প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পশ্চিম ইয়েমেনের হোদাইদাহ প্রদেশে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে অন্তত ১৫ জন সরকারি সৈন্য নিহত হয়েছেন। এই তথ্য ইয়েমেনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
ইয়েমেনের আন্তর্জাতীকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থক ও মন্ত্রিসভার সদস্য ওয়ালিদ আল-কুদাইমি শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দেশের পশ্চিম উপকূল বরাবর সহিংসতার বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে জাবাল দাব্বাস এলাকায় লড়াইয়ের সময় তিহামা অঞ্চলের সৈন্যরা মারা যান।
এক্স-এ একটি পোস্টে আল-কুদাইমি বলেছেন, যুদ্ধ চলাকালীন সৈন্যরা তাদের ভূমি ও মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই লড়াইয়ে ৫০ জনেরও বেশি হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছে এবং আরো কয়েক ডজন আহত হন।
তবে, হুতিদের পক্ষ থেকে এই সংঘর্ষ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
এদিকে, জাবাল দাব্বাসে সরকারপন্থি বাহিনীর একজন কর্মকর্তা একটি সংবাদ সংস্থাকে নিশ্চিত করেছেন যে, প্রচণ্ড লড়াইয়ে আরও ২৩ জন সৈন্য আহত হয়েছেন।
ওই কর্মকর্তা বর্ণনা করেছেন, শুক্রবার গভীর রাতে হামলা চালানোর পর হুতিরা কিছু সময়ের জন্য সরকারপন্থি অবস্থানগুলো দখল করে নিয়েছিল। প্রতিবাদে সরকার-সমর্থিত বাহিনী পাল্টা হামলা চালিয়ে শনিবার ভোর নাগাদ স্থানগুলো পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটিই ছিল হুতিদের সবচেয়ে মারাত্মক হামলা,’ গণমাধ্যমের সাথে কথা বলার অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেছেন।
হুতি যোদ্ধারা প্রথমে স্নাইপার ব্যবহার করে, এর ফলে বেশিরভাগ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর তারা অবস্থানগুলোতে ড্রোন ও মর্টার হামলা চালাতে শুরু করে, বলেন তিনি।
২০১৫ সাল থেকে হুতিরা ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।
এই গোষ্ঠীটি রাজধানী সানা এবং দেশের পশ্চিম লোহিত সাগর উপকূলের বন্দর নগরী হোদাইদাহসহ উত্তর ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, অপরদিকে এডেন-ভিত্তিক সরকার দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশকে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন