ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেক সংস্কার ও উন্নয়ন বৈঠক


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ধানমণ্ডি ও গুলশান লেক সংস্কার ও উন্নয়ন বৈঠক

ধানমণ্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়ন এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন সংক্রান্ত এক বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন।

তিনি আরো জানান, বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমণ্ডি লেকের সংস্কার ও পুনর্নির্মাণ, নজরুল সরোবর নির্মাণ এবং ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন সংক্রান্ত প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এছাড়া, গুলশান ও বারিধারা লেকের সঙ্গে সংযুক্ত সব অবৈধ বর্জ্য নির্গমন লাইন আগামী ছয় মাসের মধ্যে পুরোপুরি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শাহাদাৎ বলেন, বৈঠকে রাজউকের নেতৃত্বে গুলশান লেককে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, সৌন্দর্যবর্ধন এবং পরিবেশগত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার লেকগুলো পুনরুদ্ধার ও পরিচ্ছন্ন রাখা এবং বাসাবাড়ি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকটি উপস্থাপনা পর্যালোচনা করেন। একই সাথে, তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন এবং রাজধানীর পরিবেশ ও জলাধার সংরক্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিরিয়ায় প্রথম সংসদ অধিবেশনে ইতিহাসে ‘নতুন অধ্যায়ের’ আহ্বান প্রেসিডেন্ট শারার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


সিরিয়ায় প্রথম সংসদ অধিবেশনে ইতিহাসে ‘নতুন অধ্যায়ের’ আহ্বান প্রেসিডেন্ট শারার

নবনির্বাচিত সংসদের প্রথম অধিবেশন চলাকালে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা ‘দেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের’ আহ্বান জানিয়েছেন।

সিরিয়ান আরব নিউজ এজেন্সি (সানা) কর্তৃক উদ্ধৃত তথ্য অনুযায়ী, রোববার গণপরিষদে দেয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ‘আজ সিরিয়া তার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করছে, যা তার সভ্যতা, মূল্যবোধ এবং ঐতিহ্যকে প্রতিফলিত করে।’

‘আসুন, আমরা একসাথে একটি আধুনিক সিরিয়ার ইতিহাস গড়ে তুলি,’ শারা আরও বলেন।

সংলাপ, আইনের শাসন এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধাবোধকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি সংসদকে ‘দায়িত্ব ও যোগ্যতার একটি মডেল’ হিসেবে গড়ে তুলতে আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

১ জুলাই সিরিয়া ৭০ জন আইনপ্রণেতার নাম ঘোষণা করে, যাদের প্রেসিডেন্ট আল শারা সংসদে নিযুক্ত করেছেন।

বুধবার দেশটির সংসদীয় নির্বাচন কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, ২১০ সদস্যের গণপরিষদ গঠিত হয়েছে, যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য গত বছর আঞ্চলিক নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে নির্বাচিত হন। এর আগে রাষ্ট্রপতির একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে পরিষদের চূড়ান্ত গঠন ঘোষণা করা হয়েছিল, যেখানে মনোনীত এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

২০২৪ সালের অক্টোবরে বাশার আল-আসাদ শাসনের পতনের পর এটিই প্রথম সংসদীয় বৈঠক।

রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিযুক্ত ৭০ জন সদস্যের মধ্যে ১৫ জন নারী।

এছাড়া, পিপলস অ্যাসেম্বলির মহাসচিব মোহাম্মদ হামজা শমাউত বলেছেন, এই নিযুক্ত ব্লকে ২৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং ৪৭ জন পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১২ জন মাস্টার্স ডিগ্রি-ধারী এবং ১৭ জন ডক্টরেট ডিগ্রি-ধারী।

২০২৪ সালে আসাদ শাসনের পতনের পর রাজনৈতিক পালাবদলের পর সিরিয়া তার প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে, যা চার বছর মেয়াদী একটি অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অনুষ্ঠিত হয় এবং এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।

সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচ্ছেদের আঘাতে মৃত্যুঝুঁকি, গবেষণায় নারীর চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পুরুষ: মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


বিচ্ছেদের আঘাতে মৃত্যুঝুঁকি, গবেষণায় নারীর চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পুরুষ: মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

চারপাশে তাকালে সহজেই বিভিন্ন সম্পর্কের বিচ্ছেদ দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। এমনকি অনেক সময় আমরা সেসব বিচ্ছেদের সাক্ষীও হয়ে থাকি। এটি প্রেমের সম্পর্ক হোক কিংবা বৈবাহিক সম্পর্ক। বিচ্ছেদ, প্রতারণার শিকার হওয়া অথবা প্রিয়জনকে হারানোর ব্যথা কেবল একজন মানুষকে মানসিক কষ্ট দেয় না, বরং শারীরিক কষ্টও সৃষ্টি করে। গত দুই দশকে প্রকাশিত গবেষণাগুলো বলে দেয় যে, তীব্র আবেগীয় আঘাত মানুষের হরমোন, রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা, মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের ওপর ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলতে পারে।

চীনের নিংশিয়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিবিএস গ্র্যাজুয়েট এবং মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক ডা. প্রিন্স ঘোষ চ্যানেল 24 অনলাইনকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উটাহর মনোবিজ্ঞানী ড. লিসা এম. ডায়মন্ড, এঞ্জেলা এম. হিক্স এবং কিমবার্লি ডি. ওত্তার-হেন্ডারসন ২০০৮ সালে ৪২টি দম্পতির ওপর ২১ দিন একটি গবেষণা করেছেন, যা পরবর্তীতে জার্নাল অব পার্সোনালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল সাইকোলজিতে প্রকাশিত হয়েছে।

এ মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ নতুন তথ্য জানান যে, গবেষণায় দেখা গেছে, কয়েক দিনের বিচ্ছেদের ফলে শরীরে কার্টিসল, অর্থাৎ স্ট্রেস হরমোন বৃদ্ধি পায়। এর ফলস্বরূপ ঘুমের সমস্যা, উদ্বেগ, ক্লান্তি এবং আরও নানা উপসর্গ দেখা দেয়। গবেষকদের মতে, ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে মানুষের মস্তিষ্ক একটি নিরাপত্তার উৎস হিসেবে দেখে, কিন্তু যদি হঠাৎ করে সেই সম্পর্কটি হারিয়ে যায় তবে শরীরে হাইপোথ্যালামিক-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল এক্সিস সক্রিয় হয়ে স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া বেড়ে যায়।

ডা. প্রিন্স ঘোষ জানান, আমরা প্রায়ই আমাদের আশপাশের কারও বিচ্ছেদ হলে তাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করি এবং এই কষ্টকে তুচ্ছ দেখতে বলি। কিন্তু আসলেই এই কষ্ট তুচ্ছ নয়, তার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ গবেষণা থেকে পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের মনোবিজ্ঞানী ড. ইথান ক্রস প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেসে প্রকাশিত তার গবেষণাপত্রে দেখান যে, প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার স্মৃতি মনে হলে মস্তিষ্কের যে অংশ শারীরিক ব্যথার সময় সক্রিয় হয়, অর্থাৎ মস্তিষ্কের সামনের সিংগুলেট কর্টেক্সের উপরের অংশ এবং সামনের ইনসুলা অঞ্চল সেই অংশগুলো সক্রিয় হয়।

২০২৪ সালে সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত একটি বৃহৎ মেটা-অ্যানালাইসিসে ৯৪টি গবেষণাপত্র এবং প্রায় ১৩ দশমিক ৮ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন যে, সম্পর্ক বিচ্ছেদের পর কিছু মানুষের মধ্যে হৃদরোগ, শারীরিক অসুস্থতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বাড়তে পারে।

বিচ্ছেদের সবচেয়ে গুরুতর এবং বিরল শারীরিক জটিলতা হলো ‘টাকোৎসুবো সিনড্রোম’ বা ‘ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোম’। এই জটিলতার কারণে হৃদযন্ত্রের বাম নিলয় সাময়িকভাবে দুর্বল হয়ে যায়, যার ফলে বুকব্যথা এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু তাই নয়, ইসিজিতে এমন পরিবর্তন হয় যা হার্ট অ্যাটাকের সাথে মিলে যাচ্ছে, এ তথ্য জানান এই মানসিক স্বাস্থ্য গবেষক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মালিক খায়রুলের ৩৩ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মালিক খায়রুলের ৩৩ কোটি টাকার সম্পত্তি ক্রোক

বিদেশে উচ্চশিক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মালিক মো. খায়রুল বাশারের প্রায় ৩৩ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ আদালত প্রদান করেছেন।

রোববার (১২ জুলাই) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। সিআইডির আবেদন অনুযায়ী সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ দিয়েছে।

একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি উল্লেখ করেন যে, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মালিক মো. খায়রুল বাশার বাহার এবং তার সহযোগী ব্যক্তিরা পারস্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের আমেরিকা, কানাডা ও বিশ্বের নানান দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বল্প খরচে এবং দ্রুত উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

অভিযোগের তদন্তকালে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার তদন্তের সময় প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ শনাক্ত করা হয়েছে। গত বছরের ১৪ জুলাই ধানমন্ডির থানা এলাকা থেকে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট তাকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করে।

তদন্তের ফলাফলে জানা যায় যে, খায়রুল বাশার ওই প্রতারণার অর্থ দিয়ে রাজধানী ভাটারা এলাকায় বড় স্ত্রীর নামে একটি ফ্ল্যাট, দ্বিতীয় স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ডোনার নামে শেলটেক বিথিকা প্রকল্পে একটি ফ্ল্যাট, নিজের নামে রাজাবাজার এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট এবং আজিজ সড়কে জি+৭ তলা ও জি+৬ তলা দুইটি বাড়ি কিনেছেন। পাশাপাশি তার নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের নামে মোট ৩ হাজার ৪৮২ দশমিক ৫ শতাংশ জমিও রয়েছে। এসব সম্পদের দলিলমূল্য প্রায় ৩৩ কোটি টাকা।

জসীম উদ্দিন খান জানিয়েছেন, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের আবেদনের প্রেক্ষিতে সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত আসামির নামে থাকা এসব স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, খায়রুল বাশার নিজেকে শিক্ষাবিদ এবং ব্যবসায়ী পরিচয়ে পরিচিত করেন, কিন্তু তদন্তে বের হয়েছে যে, বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তিনি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সহযোগিতায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আদায় করেছেন। মামলার তদন্ত এখনও অব্যাহত রয়েছে। একইসাথে সিআইডি তার নামে দেশের ভিন্ন স্থানে থাকা অন্যান্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ ব্যাংক হিসাবে ৭৬০ কোটি রুপি, আতঙ্কে থানায় গৃহবধূ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


হঠাৎ ব্যাংক হিসাবে ৭৬০ কোটি রুপি, আতঙ্কে থানায় গৃহবধূ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দুটি জেলায় দুই গৃহবধূর ব্যাংক হিসাব থেকে অস্বাভাবিক অঙ্কের টাকা দেখানোর একটি ঘটনা ঘটেছে।

এক নারীর ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৭৬০ কোটি রুপি এবং আরেকজনের হিসাবে প্রায় ৭৪০ কোটি রুপি দেখা যায়।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রথম ঘটনাটি মুর্শিদাবাদ জেলার লালগোলা থানার কালিকাপুর গ্রামে ঘটেছে। সেখানে বাসিন্দা সেরিফা খাতুন সেন্ট্রাল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার একটি শাখায় অর্থ তুলতে গিয়ে তার হিসাবে ৭,৫৯৬,৯৫১,৯৫১ দশমিক ১৬ রুপি (প্রায় ৭৫৯ কোটি ৬৯ লাখ রুপি) দেখতে পান।

পরিবার সূত্রে জানা যায় যে, তামিলনাড়ুতে কর্মরত তার দেওর সেরিফা খাতুনের হিসাবে ৩ হাজার রুপি পাঠিয়েছিলেন। সেই টাকা তুলতে গিয়ে তিনি অস্বাভাবিক এই ব্যালেন্স দেখতে পান।

সেরিফা খাতুন জানান, তাদের পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল। পরিবারে সদস্যরা ভিনরাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন। হঠাৎ হিসাবে এত বিপুল অর্থ দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও লালগোলা থানায় জানান।

এ ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে পুলিশ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। তবে ব্যাংকের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

একই দিনে আলিপুরদুয়ার জেলার ফালাকাটা ব্লকের উত্তর ধুলাগাঁও গ্রামেও এমন একটি ঘটনা ঘটে। সেখানে সরকারি প্রকল্পের টাকা জমা হয়েছে কি না, তা জানতে ব্যাংকে গিয়ে হিসাবের বিবরণী নেন স্বপ্না বর্মন। সেখানে তার হিসাবে প্রায় ৭৪০ কোটি রুপি দেখানো হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সঙ্গে কথা বলে এবং পুনরায় হিসাব যাচাই করার পরামর্শ দেয়। পরে আবার ব্যালেন্স পরীক্ষা করলে দেখা যায়, তার হিসাবের অর্থ ৭৪০ কোটি রুপি নয়, আগের মতো মাত্র ২০২ রুপি।

স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যাংক সূত্রের প্রাথমিক ধারণা হলো, দুটি ঘটনাই প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা সার্ভার সমস্যার কারণে ভুল ব্যালেন্স প্রদর্শনের ফল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%