০৮:২৩ পি.এম
নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্সের অবহেলার কারণে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ওপর হামলার শিকার হয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্বজন ও জনতা। এ সময় হাসপাতালের গ্লাস ভাঙচুর করে তারা। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, মৃত সন্তান রুমা খাতুন জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু শিশুর পরিবারের দাবি হলো, জীবিত শিশুর জন্ম হয়েছে।
নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার পর নাটোর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে হামলার শিকার হন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। তাঁকে উদ্ধারের সময় হাসপাতালের গ্লাস ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধ জনতা।
এদিকে সদর উপজেলার আগদিঘা গ্রামের রিকশাচালক বাবু হোসেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রুমা খাতুনকে নিয়ে শনিবার শহরের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আসেন, কিন্তু দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের বাড়িতে ফিরিয়ে দেন। রবিবার প্রসূতির পুনরায় ব্যথা শুরু হলে সকালে তাঁকে আবার কল্যাণ কেন্দ্রে আনতে হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় অবহেলার পর রুমা খাতুন ছেলে সন্তান জন্ম দেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
নবজাতকের জন্মের পর শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের চিকিৎসকরা শিশুটিকে সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু অক্সিজেন ছাড়াই শিশুটিকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সে মারা যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে পরিবার।
নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন বলেন, অক্সিজেন ছাড়া তার সন্তানকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নবজাতকের মা রুমা খাতুন জানায়, সকাল ৯টার দিকে তারা হাসপাতালে এলেও ডাক্তাররা হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। পরে ১০টার দিকে তাঁকে অস্ত্রোপচারে নরমাল ডেলিভারি করানো হয়, তখন তার সন্তান জীবিত ছিল।
নাটোর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহাবুজ্জামান বলেন, নবজাতক পেটের মধ্য উল্টো অবস্থায় থাকায় মৃত অবস্থায় জন্ম নেয়।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনছুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নবজাতকের বাবা বাবু হোসেন নাটোর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন