বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:০৭ এম
ডিএমপি তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগের মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের কার্যক্রমের মাধ্যমে দুই জন ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আছেন- ১। মোঃ দুলাল হোসেন এবং ২। মোঃ শুভ।
মোহাম্মদপুর ট্রাফিক জোনের সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৮ জুলাই) দুপুরের প্রায় ০২.০০ ঘটিকায়, দুই জন ছিনতাইকারী জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ক্রসিংয়ের সামনে জনৈক পথচারী রাদিয়া ইসলাম এর কাছ থেকে একটি আইফোন ১৩ প্রোম্যাক্স মোবাইল ফোন ছিনতাই করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এসময়ে ভিকটিমের চিৎকার শুনে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে দৌড়ে গিয়ে একজন ছিনতাইকারীকে মোবাইলসহ আটক করে। অপরজন ছিনতাইকারীকে স্থানীয় জনতার সহায়তার মাধ্যমে আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনটি মোহাম্মদপুর থানার কর্তব্যরত এসআই এর মাধ্যমে প্রকৃত মালিকের নিকট ফেরত দেওয়া হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আইনগত ব্যবস্থার জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়িতে ৫ দিনের ভারী বর্ষণে চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পাহাড়ি ঢলে সদর, পানছড়ি, মহালছড়ি ও দীঘিনালার নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দী অন্তত ৪০ হাজার পরিবার। জলাবদ্ধতার কারণে সড়কে পানি উঠেছে, ফলশ্রুতিতে দীঘিনালার সঙ্গে সাজেক ও লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সাজেকে ঘুরতে যাওয়া ৪ শতাধিক পর্যটক নিরাপদ অবস্থায় আছেন।
এ দিকে, রাঙ্গামাটি খাগড়াছড়ি সড়কের বিভিন্ন স্থানেও পানি উঠেছে, যা সরাসরি যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের মাটি ধসছে বিভিন্ন এলাকায়। বসবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত জানিয়েছেন, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে বসবাসকারিদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং চলছে। যদি তারা আশ্রয়কেন্দ্রে না আসেন বা নিরাপদ আশ্রয়ে না যান তাহলে প্রয়োজনে আইন প্রয়োগ করা হবে। এছাড়া, পানিবন্দি দুর্গত নাগরিকদের জন্য সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া, খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৭টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দ্গায়ে ৬৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৯৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৬ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ২২ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ২১ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৫২ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৫৪ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ৪১ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ২১ জন, উত্তরা বিভাগ ৪২ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
এসময় তাদের হেফাজত হতে উদ্ধার করা হয়েছে ১৩২ কেজি গাঁজা, ১৪ হাজার ৭৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ গ্রাম হেরোইন, একটি মোটরসাইকেল, একটি চাকু, দুইটি এন্টিকাটার, একটি অটোরিকশা, একটি সিএনজি, ১৩ টি মোবাইল ফোন, একটি জিপ গাড়ি, একটি চাবি, একটি ককটেল ও পেট্রোল ভরা সাতটি প্লাষ্টিকের বোতল।
রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর তুরাগ ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৩ জনকে গ্রেফতার করেছে তুরাগ থানা ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ।
তুরাগ থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৮ জুলাই) তুরাগ থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। ইকরামুল (৩০) ২। মো. রুবেল ৩। মো. সাইফুল ইসলাম (৩০) ৪। জয় কুমার রায় (৬২) ৫। মো. পারভেজ মন্ডল (২৬) ৬। মো. আলী হোসেন (২০) ৭। মো. মাইনুল হাসান (৩৫) ৮। মো. বদিউজ্জামান (৪৫) ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু দুইজন। এসময় তাদের হেফাজত হতে ১৩ পুড়িয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা যায়, বুধবার (০৮ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। সঞ্জয় (৩৬) ২। মো. ফয়সাল (৩১) ৩। রত্না ৪। মোঃ জুয়েল (৩৮) ৫। সাইফুল (২৫) ৬। মো. আল আমিন (২৯) ৭। মো. শাওন সিকদার (২৯) ৮। মো. মাহাবুব (৩৪) ৯। বিজয় (১৯) ও ১০। আরিফুর রহমান মাসুম (৪৩)।
যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে আরও জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আনুমানিক রাত ১:১০ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ ধলপুর বাদল সরদার গলিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৩ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- ১। মো. মুসলিম (৪৮) ২। মো. ইউসুফ (৩৫) ৩। মামুন (৪৫) ৪। মো. নজরুল (৪৯) ৫। মোনারুল (৪২) ৬। মো. উমর ফারুক (৩০) ৭। মো. নূর নবী (৪২) ৮। মো. শুক্কুর আলী (৪৫) ৯। মোঃ শাকিল (৩৩) ১০। মো. হাদম মোল্লা (৩৭) ১১। মনসুর আলী (৩৮) ১২। মো. শাকিল (২০) ও ১৩। মো. মুক্তাকিম (২৫)।
এসময় তাদের হেফাজত হতে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত তাস এবং নগদ ২২৫০ টাকা উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত, পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি ও বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত অপরাধী।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের চেকপোস্টের সামনে একটি জাপান প্রবাসী দম্পতির গাড়ি থামিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ৩০ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা এবং মুঠোফোন লুট করেছে। এই ঘটনার কারণে প্রবাসী দম্পতির জাপান যাত্রা বর্তমানে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা টোলপ্লাজার সংলগ্ন পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) দীপংকর ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, ভুক্তভোগী আরমান (৪০) ফেনী জেলার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে জাপানে ফেরার উদ্দেশ্যে একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসে ফেনী থেকে ঢাকা বিমানবন্দর যাচ্ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, রাত সাড়ে ৮টার সময় মেঘনা টোলপ্লাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছানোর পর ৫-৬ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রাদি, চাপাতি, ছুরি এবং লোহার রড নিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর গাড়িতে থাকা যাত্রীদের মারধর করে তাদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি আইফোন-১৬ প্রো ম্যাক্স সহ তিনটি মুঠোফোন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। লুট হওয়া স্বর্ণের বর্তমান বাজার মূল্য ভুক্তভোগীদের দাবি অনুযায়ী ৩০ লাখ টাকার বেশি হয়েছে।
ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী মোটরসাইকেল আরোহী জানায়, তিনি একই পথে যাওয়ার সময় কয়েকজনকে চাপাতি হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভয়ে তার গাড়ি থামিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর তিনি ওই মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে যেতে দেখেন।
এ বিষয়ে মেঘনা টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ বলেন, ‘ঘটনাটি মহাসড়ক নয়, বরং পাশের একটি নিচু সড়কে ঘটেছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘আমরা ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করছি, তবে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থানা পুলিশের চেকপোস্টের সামনেই বলে শুনেছি।’
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) দীপংকর ঘোষ বলেন, ‘এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা হয়েছে। আমরা সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছি। আশা করছি, আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ