা করছেন ওয়াংচুক। দেশের বিভিন্ন শহর ঘুরে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি একটি নতুন রূপরেখা তৈরির উদ্দেশ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান এই আন্দোলনকারী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%