প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা (ইল্ড) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে পতন ঘটেছে। একই সাথে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ সুদের হার নীতি নিয়ে অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে রেখেছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সময় সকাল ১টা ১৪ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪৫ ডলার ৫৯ সেন্টে নেমে এসেছে। তবে, আগস্ট ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সোনা ফিউচারের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৩ ডলার ৭০ সেন্টে লেনদেন হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১০ বছর মেয়াদি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি নোটের ইল্ড বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে সোনা ধরে রাখার সুযোগের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের কাছে সোনার আকর্ষণ কিছুটা কমেছে।
এএনজেডের বিশ্লেষক সোনি কুমারী বলেন, যদি বাজার মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা করে Futureতে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখে, তাহলে ট্রেজারি ইল্ড আরও বাড়তে পারে। এর প্রভাব সোনার দামের ওপর সরাসরি পড়েছে।
এর আগে, বুধবার (২৯ জুলাই) ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এতে ফেডের পরবর্তী নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা বর্তমানে ৬৭ শতাংশ হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে। এর আগে, এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৮১ শতাংশ।
বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের জুন মাসের পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেন্ডিচার মূল্যসূচকের তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছেন। এটি ফেডের মূল্যস্ফীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নতুন হামলার পর ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
টিডি সিকিউরিটিজের বিশ্লেষকদের মতে, গ্রীষ্মকালজুড়ে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকলে সোনার দাম ধীরে ধীরে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯০০ ডলারের দিকে নেমে যেতে পারে।
অন্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৫৭ ডলার ৪৯ সেন্ট এবং প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৯৫ ডলার ৩৮ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। তবে, প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৫ ডলার ৬৭ সেন্টে পৌঁছেছে।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন