ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উরুগুয়ের নতুন কোচ হলেন কিংবদন্তি ডিয়েগো ফোরলান


উরুগুয়ের নতুন কোচ হলেন কিংবদন্তি ডিয়েগো ফোরলান

বর্তমান বিশ্বকাপে উরুগুয়ের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর মার্সেলো বিয়েলসার পদ থেকে বিদায় নেওয়া হয়। দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার ডিয়েগো ফোরলানকে নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে উরুগুয়ে ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা। ৪৭ বছর বয়সী সাবেক স্ট্রাইকার ফোরলান আগামী ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত কোচের দায়িত্ব পালন করবেন। শুধু জাতীয় দল নয়, বরং উরুগুয়ের অনূর্ধ্ব-২০ দলেরও দায়িত্ব নেবেন তিনি। ফোরলানের কোচিং ক্যারিয়ারটির শুরু হয় ২০২০ সালে উরুগুয়ের শীর্ষ লিগের ক্লাব পেনারোলে। পরবর্তী বছর তিনি এতেনাসের জন্যও কাজ করেছেন। যদিও ফোরলানের কোচিং ক্যারিয়ার দীর্ঘ নয়, তবুও তার খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার যথেষ্ট সমৃদ্ধ। ২০০২ সালে উরুগুয়ের জাতীয় দলের জার্সিতে তার অভিষেক ঘটে। উরুগুয়ের হয়ে তিনি ১১২ ম্যাচে ৩৬টি গোল করেছেন। ২০১১ সালের কোপা আমেরিকা উরুগুয়ের হয়ে জিতেছেন তিনি। পাশাপাশি, ২০১০ বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বল’ জয়লাভ করেন এবং ওই আসরে তিনি যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৫ গোল করেন। দীর্ঘ পেশাদার ক্লাব ফুটবলে ফোরলান খেলেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের হয়ে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ পি.এম


১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে

সংসদ ভবনে ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ১২ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি উক্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব সংসদে উত্থাপন করেন।

এসময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে কণ্ঠভোটে উক্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এই বিশেষ কমিটিতে বর্তমানে ১২ জন সদস্য রয়েছেন। তবে বিরোধী দলের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটিকে ১৭ সদস্যে পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

কমিটিতে সরকারি দল বিএনপির সদস্যদের পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বিএনপি দলীয় সদস্যরা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (কক্সবাজার-১), চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২), আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান (ঝিনাইদহ-১), জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩), প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) এবং সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮-এর সদস্য শাকিলা ফারজানা।

অন্য সদস্যরা হলেন- গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান (ভোলা-১), গণঅধিকার পরিষদের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক (পটুয়াখালী-৩) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ (বরগুনা-১)।

বিলের ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিরোধী দলের ‘দুই শপথ’ প্রসঙ্গের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সংসদ বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত হয়েছে এবং সংসদের অধিবেশনও সেই সংবিধান অনুসারেই আহ্বান করা হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, 'যদি কেউ বলে তারা দুইবার শপথ নিয়েছেন, আমরা তেমন কোনো দ্বিতীয় শপথ নিইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তি নেই।'

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে, সরকার তাকে সম্মান করতে চায়। তবে সেই রায় কার্যকর করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ-সংক্রান্ত কোনো বিষয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন হলে তা সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটিতে আলোচনা করা যেতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রমত্তা-তেঁতুলিয়ার ক্রমাগত ভাঙনে পটুয়াখালী ‘মানচিত্র’ বদলে যাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪১ পি.এম


প্রমত্তা-তেঁতুলিয়ার ক্রমাগত ভাঙনে পটুয়াখালী ‘মানচিত্র’ বদলে যাচ্ছে

প্রমত্তা-তেঁতুলিয়া নদীর ক্রমাগত ভাঙনে মানচিত্র থেকে বিলীনের পথে দশমিনার সদর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম। জমিজমা ও ঘরবাড়ি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। তারা সহায়তা নয়, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায় যে, পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর অরক্ষিত বেড়িবাঁধ ভেঙে হাজিরকান্দা, হাজিরহাট, ধনধনিয়া, গোলখালী, ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতি বছর অমাবস্যা এবং পূর্ণিমাসহ বিভিন্ন সাইক্লোনের সময়ে ভাঙা বেড়িবাঁধ থেকে পানি ঢুকে লোকালয়ে প্রবেশ করে। এর ফলে পানিবন্দি অবস্থায় থাকতে হচ্ছে কয়েকশত পরিবারকে।

এ দিকে নদী ভাঙনে হাজিরহাট লঞ্চ ঘাটের একমাত্র মসজিদটি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। এর সঙ্গে একমাত্র পাকা সড়কটিও বিলীনের পথে।

ঘরবাড়ি, ফসলের ক্ষেত, গাছপালা সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এসব গ্রামের শত শত পরিবার। এর পাশাপাশি নদীগর্ভে চলে গেছে এখানকার হাজারো মানুষের সাজানো স্বপ্ন। ইতোমধ্যে অনেকের ঘর-বাড়ি চিরতরে মুছে গেছে। হারিয়ে গেছে নানা ধরনের স্মৃতি, যেগুলোর অধিকাংশও আজ পর্যন্ত মেরামত করা হয়নি।

নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ ঘর-বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন। তারা নিজেদের পূর্ব পুরুষের ভিটে ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।

আগ্রাসী নদী ভাঙনের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ। পূর্ব পুরুষের ভিটে এবং কবর হারানো মানুষগুলো অসহায় হয়ে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে আশ্রয়ের জন্য। তারা কাটাচ্ছেন মানবেতর জীবন। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ত্রাণ চান না বরং স্থায়ী বেড়িবাঁধের জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

নদী পাড়ের রাবেয়া বেগম বলেন, ‘আমি যখন এই এলাকায় নতুন বউ হয়ে এসেছি তখন দেখেছি এখানে সব কিছুই রয়েছে। বাজার ছিল, স্কুল ছিল, বড় বড় ঘর-বাড়ি ছিল। তেঁতুলিয়া নদী সব কিছু কেড়ে নিয়ে গেছে।’

সামসু মুন্সী বলেন, ‘এক এক করে আমাগো দুটা ঘর এই নদীতে লয়ে গেছে, এখন কিছুই নাই। পরের জায়গায় ঘর করে মোরা থাকি।’

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, বর্তমানে ভাঙন রোধে আমরা অস্থায়ীভাবে কাজ করবো। তবে শিগগিরই ভাঙন রোধে স্থায়ীভাবে সমাধানের কথা জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই শীর্ষ কর্মকর্তা।

প্রবাসী-কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘নদী ভাঙনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নদীকে সচল রেখে ভাঙন রোধের পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে কাজ করার পরিকল্পনা করছি।’

পটুয়াখালীতে মোট এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ২৫ কিলোমিটার এবং ৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ পুরো ক্ষতিগ্রস্ত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্মার্ট ফোনের আসক্তি কাটিয়ে সুস্থ থাকুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৪ পি.এম


স্মার্ট ফোনের আসক্তি কাটিয়ে সুস্থ থাকুন

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে ফোন হাতে নেওয়ার অভ্যাস—মেসেজ, নোটিফিকেশন, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করা। দিন শেষ হলে চোখে জ্বালা, মাথা ভার এবং অকারণ অস্থিরতা অনুভব হয়। আধুনিক জীবনের এই নীরব সমস্যা নিয়ে কথা বললে দেখা যায়, একে বলা হয় 'ডিজিটাল ক্লান্তি'।

বর্তমানে কাজ, বিনোদন এবং যোগাযোগের সব কিছুই স্ক্রিনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এর ফলে শরীর ও মনে এক নৈরাজ্য সৃষ্টি হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে আমরা ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, প্রযুক্তির প্রতি পুরোপুরি অবস্থান নেওয়া সম্ভব না হলেও, সচেতন কিছু অভ্যাস ডেভেলপ করলে এই ক্লান্তি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হয়ে ওঠে।

দিনের শুরুতে স্ক্রিন ছাড়া নিজেকে সময় দিন।

ঘুম থেকে ওঠার পর ফোন না নিয়ে কিছুটা সময় নিজেকে দিন। জানালার আলো, কিছুটা হালকা ব্যায়াম বা এক কাপ চা—এই সবকিছুই দিনে দারুণ শান্তভাবে শুরু করতে সহায়তা করে, এবং এতে আপনার মনও স্থির থাকে।

কাজের মাঝে মাঝে ছোট বিরতি নেওয়া জরুরি।

যখনই আপনি দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে চোখ রাখবেন, তখন চোখ ও মস্তিষ্কের ওপর চাপ পড়ে। তাই প্রতি ৩০-৪০ মিনিট পর কয়েক মিনিট বিরতি নিয়ে চোখ বিশ্রাম করা বা একটু হাঁটাহাঁিটি করার চেষ্টা করুন।

নোটিফিকেশনের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে হবে।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। এতে মনোযোগ বাড়বে এবং অকারণ মানসিক চাপ হ্রাস পাবে।

ঘুমানোর আগে স্ক্রিন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমানোর কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা উচিত নয়। নীল আলো ঘুমের মানকে নষ্ট করে। অ্যারার বই পাঠ করা বা হালকা সঙ্গীত শোনা ভালো বিকল্প হতে পারে।

বাস্তবের সম্পর্কগুলোকে গুরুত্ব দিন।

অনলাইনের পাশাপাশি আপনার পরিবার ও বন্ধুরদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানো আপনার মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

‘নো-ডিভাইস’ জোন তৈরি করা।

বিছানা বা ডাইনিং টেবিলের মতো কিছু স্থান নির্ধারণ করুন, যেখানে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করা হবে না। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার জীবনে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান তৈরি হবে।

প্রযুক্তি বর্তমানে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সচেতনভাবে ব্যবহার করে ডিজিটাল আসক্তি হ্রাস করে যেমন স্বাস্থ্যকর, তেমনই ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপন করা সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুলের যত্নে অ্যালোভেরা কেন উপকারী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


চুলের যত্নে অ্যালোভেরা কেন উপকারী?

চুল পড়া, খুশকি, রুক্ষতা কিংবা আগা ফাটা এই সব সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। প্রাকৃতিক গুণে সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা চুলের যত্নে বেশ কার্যকরী। ব্যস্ত জীবনে অনেকেরই পার্লারে যাওয়ার সুযোগ হয় না। তাই নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারের মাধ্যমে চুল পড়া কমানো, খুশকি দূর করা এবং চুলের রুক্ষতা কমাতে সহায়তা পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি-১২। এই ভিটামিনগুলি চুলের গোড়া শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এর ভিতরে বিদ্যমান এনজাইম মাথার ত্বকের মৃত কোষগুলো দূর করে নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে। ফলে চুলের গতি বৃদ্ধি পায়। চলুন দেখা যাক চুলের যত্নে অ্যালোভেরার উপকারিতা।

খুশকি কমাতে অ্যালোভেরা কার্যকর। যদি মাথার ত্বকে চুলকানি, খুশকি বা শুষ্কতার সমস্যা থাকে, তাহলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি মাথার ত্বক ঠান্ডা রাখে এবং প্রদাহ কমানোর জন্য সহায়ক।

চুলকে নরম এবং উজ্জ্বল করতে অ্যালোভেরা নিয়মিত ব্যবহারে সহায়তা করে। এটি চুলে প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রাখে, ফলে রুক্ষ চুল কোমল, মসৃণ ও ঝলমলে হয়ে ওঠে।

যেভাবে ব্যবহার করবেন: তাজা অ্যালোভেরা পাতার ভিতরের জেল বের করে সরাসরি মাথার ত্বক ও চুলে লাগানো যেতে পারে। ৩০ মিনিট রেখে পরে হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

অ্যালোভেরা হেয়ার মাস্ক: অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে নারকেল তেল, দই কিংবা মধু মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর ফলে চুল আরও পুষ্টি লাভ করবে।

সতর্কতা: যাদের মাথার ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল, তারা প্রথমে হাতে সামান্য লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিতে পারেন। যদি কোনো অ্যালার্জি দেখা দেয়, তবে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%