প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উভয় দেশের এই ঘোষণা বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং সাউথ কোরিয়ার মধ্যে এই সামরিক পরিকল্পনাকে ঘিরে উত্তর কোরিয়ার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়া পিয়ংইয়ংয়ের মাধ্যমে ‘নতুন স্তরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার জন্য কড়া হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সির দেয়া প্রতিবেদনে উল্লিখিত হয়েছে এই তথ্য। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, আগামী সোমবার (১৭ আগস্ট) থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত দুই দেশের যৌথ বার্ষিক মহড়া ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ (ইউএফএস) অনুষ্ঠিত হবে। মহড়ার আগে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে এই ঘোষণাটি দেন। এটি পিয়ংইয়ংয়ের জন্য এ বছরের বার্ষিক মহড়ার ক্ষেত্রে প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া।
উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র এই মহড়াটিকে গত পাঁচ বছরের তুলনায় ভিন্ন এবং আধুনিক যুদ্ধকৌশলের প্রয়োগের উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরছে। এসব পদক্ষেপ মূলত পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। শত্রুপক্ষ সৃষ্ট এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি কখনও সহ্য করবে না উত্তর কোরিয়া।
অতিরিক্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ভূত নতুন হুমকির মুখে দেশ রক্ষায় পিয়ংইয়ং নতুন স্তরের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাধ্য হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ পরাশক্তিকে অপ্রতিরোধ্য সামরিক শক্তি দ্বারা প্রতিহত করার কৌশল গড়ে তুলেছে।
সাধারণত, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ মহড়াকে উত্তর কোরিয়া আক্রমণের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হয়। যৌথ মহড়ার এই ঘোষণার পরপরই সামরিক শক্তি প্রদর্শনের লক্ষ্যে বুধবার (১২ আগস্ট) এবং বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাপান সাগরের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন