প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মালয়েশিয়ায় ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করানো এবং পাচারের অভিযোগে একজন থাই নাগরিক এবং দুই নারীর সহিত মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) কেলান্তানের সেশন আদালতে বিচারক নিক হাবরি নিক মুহাম্মদের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পাঠ করে শোনানো হয়। তবে মামলাটি উচ্চ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ার কারণে আসামিদের কাছ থেকে কোনো স্বীকারোক্তি গ্রহণ করা হয়নি।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ জুন সকাল ৮টার দিকে কেলান্তান রাজ্যের মাচাং জেলার কামপুং সুঙ্গাই মাস এলাকার তামান দেসা মাসের একটি বাড়ি থেকে অবৈধভাবে আটক অবস্থায় ১০ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মানবপাচার এবং অভিবাসী পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগের আওতাভুক্ত ব্যক্তিরা হলেন থাই নাগরিক মুহাম্মাদ আমিরুল আইলেহ (৩০), মুহাম্মাদ আরিফ আবদ হালিম (২২), মোহামাদ হাজরান মোহা দাউদ (৩৪), মোহা শামসুরি ইউসুফ (৪৫), নোরাজালিনা মোহামাদ (৪০) এবং নুর আলিয়া নাতাশ্যা আব্দুল রহমান (২০)। এ ছাড়া একই মামলার আরেক অভিযুক্ত ওয়ান মোহা জুলফাদলি ওয়ান হাসান (৩৭) বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অ্যান্টি-ট্রাফিকিং ইন পারসনস অ্যান্ড অ্যান্টি-স্মাগলিং অব মাইগ্র্যাটস অ্যাক্ট ২০০৭ (অ্যাক্ট ৬৭০)-এর ২৬এ ধারা এবং দেশটির দণ্ডবিধির ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামিদের সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষে পরিচালনা করছেন ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর নুর কামিলাহ চে ইব্রাহিম। আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নাকচ করে আগামী ২৬ জুলাই পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন