০২:২২ পি.এম
বৃষ্টি কমে যাওয়ার ফলে রাঙ্গামাটিতে বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হতে শুরু করেছে। যদিও জনভোগান্তি কমেনি।
রোববার সকালবেলা বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সাধারণ মানুষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বিশেষভাবে, জেলার বাঘাইছড়ি, বিলাইছড়ি, বরকল ও জুরাছড়ি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। এর ফলে ধীরে ধীরে মানুষ আশ্রয় কেন্দ্র ছেড়ে চলে যেতে শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
বাঘাইছড়ির এক বাসিন্দা জমির জানান, ‘চলমান বন্যায় আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুকুর তলিয়ে যাওয়ায় সব মাছ চলে গেছে। আমি দুই বছর ধরে এই মাছগুলোকে লালন-পালন করেছি। প্রতিটি মাছের ওজন ছিল ৩ থেকে ৪ কেজি। আমি আশা করেছিলাম কিছু দিনের মধ্যে মাছগুলো বিক্রয় করবো। কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে উঠবো জানি না।’
একই উপজেলার সাধন চাকমা বলেন, ‘আমার জমির প্রায় কয়েক লাখ টাকার সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে। সাথে ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নামার পর কীভাবে ধানের চাষ করবো জানি না। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
অন্যদিকে বানভাসি মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিজিবি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
বন্যাকবলিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৃষ্টি না হওয়ায় পানি কমতে থাকায় উপজেলা বন্যা পরিস্থিতি এখন উন্নতি হচ্ছে। যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে দুই এক দিনের মধ্যে সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যেতে পারবেন।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
তারা আরও বলেছেন, যতদিন এ অবস্থা থাকবে, ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন