ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে আলোচিত ডিসি খায়রুল আলম সুমন বদলি, নতুন জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার


বরিশালে আলোচিত ডিসি খায়রুল আলম সুমন বদলি, নতুন জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার

বরিশালে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বরিশালের নতুন জেলা প্রশাসক এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মো. মামুন খন্দকারকে বদলি করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. মামুন খন্দকার (পরিচিতি নম্বর: ১৬৬৭৫), যিনি বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হিসেবে কর্মরত আছেন, তাঁকে বরিশালের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনটি রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে, আমার দেশ ও তালাশ বিডি-তে বরিশালের জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কথিত কোটি টাকার দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই জেলা প্রশাসক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে সরকারি প্রজ্ঞাপনে বদলির কারণ সম্পর্কে কোনো ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃদ্ধ বাবার বুকের ওপর হাঁটু দিয়ে চাপ দেওয়ার পর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


বৃদ্ধ বাবার বুকের ওপর হাঁটু দিয়ে চাপ দেওয়ার পর হত্যা চেষ্টার অভিযোগ

ঢাকার ধামরাইয়ে জমি লিখে না দেওয়ার কারণে ৮০ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাবা মো. মগর ফকিরের বুকের ওপর হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে মারধর এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে মনির ফকিরের (৪৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাবা মগর ফকির তার ছেলে মনিরের বিরুদ্ধে ধামরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ মো. তারিকুল ইসলাম। এর আগে ২৮ জুন সকালে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের ফোর্ডনগর গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৃদ্ধ মগর ফকির এবং তার স্ত্রী সারা জীবন শ্রম দিয়ে ছেলে মনির ফকিরকে লালন-পালন করে বড় করেছেন। কিন্তু ১৫-১৬ বছর আগে মনির নিজের সুখের জন্য আলাদা সংসার শুরু করেন। তারপর থেকে তিনি বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কোনো ভরণ-পোষণ কিংবা দেখাশোনা বা চিকিৎসার খরচ বহন করতেন না। বরং বাবার সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য তিনি প্রতিনিয়ত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতে শুরু করেন।

ছেলের অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে মগর ফকির পূর্বে তাকে ৩০ শতাংশ জমি লিখে দিয়েছিলেন। কিন্তু এতেও ছেলে মনির ক্ষান্ত হননি। তিনি বাকি জমি ও বসতবাড়ি নিজের নামের জন্য বৃদ্ধ বাবা-মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালাতে থাকেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ মারধর করেন। যদিও স্থানীয়ভাবে একাধিকবার সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, তবুও ছেলে মনির কোনো সালিশ মানেননি এবং সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি বাবা-মায়ের দায়িত্ব নেবেন না।

সবশেষ, ২৮ জুন সকাল ১০টার দিকে, মগর ফকির এবং তার স্ত্রী যখন নিজ বসতবাড়িতে ছিলেন, সে সময় মনির পুনরায় জমি রেজিস্ট্রি করার জন্য চাপ দেন। বাবা যখন অস্বীকৃতি জানান, তখন মনির তাকে কিল-ঘুসি ও লাথি মেরে উঠানে ফেলে দেন। একপর্যায়ে, মনির বৃদ্ধ বাবার বুকের ওপর হাঁটু দিয়ে বসে পড়ে এবং দুই হাত দিয়ে গলা টিপে শ্বাসরোধ করতে চেষ্টা করেন।

এই ঘটনার সময় বৃদ্ধের ডাক চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা দ্রুত এসে তাকে উদ্ধার করেন। যাওয়ার সময় মনির হুমকি দেন যে, বৃদ্ধ দম্পতিরা স্বেচ্ছায় বাড়ি না ছাড়লে তাদের প্রাণনাশ করা হবে।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে বৃদ্ধের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, বৃদ্ধ শ্বাসকষ্টে ভুগছেন এবং খাটে আধশোয়া অবস্থায় আছেন। পাশেই মেঝেতে বসে আছেন বৃদ্ধের স্ত্রী।

কী কারণে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে জানতে চাইলে দুজনেই চুপ করে গেছেন এবং চোখ দিয়ে পানি পড়তে দেখা গেছে।

ছেলে-মেয়ে কতজন জানতে চাইলে ওই বৃদ্ধা নারী জানান, “আর আমার কোনো সন্তান নাই, থাকলে কি আর সকালের খাবার এই দুপুরে খুঁজতাম?”

অভিযোগ ও ছেলের বিষয়ে জানালে তিনি বলেন, “পুলিশ এসেছিলো, আমাদের বংশের মুরুব্বির দায়িত্ব নিয়েছে। পুলিশ বলেছে, আমাদের সাহায্য করবে।”

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছেলে মনির ফকির বলেন, “থানায় অভিযোগ হয়েছে, সে বিষয়ে জেনে আপনি কী করবেন? পুলিশ আসছে, কথা হয়েছে। পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝামেলা, ওটা আপনারা না জানাই ভালো।”

স্থানীয় একজন নারী জানান, জমি নিয়ে মাঝে মাঝে ওই ছেলে বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করে থাকে।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ তারিকুল ইসলাম বলেন, “ওনার দুই ছেলে প্রায়ই জমি-জমা নিয়ে ঝামেলা করে। আমি বাড়িতে গিয়েছিলাম, আইনি প্রক্রিয়া চলমান।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খাওয়ার পর বাগেরহাটে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ পি.এম


স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খাওয়ার পর বাগেরহাটে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অসুস্থদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৯৮ নং পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসা শেষে সন্ধ্যায় তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুন নূর বলেন, ‘এদিন ৫৫ জন শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খায়। এদের মধ্যে ১১ শিক্ষার্থী প্রচণ্ড পেট ব্যথা অনুভব করে। প্রথমে বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হলেও পরবর্তীতে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অস্বাস্থ্যকর ডিম খাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের এই শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।’

শরণখোলা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা অর্থিতা হাওলাদার বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছে। কী কারণে তারা অসুস্থ হয়েছে, সে ব্যাপারে শরণখোলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনির আহমেদকে বৃহস্পতিবার তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শরণখোলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মনির আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সুস্থ রয়েছে। অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে ডিমের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়টি নিশ্চিত হতে তদন্ত করা হবে। তদন্তে ডিম সরবরাহে কোনো ত্রুটি বা অস্বাস্থ্যকর ডিম সরবরাহ হয়ে থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

জানা গেছে, ‘ওসাকা পাবনা’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয় মুক্তি নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে শরণখোলায় স্কুল ফিডিংয়ের খাবার সরবরাহ করে থাকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জুলাই-আগস্ট স্বৈ-রাচার সরকারের পলায়নের মাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৭ পি.এম


সমাজকল্যাণমন্ত্রী জুলাই-আগস্ট স্বৈ-রাচার সরকারের পলায়নের মাস

ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বলেছেন যে, বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়তে আমাদের সমাজের কোনো মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না। একইসঙ্গে তিনি জুলাই ও আগস্ট মাসকে ‘স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পলায়নের মাস’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে, দিনাজপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘জুলাই এবং আগস্ট এই দুই মাস স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পলায়নের মাস। এই মাসে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্মরণ করি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের মনে রাখতে হবে, ১৭ বছরের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন এবং পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, তাদের কথা। সাধারণ জনগণ তাদের পছন্দমতো বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। বিএনপির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।’

মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার ওপর জোর দিয়ে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাড়ির আশপাশে যারা না খেয়ে আছেন, তারা আর্থিকভাবে দুর্বল কিংবা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, তাদের সবার জীবনমান উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে আমাদের কাজ করতে হবে। ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক পরিচয় নয়, প্রত্যেক মানুষকে উন্নয়নের মূলধারায় নিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য।’

তিনি উল্লেখ করেন, বৈষম্যহীন এবং সুশাসনভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে প্রতিটি নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে রাষ্ট্র প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং জেদান আল মুসা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে ৩৬ দিনের কর্মসূচি পালন শুরু করল খেলাফত মজলিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ পি.এম


জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে ৩৬ দিনের কর্মসূচি পালন শুরু করল খেলাফত মজলিস

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ৩৬ দিনের কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে খেলাফত মজলিস।

বুধবার (১ জুলাই) বাদ আসর বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ ৭ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ শাখার কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মো. আব্দুল জলিল, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হাজী নুর হোসেন, আলহাজ্ব আমির আলী হাওলাদার, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, মহানগরী দক্ষিণ সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেন প্রমুখ।

এছাড়া বাদ ফজর, ঢাকা মহানগরী উত্তর শাখার উদ্যোগে, উত্তরায় শহীদ জাবের ইব্রাহীম, বিকাল ৪টায় শহীদ মীর মুগ্ধের কবর জেয়ারত ও শহীদদের মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমি, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মহানগরী উত্তর সভাপতি মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক প্রিন্সিপাল মাওলানা আজিজুল হক প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের স্বাক্ষরিত এক সার্কুলারের মাধ্যমে শাখা সমূহে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া, আহতদের খোঁজখবর নেওয়া ও সম্ভাব্য সহযোগিতা প্রদান, ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার দোসরদের বিচারের ত্বরান্বিত করা এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে মতবিনিময়, গণ-সংযোগ, গণ-জমায়েত ও মিছিল, দেয়ালিকা প্রকাশ ও আন্দোলনের ভিডিও প্রদর্শণী, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও রক্তদান কর্মসূচি ইত্যাদি।

# গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে।

# পতিত ফ্যাসিবাদী সরকার ও দোসরদের গণহত্যা, গুম, খুন ও দুর্নীতির দ্রুত বিচার করতে হবে।

# অবিলম্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

# জুলাই অভ্যুত্থানে আহতদের উন্নত চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

# জুলাই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

# ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা ও পুশইনের নামে বাংলাদেশ সীমান্তে বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে হবে।

# ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সংস্কৃতিক আগ্রাসন রুখে দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%