০৯:০৪ পি.এম
উত্তরের সীমান্তে অবস্থিত জেলা কুড়িগ্রাম। সীমান্তবর্তী ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় তিন দিক থেকে ভারতীয় সীমান্ত থাকার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই মাদক পাচার, চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন বাস্তবতায় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদক, চোরাচালান এবং অন্যান্য অপরাধ দমন করার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে একাধিকবার মাদক কারবারি ও চোরাচালান চক্রের সদস্য আটক হওয়ায় অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে তিনি প্রশংসা পাচ্ছেন।
স্থানীয়রা মন্তব্য করেছেন, দায়িত্ব পালনে তিনি অত্যন্ত পেশাদার, সাহসী এবং দক্ষ একজন পুলিশ কর্মকর্তা। যেকোনো অভিযানে তিনি পরিকল্পনার সাথে নেতৃত্ব দেন এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার পরিচয় দেন। সীমান্ত এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাঁর কার্যকর ভূমিকার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের আশিকুর রহমান বলেন, প্রতিদিন ভারত সীমান্ত থেকে মাদক আসছে। বিজিবি এবং পুলিশ বাহিনী যদি মনে করেন মাদক মুক্ত করবে তাহলে তারা নিশ্চয়ই পারবে। এএসপি স্যার আসার পর থেকে তিনি মাদক কারবারি ও বিভিন্ন চক্রকে ধরতে প্রায় প্রতিদিন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি প্রশংসার দাবিদার। আমরা দোয়া করি তিনি যেন সুস্থ থেকে আমাদের জন্য কাজ করে যেতে পারেন।
চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের আব্দুল জলিল মিয়া মন্তব্য করেন, পুলিশের পাশাপাশি আমাদের জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ অনেকাংশে কমে যাবে এবং সমাজে শান্তি ফিরে আসবে। এই বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুন জানান, এই উপজেলায় বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মাদক আসে, তিনি চান মাদকমুক্ত উপজেলা। এটা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়, এতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলে মাদক মুক্ত হবে। তিনি জানান, যতদিন তিনি আছেন এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন