বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:২৭ পি.এম
৩০ জুলাই, ২০২৬ : খাল পুনঃখনন প্রকল্পে সরকারী অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে চরফ্যাশন উপজেলা প্রশাসন। প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন হলেও, প্রাক্কলনের তুলনায় কম অর্থ ব্যয় হওয়ার কারণে অবশিষ্ট টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী ট্রেজারিতে জমা দেয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)’ এর আওতায় চরফ্যাশন উপজেলায় সুবল ডাক্তার বাড়ি থেকে সুন্দরী নামক ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছিল।
প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় সরকারি নির্দেশনা ও নির্ধারিত কারিগরি মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। তবে, খালের বিভিন্ন অংশের প্রস্থ ও খননের গভীরতা প্রাক্কলনের তুলনায় কম প্রয়োজন হওয়ায় বরাদ্দের পুরো অর্থ ব্যয় না করেই কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। এর থেকেই ১ কোটি ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৯ টাকা সাশ্রয় হয়; যা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।
চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজ বাসস’কে বলেন, ‘দীর্ঘদিনের অবহেলায় উক্ত খালটি ভরাট হয়ে কার্যত অকেজো হয়ে পড়েছিল। স্থানীয়দের জলাবদ্ধতা নিরসন, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে বর্তমান বিএনপি সরকারের উদ্যোগে খালটি পুনঃখনন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি অর্থের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহারের অংশ হিসেবে সাশ্রয় হওয়া প্রতিটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন সবসময় দায়িত্বশীলভাবে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের ফলে সরকারি অর্থের সাশ্রয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার এই পদক্ষেপটি একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে ওই উপজেলার সাধারণ মানুষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোমানা আফরোজের সততা ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধতার নজির স্থাপনে তাকে সাধুবাদ জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ছোট ফেনী নদীর অব্যাহত ভাঙনে স্থানীয় বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন, সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকায়। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে তাদের ফসলি জমি ও বসতবাড়ি। এই ভয়াবহ ভাঙনের হাত থেকে এলাকা রক্ষার জন্য মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন নদীভাঙন কবলিত এলাকাবাসী।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে চরদরবেশ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরদরবেশে ইতালি মার্কেটের দক্ষিণ পাশে, বায়তুন নুর জামে মসজিদের পশ্চিম ও দক্ষিণ অংশে, দুলা হাজী বাড়ির দরজা থেকে তালতলী পর্যন্ত নদী ভাঙন রোধে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। নদী ভাঙনের বিরুদ্ধে এই মানববন্ধনের আয়োজন করেছে ইতালি মার্কেট একতা যুব সংঘ এবং নদীভাঙন কবলিত এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে নদীতীরবর্তী শত শত নারী ও পুরুষ অংশ নেন। তারা দীর্ঘ সারিতে দাঁড়িয়ে নদীভাঙনে তাদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা ব্যানারগুলোতে ভাঙন প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষায় জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা জানান, মুছাপুর রেগুলেটরটি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে ছোট ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ইতোমধ্যে দাগনভুইয়া, সোনাগাজী ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র পালটে যাচ্ছে। শত শত বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বহু ঘরবাড়ি ইতোমধ্যে নদীতে চলে গেছে। অনেক পরিবার তাদের বসতভিটা হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে। ভাঙনের গতি অব্যাহত থাকলে চরদরবেশ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
তারা অবিলম্বে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধের এবং নদীর বাঁকা অংশ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে সোজা করে স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি করেছেন। অন্যথায়, পুরো চরদরবেশ ইউনিয়নের একটি বড় অংশ ভবিষ্যতে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বলেও সতর্ক করেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন চরদরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা বিএনপি নেতা সেলিম রেজা, চরদরবেশ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুর আলম রিয়াদ, সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কাশেম, স্থানীয় মাহবুবুল হক, সফি উল্লাহ, মো. ইয়াসিন এবং আব্দুর রহিমসহ নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা (ইল্ড) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে পতন ঘটেছে। একই সাথে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে রেখেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪৫ ডলার ৫৯ সেন্টে নেমে এসেছে। তবে, আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনা ফিউচারের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৩ ডলার ৭০ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১০ বছর মেয়াদি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি নোটের ইল্ড বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখার সুযোগের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনার আকর্ষণ কিছুটা কমেছে।
এএনজেডের বিশ্লেষক সোনি কুমারী বলেন, যদি বাজার মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা করে Futureতে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখে, তাহলে ট্রেজারি ইল্ড আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব সোনার দামের ওপর সরাসরি পড়েছে।
এর আগে, বুধবার (২৯ জুলাই) ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এতে ফেডের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা বর্তমানে ৬৭ শতাংশ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে। এর আগে, এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ।
বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার মূল্যসূচকের তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। এটি ফেডের মূল্যস্ফীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নতুন হামলার পর ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
টিডি সিকিউরিটিজের বিশ্লেষকদের মতে, গ্রীষ্মকালজুড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে সোনার দাম ধীরে ধীরে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯০০ ডলারের দিকে নেমে যেতে পারে।
অন্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৫৭ ডলার ৪৯ সেন্ট এবং প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৯৫ ডলার ৩৮ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে, প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৫ ডলার ৬৭ সেন্টে পৌঁছেছে।
সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে নতুন বেতন কাঠামোর অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরার সময় তিনি এ কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, পে-স্কেল সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন হলেই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এরপর অনুমোদন পাওয়ার পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বহু ধরনের সংবাদ প্রদর্শিত হওয়া সত্ত্বেও সরকার নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছ থেকে ঋণ পেতে কোনো সমস্যা হবে কি না— এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া ছিল যে, আইএমএফের ঋণের বিষয়টি পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
পে-স্কেল নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন খবর প্রকাশের প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমি চাই না দুই দিন পরপর বেতন কাঠামো নিয়ে কথা বলতে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম বিভিন্নভাবে সংবাদ প্রচার করছে, তারা করুক। আমি একবারেই এ বিষয়ে কথা বলবো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডেভিড ইমন নামেও পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রামে আনা হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার (২৯ জুলাই) বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় যশোরের ঝিকরগাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের সময় তাকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে যশোর এবং চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে একটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করার সময় তাকে ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখকে ফাঁকি দিতে ডেভিড ইমন তার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার সকালে বেলা ১১টার দিকে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং শেষ হওয়ার পর তাকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রিজন ভ্যানে উঠে যাওয়ার সময় নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতর থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, "আমার অনেক কিছু বলার আছে"। কিন্তু পুলিশ সদস্যদের বাধার কারণে তিনি কোনো কথা বলতে পারেননি।
পুলিশের সূত্র জানায়, ডেভিড ইমন বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, যিনি ‘বড় সাজ্জাদ’ নামে পরিচিত, তার অন্যতম প্রধান সহযোগী। তার বিরুদ্ধে বাকলিয়ায় জোড়া খুন, পতেঙ্গায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যা এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইন্টারনেট সেবা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও চাঁদাবাজিসহ ১১টিরও বেশি গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়া ও প্রেস ব্রিফিং সম্পন্ন হওয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কঠোর পুলিশি প্রহরায় আদালতের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ