ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মিশর উদ্বোধন করলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’


মিশর উদ্বোধন করলো বিশ্বের বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর ‘অক্টাগন’

মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলো বিশ্বের বৃহত্তম সামরিক ও কৌশলগত কমান্ড সদর দপ্তর ‘দি অক্টাগন’ (The Octagon)।

শনিবার ৪ জুলাই নতুন প্রশাসনিক রাজধানী (New Administrative Capital)-এ নির্মিত এই অত্যাধুনিক কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক আবদেল ফাত্তাহ-আল সিসি। মিশর সরকার এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক সামরিক কমান্ড এবং জাতীয় নিরাপত্তা সদর দপ্তর হিসেবে দাবি করছে।

দেশটির বিভিন্ন গনমাধ্যমে থেকে জানা যায়, রাজধানী কায়রো থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে নির্মিত এই সদর দপ্তরটি ‘স্টেট স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড সেন্টার’ প্রকল্পের অংশ। এর মাধ্যমে মিশরের সামরিক বাহিনীর কমান্ড, নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয় ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

প্রায় ৯২ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল কমপ্লেক্সটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সামরিক স্থাপনা। এর বিশাল পরিসর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের চেয়েও বড় বলে দাবি করা হচ্ছে।

‘অক্টাগন’ নামটি এসেছে ভবনটির অনন্য স্থাপত্য নকশা থেকে। পুরো কমপ্লেক্সটি একাধিক অষ্টভুজ (Octagon) আকৃতির ভবনের সমন্বয়ে নির্মিত হয়েছে। ২০১৬ সালে প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়, যা মিশরের সামরিক অবকাঠামো আধুনিকায়নের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ।

নতুন সদর দপ্তরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের পাশাপাশি রয়েছে অত্যাধুনিক তথ্য বিশ্লেষণ কেন্দ্র, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সংকট ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র, আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ইউনিট এবং বিভিন্ন প্রযুক্তিনির্ভর সামরিক পরিচালনা সুবিধা। এছাড়া কমপ্লেক্সের অভ্যন্তরে কর্মকর্তা ও কর্মীদের জন্য হোটেল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শপিং সেন্টার, হাসপাতাল এবং আবাসিক এলাকাসহ বিভিন্ন সেবামূলক অবকাঠামোও নির্মাণ করা হয়েছে, যা এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সামরিক প্রশাসনিক নগরীতে পরিণত করেছে।

মিশর সরকার বলছে, ‘অক্টাগন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে এবং ভবিষ্যতের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশটির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

মিশর সরকার ইতোমধ্যে নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে সব মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম স্থানান্তর সম্পন্ন করেছে। সেই প্রেক্ষাপটে স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড সদর দপ্তরের উদ্বোধনকে দেশটির ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র পরিচালনা, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক নেতৃত্বের সক্ষমতা জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমানের সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ পি.এম


বিমানের সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে

দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে সফরে আবারো চালু হলো বিমানের সিলেট-ম্যানচেস্টার সরাসরি ফ্লাইট।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার থেকে বিখ্যাত ফ্লাইট বিজি ২০৮ সরাসরি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এই ফ্লাইটের মাধ্যমে চার মাসের দীর্ঘ বন্ধ থাকার পর সরকারের পক্ষ থেকে যুক্তরাজ্যে বাসরত বাংলাদেশিদের, বিশেষ করে সিলেটি কমিউনিটির অন্যতম প্রধান দাবি পূরণ করা হলো।

ফ্লাইটটিতে আসা ২৭২ জন যাত্রীকে স্বাগত জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। সরাসরি ম্যানচেস্টার থেকে সিলেট এসে আগত যাত্রীরা যথেষ্ট খুশি ছিলেন।

বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেছেন, সিলেট ও যুক্তরাজ্যবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার এই রুটে ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি সিলেট-কক্সবাজার রুটে বন্ধ হওয়া ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনার কথা জানান।

বিমানমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ কাজ সম্পন্ন হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের হোদাইদাহ লড়াইয়ে নিহত ১৫ সেনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


ইয়েমেনের হোদাইদাহ লড়াইয়ে নিহত ১৫ সেনা

পশ্চিম ইয়েমেনের হোদাইদাহ প্রদেশে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৫ জন সরকারি সৈন্য নিহত হয়েছেন। এই তথ্য ইয়েমেনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

ইয়েমেনের আন্তর্জাতীকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থক ও মন্ত্রিসভার সদস্য ওয়ালিদ আল-কুদাইমি শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দেশের পশ্চিম উপকূল বরাবর সহিংসতার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জাবাল দাব্বাস এলাকায় লড়াইয়ের সময় তিহামা অঞ্চলের সৈন্যরা মারা যান।

এক্স-এ একটি পোস্টে আল-কুদাইমি বলেছেন, যুদ্ধ চলাকালীন সৈন্যরা তাদের ভূমি ও মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই লড়াইয়ে ৫০ জনেরও বেশি হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং আরো কয়েক ডজন আহত হন।

তবে, হুতিদের পক্ষ থেকে এই সংঘর্ষ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

এদিকে, জাবাল দাব্বাসে সরকারপন্থি বাহিনীর একজন কর্মকর্তা একটি সংবাদ সংস্থাকে নিশ্চিত করেছেন যে, প্রচণ্ড লড়াইয়ে আরও ২৩ জন সৈন্য আহত হয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা বর্ণনা করেছেন, শুক্রবার গভীর রাতে হামলা চালানোর পর হুতিরা কিছু সময়ের জন্য সরকারপন্থি অবস্থানগুলো দখল করে নিয়েছিল। প্রতিবাদে সরকার-সমর্থিত বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে শনিবার ভোর নাগাদ স্থানগুলো পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটিই ছিল হুতিদের সবচেয়ে মারাত্মক হামলা,’ গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেছেন।

হুতি যোদ্ধারা প্রথমে স্নাইপার ব্যবহার করে, এর ফলে বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর তারা অবস্থানগুলোতে ড্রোন ও মর্টার হামলা চালাতে শুরু করে, বলেন তিনি।

২০১৫ সাল থেকে হুতিরা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।

এই গোষ্ঠীটি রাজধানী সানা এবং দেশের পশ্চিম লোহিত সাগর উপকূলের বন্দর নগরী হোদাইদাহসহ উত্তর ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, অপরদিকে এডেন-ভিত্তিক সরকার দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়াগামী ফ্লাইটে না উঠে শাহজালালে ৬১ যাত্রী নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


মালয়েশিয়াগামী ফ্লাইটে না উঠে শাহজালালে ৬১ যাত্রী নিখোঁজ

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বোর্ডিং পাস সংগ্রহ করলেও বিমানে ওঠেননি ৬১ যাত্রী। বর্তমানে তাদের অবস্থান কোথায় তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

এই ঘটনাটি ঘটে শনিবার (৪ জুলাই) রাতে মালয়েশিয়াগামী বিজি–৩৮৬ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে। বিমানবন্দর সূত্র থেকে জানা যায়, ফ্লাইটটিতে মোট ২৮৮ যাত্রীর মালয়েশিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের দ্বারা ১০ জনের অফলোডিং হয়। এছাড়া জাল ভিসার কারণে আরো ৫ জনকে বোর্ডিং গেটে আটকে দেওয়া হয়। ঘটনার পর দেখা যায় আরও ৬১ যাত্রী বোর্ডিং পাস গ্রহণের পরেও বোর্ডিং গেটে পৌঁছাননি।

এ বিষয়ে বিমানের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানিয়েছেন, ওই ৬১ যাত্রী ছাড়া রাত সাড়ে ৮টার দিকে ২১২ জন যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকা ছেড়ে যায়।

এদিকে, ইমিগ্রেশন পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সেখানে কোনো চক্রের যোগসাজশে ওই ৭৬ যাত্রী মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। যাদের মধ্যে যারা ধরা পড়েছেন, তারা সবাই কাজের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। তবে সেই ৬১ যাত্রীর অবস্থান বর্তমান সময়ে কোথায় তা সম্পর্কে তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই।

তবে ইমিগ্রেশনের দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তা জানান, পাসপোর্টের সঙ্গে ভিসার তথ্যের অমিল থাকায় কিছু যাত্রীকে ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যরা পালিয়ে যান।

বিমানবন্দর থানার ওসি মো. কামরুল হাসান তালুকদার এ বিষয়ে জানিয়েছেন, বিমানের মালয়েশিয়াগামী ফ্লাইটের উধাও হওয়া যাত্রীদের বিষয়ে থানায় অভিযোগ এসে গেলে তদন্ত করে দেখা হবে।

বিমানবন্দরে সাধারণত যাত্রীর প্রথমে ব্যাগেজ চেক–ইন করতে হয়, তারপর বোর্ডিং পাস নিতে হয়। এরপর ইমিগ্রেশন শেষ করার পরে বোর্ডিং গেটে গিয়ে উড়োজাহাজে ওঠার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিলম্বিত দেনমোহরের আর্থিক সমন্বয়ের দাবিতে রিট দায়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


বিলম্বিত দেনমোহরের আর্থিক সমন্বয়ের দাবিতে রিট দায়ের

দীর্ঘ সময় পর বিবাহের ক্ষেত্রে দেনমোহর পরিশোধ সামনে রেখে টাকার অবমূল্যায়ন ও মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আখতার ‘জনস্বার্থে’ এই রিট আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

এই রিট আবেদনে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ১০ ধারার অধীনে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নের জন্য দাবি করা হয়েছে। এর মুক্ত উদ্দেশ্য হলো—বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার দীর্ঘ সময় পরে দেনমোহর আদায়ের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি ও টাকার অবমূল্যায়ন বিবেচনা করে একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি, নীতি ও মূল্যায়ন কাঠামো ঠিক করা।

আবেদনে সংবিধানের ৭, ২৭, ২৮ ও ৩১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের কথাও প্রতি স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (আইন ও বিচার বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ), মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে এই আবেদনে বিবাদী করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%