শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর ২৮তম সংস্করণ আগামী ৩ অক্টোবর মাঠে গড়াবে। নতুন মৌসুমে আটটি বিভাগীয় দলের স্কোয়াড চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলা এবং বর্তমানে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা একাধিক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এই দলগুলো।
মোহাম্মদ মিঠুন খুলনা বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার দলে রয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। মিঠুন, বিজয় ও সোহানের পাশাপাশি দলে আছেন ইমরানুরজ্জামান, আজিজুল হাকিম তামিম এবং নাহিদুল ইসলামদের মতো পরিচিত মুখ।
ঢাকার অধিনায়ক হিসেবে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দায়িত্ব পালন করবেন। তার দলে জাতীয় দলের হয়ে খেলা নাঈম শেখ ও জিসান আলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উইকেটের পেছনে অঙ্কনের সঙ্গে থাকবেন আশিকুর রহমান শিবলী।
চট্টগ্রাম বিভাগেও জাতীয় দলের পরিচিত মুখের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয় ও শামীম হোসেন পাটোয়ারী দলের সদস্য। উইকেটরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেন সিকদার। ইয়াসির আলী রাব্বির নেতৃত্ব দেওয়ার কথা থাকলেও জাতীয় দলের সঙ্গে থাকার কারণে কিছু ম্যাচে অংশ নিতে পারছেন না তিনি।
সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসান। তার দলে রয়েছেন অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ ও নাবিল সামাদ। রংপুরের নেতৃত্ব দেবেন আকবর আলী, যার দলে ব্যাটার হিসেবে রয়েছেন অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ ও নবিন ইসলাম।
ময়মনসিংহের অধিনায়ক রকিবুল হাসান। এই দলে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের পরিচিত ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মুনিম শাহরিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। রাজশাহীর অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রীতম কুমার। এই দলে অভিজ্ঞ সাব্বির রহমান রুম্মান ও সানজামুল ইসলাম রয়েছেন। বরিশালের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইফতেখার হোসেন ইফতি।
এবারের এনসিএলে আটটি বিভাগীয় দল একে অপরের বিপক্ষে সাতটি করে ম্যাচ খেলবে। চার দিনের এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাত রাউন্ডে। ৩ অক্টোবর শুরু হয়ে আসরের শেষ রাউন্ড ১৭ নভেম্বর শুরু হবে। উদ্বোধনী রাউন্ডে খুলনা বরিশালের বিপক্ষে, চট্টগ্রাম রাজশাহীর মুখোমুখি হবে, সিলেট ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং বর্তমান রংপুরের প্রতিপক্ষ ঢাকা।
বরিশাল বিভাগ
অধিনায়ক: ইফতেখার হোসেন ইফতি
স্কোয়াড: ইফতেখার হোসেন ইফতি, জাওয়াদ আবরার, মোঃ রাফসান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমন, অভি আহমেদ নোবেল, হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ শিফাত, মোঃ শামসুল ইসলাম অনিক, মোঃ তানভীর ইসলাম, মঈন খান , মইনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হাসান শাকিল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও রুয়েল মিয়া।
চট্টগ্রাম বিভাগ
অধিনায়ক: ইরফান শুক্কর
স্কোয়াড: ইরফান শুক্কুর, শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, সাদিকুর রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তাসামুল হক, সাব্বির হোসেন সিকদার,
হাসান মুরাদ, আশরাফুল হাসান রোহান, মোঃ রুবেল, আহমেদ শরীফ, ফাহাদ হোসেন, ইরফান হোসেন, এনামুল হক আশিক ও মোঃ শাহ পরান সোহেল।
ঢাকা বিভাগ
অধিনায়ক: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন
স্কোয়াড: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, জিসান আলম, মোঃ মার্শাল আইয়ুব ও নাঈম শেখ, আশিকুর রহমান শিবলী, আরিফ আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, মোঃ ইয়াসিন হোসেন , আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোঃ এনামুল হক, মোঃ সুমন খান, আনিসুল ইসলাম ইমন, সালাউদ্দিন শাকিল, রিপন মন্ডল ও তৌফিক আহমেদ।
খুলনা বিভাগ
অধিনায়ক: মোহাম্মদ মিঠুন
স্কোয়াড: মোহাম্মদ মিঠুন, এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আজিজুল হাকিম তামিম, কালাম সিদ্দিকী এলিন, সামিউন বাশির রাতুল, ইমরানুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, শেখ পারভেজ জীবন, টিপু সুলতান, রাকিব হাওলাদার, সফর আলী, আব্দুল হালিম ও মেহেদী হাসান রানা।
ময়মনসিংহ বিভাগ
অধিনায়ক: রকিবুল হাসান
স্কোয়াড: রকিবুল হাসান, আব্দুল মজিদ, মোঃ ফাহিম, রনি চৌধুরী, মোঃ আল আমিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুনিম শাহরিয়ার, খালিদ হাসান, মোঃ মাহফিজুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আরিফুল হাকিম রনি, আবু হায়দার রনি, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোঃ আল আমিন হোসেন ও রিজান হোসেন।
রাজশাহী বিভাগ
অধিনায়ক: প্রীতম কুমার
স্কোয়াড: প্রীতম কুমার, সাব্বির রহমান রুম্মান, মেহেরব হাসান অহিন, হাবিবুর রহমান সোহান, সাব্বির হোসেন, নাঈম আহমেদ, শাখীর হোসেন শুভ্র, সানজামুল ইসলাম, নিহাদুজ্জামান, ওয়াসি সিদ্দিক, রহিম, একরামুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম, আলী মোহাম্মদ ওয়ালিদ ও মোহর শেখ অন্তর।
রংপুর বিভাগ
অধিনায়ক: আকবর আলী
স্কোয়াড: আকবর আলী, অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ, নোবিন ইসলাম ,আলাউদ্দিন বাবু, মিম মোসাদ্দেক, আবু হাসিম, স্বাধীন ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাহমুদুল হাসান লিমন , হাসিবুল হোসেন সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেদী হাসান, চৌধুরী মোঃ রিজওয়ান ও শাহরিয়ার আল আমিন।
সিলেট বিভাগ
অধিনায়ক: জাকির হাসান
স্কোয়াড: জাকির হাসান, অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ, মুবিন আহমেদ দিশান, সৈকত আলী, মোঃ তানভীর হোসেন সজীব, আসাদুল্লাহ আল গালিব, শাহানুর রহমান, নাঈম আহমেদ, নাবিল সামাদ, নাঈম হোসেন সাকিব, তোফায়েল আহমেদ রায়হান, মহিউদ্দিন তারেক ও অনিক দেববর্মা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি স্বতন্ত্র ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ গঠন করা হতে যাচ্ছে, যা সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। এই ইউনিটটি অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শকের (অতিরিক্ত আইজিপি) নেতৃত্বে প্রাথমিকভাবে পুলিশের বিদ্যমান জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে কার্যক্রম শুরু করবে। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে।
পুলিশ-৩ শাখা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো একটি চিঠিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। চিঠিটি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তানভীর-আল-নাসীফ স্বাক্ষরিত। এতে বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোয় একটি বিশেষায়িত ও স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের বর্তমান জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে একজন অতিরিক্ত আইজিপির নেতৃত্বে সাইবার পুলিশ ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে ইউনিটটির পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক কাঠামো, নতুন পদের সংখ্যা, যানবাহন ও অন্যান্য লজিস্টিকস এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ জন্য প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি ও যানবাহন টিওঅ্যান্ডইভুক্তকরণসহ পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব তিন কার্যদিবসের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে সাইবার অপরাধের তদন্ত, ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এবং ডিজিটাল ফরেনসিক কার্যক্রম পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ইউনিট এবং পুলিশের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শাখা আলাদাভাবে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নতুন ইউনিটের মাধ্যমে এসব সক্ষমতাকে একটি স্থায়ী ও সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের একটি সূত্র জানায়, দেশে সাইবার অপরাধের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধের ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। সাইবার অপরাধীদের ধরা ও নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্যের প্রয়োজন রয়েছে। এজন্য বিভিন্ন ইউনিটে থাকা সাইবার বিশেষজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তারা সাইবার পুলিশ ইউনিটে যুক্ত হবেন।
বর্তমানে সিআইডির অধীনে সাইবার পুলিশ সেন্টার ও ফরেনসিক বিভাগ রয়েছে। পুলিশের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের আওতায় ডিজিটাল তদন্ত ও ফরেনসিক-সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। সিআইডির বর্তমান সাংগঠনিক তথ্য অনুযায়ী, ডিআইজি (সাইবার পুলিশ সেন্টার) পদও রয়েছে। সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের বর্তমান কাঠামো একেবারে শূন্য থেকে তৈরি হচ্ছে না, বরং আগে থেকে থাকা সক্ষমতাকে নতুনভাবে কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) কাঠামোর মধ্যেও সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত কর্মকর্তা রয়েছেন। ফলে নতুন ইউনিট গঠনের পর এসব ইউনিটের দায়িত্ব, এখতিয়ার ও জনবলের পুনর্বিন্যাস হবে।
২১ সেপ্টেম্বরের মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা নেই। ফলে নতুন ইউনিট চালু হওয়ার পর সিআইডি, ডিএমপি ও অন্যান্য ইউনিটের সঙ্গে এর সম্পর্ক কী হবে, কোন ধরনের মামলা নতুন ইউনিট তদন্ত করবে এবং কোন পর্যায়ে স্থানীয় থানা বা জেলা পুলিশের ভূমিকা থাকবে- এসব বিষয় পরবর্তী সাংগঠনিক প্রস্তাবে স্পষ্ট হওয়ার কথা রয়েছে বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তানভীর-আল-নাসীফ গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশের সাইবার ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে। বর্তমান জনবল ও অবকাঠামোর মধ্যেই প্রাথমিকভাবে ইউনিটটির কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। পুলিশের প্রস্তাবিত কাঠামোতে প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে তা দ্রুত মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কাজ চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি) আবারও একটি ভয়াবহ নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। পূর্বাঞ্চলীয় টাঙ্গানিকা হ্রদে শতাধিক যাত্রী ও মালামাল নিয়ে একটি নৌযান ডুবে অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৪৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। খবরটি প্রকাশ করেছে আল জাজিরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে কঙ্গোর ম্যাপেরা গ্রামের নিকটে টাঙ্গানিকা হ্রদে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, নৌকাটি তানজানিয়ার কিগোমা বন্দর থেকে যাত্রী ও মালামাল নিয়ে কঙ্গোর কালেমি শহরের দিকে যাচ্ছিল।
দুর্ঘটনার শিকার হয়ে বেঁচে যাওয়া যাত্রী আনি ময়োনি জানিয়েছেন, রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ তাদের ঘুম ভেঙে যায়। এ সময় যাত্রীরা লক্ষ্য করেন, নৌকাটি একদিকে প্রচণ্ডভাবে কাত হয়ে পড়েছে এবং মুহূর্তের মধ্যেই তা হ্রদের পানিতে তলিয়ে যায়।
নৌকাডুবির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। ডিআরসির তানগানিকা প্রদেশের পরিবহনমন্ত্রী নরিস মূলঙ্গোয়ী বার্তা সংস্থা এপিকে জানিয়েছেন, নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে হ্রদে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডিআরসিতে নৌযানগুলো প্রায়ই ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য বহন করে। অধিকাংশ নৌযানে লাইফ জ্যাকেটসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকার কারণে প্রায়ই মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক অবকাঠামোর দুর্বলতা কারণে ১০ কোটির বেশি জনসংখ্যার এই দেশে নৌপথই যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর আগে গত জুলাইয়ে কঙ্গোর মধ্যাঞ্চলে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি কাঠের নৌকা ডুবে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় দুই মাস পর গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফিরে এসেছিল। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার প্রভাবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ হ্রাস পায়। এর ফলে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে গ্রাহকদের কিছুটা ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। আজ সকালে আবার গ্যাস সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এলএনজি খালাস কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
এতে সকাল ১০টার দিকে এলএনজি সরবরাহ বেড়ে প্রায় ৭৩ কোটি ঘনফুটে পৌঁছায়। একই সময়ে দেশীয় উৎস থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। ফলে এলএনজি ও দেশীয় গ্যাসের সমন্বয়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট প্রায় ২৩৪ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজি নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা ‘প্যাসিফিক সাকসেস’ নামের একটি কার্গো কক্সবাজারের মহেশখালীতে পৌঁছায়। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে কার্গোটির এলএনজি খালাস করা সম্ভব হয়নি। ফলে সাময়িকভাবে এলএনজি সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে যায়। তখন একটি ভাসমান টার্মিনাল থেকেই জাতীয় সঞ্চালন লাইনে ঘণ্টায় প্রায় ৫৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ফিফা) পুরুষ ফুটসালের নতুন র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় শীর্ষস্থানটি ব্রাজিলের দখলে রয়েছে, আর চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে আর্জেন্টিনা।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ফিফা পুরুষ ফুটসাল দলের হালনাগাদকৃত র্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ১৬৮৪.৯৭ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে রয়েছে। শীর্ষ তালিকায় অন্যান্য দলের অবস্থানেও তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
পর্তুগাল ১৫৭৫.৩২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং স্পেন ১৫৭৪.৩৯ পয়েন্ট নিয়ে খুব অল্প ব্যবধানে তাদের পরেই তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে। এছাড়া, ১৫১৩.৩৮ পয়েন্ট নিয়ে আর্জেন্টিনা তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মরক্কো পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
তবে র্যাঙ্কিংয়ে জাম্বিয়া সবচেয়ে বড় চমক দেখিয়েছে। তারা ৪ ধাপ এগিয়ে সেরা উন্নতির দল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এছাড়া, সর্বাধিক ১৯.৪৯ পয়েন্ট অর্জন করে ভিয়েতনামও নজর কেড়েছে।
অন্যদিকে, মন্টেনিগ্রো সবচেয়ে বাজে সময় পার করছে। তারা র্যাঙ্কিংয়ে সর্বোচ্চ ১৩ ধাপ নিচে নেমে গেছে এবং তাদের পয়েন্ট কমেছে সর্বাধিক ২৬.৬৯।
ফিফা জানিয়েছে, র্যাঙ্কিংয়ের পরবর্তী হালনাগাদ আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ