ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাসচালকের ঘরে মিলল কোটি কোটি টাকা ও সোনা, উদ্ধার ২৮ কোটি রুপি


বাসচালকের ঘরে মিলল কোটি কোটি টাকা ও সোনা, উদ্ধার ২৮ কোটি রুপি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় একটি সাবেক বাসচালকের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অন্তত ২৮ কোটি রুপি নগদ অর্থ এবং ১৫ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় মিনার মন্ডল নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিনার মন্ডল পূর্বে বাসচালক হিসেবে কাজ করতেন, তবে বর্তমানে তিনি পাথর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত আছেন। তিনি পাথর ব্যবসায়ী টুলু মন্ডলের আত্মীয় হিসেবে পরিচিত। টুলু মন্ডলকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাবেক নেতা অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জানা যায়।

পুলিশ বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে মিনার মন্ডলের বাড়িতে অভিযান শুরু করে। প্রথমে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি রুপি নগদ অর্থ উদ্ধার হলেও দীর্ঘ সময় ধরে গণনা শেষে এর পরিমাণ ২৮ কোটি রুপির বেশি হয়ে যায়। এত বিপুল পরিমাণ টাকা গুনতে গিয়েও পরিচালিত পাঁচটি টাকা গণনার যন্ত্র বিকল হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পুলিশের হিসেবে, উদ্ধার হওয়া ১৫ কেজি সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি রুপি। মিনার মন্ডল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দাবি করেন যে, উদ্ধার হওয়া নগদ অর্থ এবং সোনা টুলু মন্ডল এবং তাঁর কথিত অবৈধ সিন্ডিকেটের মালিকানাধীন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মিনার মন্ডলের সঙ্গে টুলু মন্ডলের মালিকানাধীন পাথরের খনি এবং ক্রাশিং ইউনিটের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং সম্পদ তাঁর কাছে এসেছে এবং এর উৎস কী সে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অভিযানটিতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেছেন। তবে, পুলিশ জানিয়েছে, অভিযানে কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের তদন্ত হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সামাজিকমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত বার্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানের প্রশংসা করে বলেন, অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং উদ্ধার হওয়া অর্থ ও সোনার প্রকৃত মালিকানা, উৎস এবং সম্ভাব্য অবৈধ লেনদেনের বিষয়গুলো যাচাই করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার, প্রত্যাহার রাঙ্গাবালীর এসিল্যান্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও লেটার, প্রত্যাহার রাঙ্গাবালীর এসিল্যান্ড

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাওন মজুমদার সুমনকে দায়িত্ব গ্রহণের একদিন পরই প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই প্রত্যাহারের পেছনে রয়েছে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, দাপ্তরিক প্যাড, সরকারি লোগো ও স্মারক নম্বর জাল করে আধা-সরকারি (ডিও) পত্র তৈরি করার অভিযোগ। অভিযোগ প্রকাশ হওয়ার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখার ২৭ জুলাইয়ের প্রজ্ঞাপনে তাকে সংযুক্তির জন্য মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের দুটি পৃথক আদেশে তাকে রাঙ্গাবালীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ থেকে অবমুক্ত করা হয়। তার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব অর্পণের আদেশও বাতিল করা হয়। বর্তমানে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হককে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে রাঙ্গাবালীর ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০ জুলাই বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের আদেশে বরগুনা সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ থেকে শাওন মজুমদার সুমনকে রাঙ্গাবালীতে বদলি করা হয়। তিনি ২৬ জুলাই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং ভারপ্রাপ্ত ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু যোগদানের পরদিনই তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত আসে।

এদিকে, জাতীয় সংসদ সচিবালয় একই দিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ডেপুটি স্পিকারের স্বাক্ষর, দাপ্তরিক প্যাড, সরকারি লোগো ও স্মারক নম্বর জাল করে একটি ডিও পত্র তৈরি করা হয়েছে। এই ডিও পত্রটি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে দাখিল করার মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। সচিবালয় জানায়, ওই পত্র জাতীয় সংসদ থেকে ইস্যু করা হয়নি এবং এর সঙ্গে সংসদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো ও সরকারি পরিচয় জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক সেনা সদস্যদের জন্য ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি কার্যকরের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩২ পি.এম


সাবেক সেনা সদস্যদের জন্য ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি কার্যকরের উদ্যোগ

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকারের ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি বাস্তবায়ন করতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড পরিদর্শনকালে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সমপদের ভিত্তিতে সমান বেতন নীতি কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কার্যালয়ে যখন পৌঁছান, তাঁকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাশরুর হোসাইন ভূইয়া।

এই পরিদর্শনের সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়া, জেলা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মিলনমেলা ও সহায়তার কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে প্রতিটি জেলার সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক এবং তাদের পরিবারের চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ৬১টি জেলায় ওষুধ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মেডিক্যাল স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সংগ্রহে কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সম্মানজনক জীবনযাপন ও টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তিনি ‘ডিফেন্স কলোনি’ গড়ে তোলার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের কথা জানান। তিনি ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর জেলায় এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এমন তথ্য দেন।

এসব জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। দেশের সেবায় নিবেদিত প্রাক্তন সৈনিকদের অর্জিত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের সম্মানজনক শেষ বিদায় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে যেকোনো অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্য সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে অধিকতর সম্পৃক্ত ও সহায়ক করার জন্য প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির নির্দেশনাও দেন।

এই পরিদর্শনকালে সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ক্ষতিকর তথ্য বেরিয়েছে, প্রিয়জন জড়িত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ক্ষতিকর তথ্য বেরিয়েছে, প্রিয়জন জড়িত

ঢাকার দয়াগঞ্জে পুলিশের কনস্টেবল হুমায়ুন কবীর হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে খুবই ক্ষতিকর তথ্য। পুলিশ জানায়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। এ ঘটনায় তার স্ত্রী সালমা বেগম জড়িত ছিলেন।

২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল পুরান ঢাকার নিজ বাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হুমায়ুন কবীর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পরিবহন বিভাগে জলকামান চালাতেন। ২০১০ সালে হুমায়ুন কবীর এবং সালমা বেগমের বিয়ে হয়েছিল, তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন, যেখানে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বছরের মার্চে আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে, স্ত্রী সালমা বেগমের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক জানাজানি হওয়া এবং হুমায়ুনের কাছ থেকে একজন আত্মীয়ের ধার নেওয়া ১০ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে তাকে খুন করা হয়।

মাস দুই ধরে খুনের পরিকল্পনা চলছিল, একাধিকবার খুনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হুমায়ুনকে অচেতন করা হয়। গভীর রাতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ বাড়ির সামনে ফেলে দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম সারাহ ফারজানা হক ১ জুলাই অভিযোগপত্রটি আমলে নেয়। এখন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

হুমায়ুনের স্ত্রী সালমা বেগম ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- রাজীব হোসেন, মরিয়ম বেগম (মলি), পলি বেগম, কায়েস হাওলাদার, ফজলে রাব্বি শুভ, রাফি খান, আকাশ, আশিক, সজীব ও সাব্বির। আসামিদের মধ্যে আকাশ, আশিক, সজীব ও সাব্বির শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে।

সালমা, পলি ও রাফি কারাগারে আছেন। রাজীব, মলি, কায়েস ও শুভ জামিনে মুক্ত।

তদন্ত কর্মকর্তা আওলাদ হুসাইন মন্তব্য করেছেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনা। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং আর্থিক লেনদেনের কারণে হুমায়ুনকে খুন করা হয়েছে। ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, তাদের নিকটাত্মীয় হওয়ায় রাজীব হোসেন প্রায়ই তাদের বাসায় আসতেন। গত বছর রাজীবের সঙ্গে সালমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত বছরের ২৫ এপ্রিল দুই পরিবার উপস্থিত অবস্থায় সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে সালমা ওই সম্পর্ক বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

সালিশের তিন দিন পর, ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল সকালে দয়াগঞ্জে নিজেদের ভাড়া বাসার ফটকের সামনে থেকে হুমায়ুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন হুমায়ুনের ছোট ভাই খোকন হাওলাদার যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দাখিল করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর শুভ ও রাফিকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, বাকি টাকা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর পাওয়া পেনশনের টাকার মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

তবে আসামিদের পরিকল্পনা সফল হয়নি। পুলিশের সন্দেহ হলে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিশ্চিতভাবে হুমায়ুনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

আওলাদ হুসাইন আরো বলেন, কয়েক দফায় পরিকল্পনা বদলে হুমায়ুনকে খুন করা হয়। খুনের আগে অভিযুক্তরা ওই বাসাতেই ছিলেন।

মামলার বাদী খোকন হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা সত্ত্বেও নম্বরটি খোলা পাওয়া যায়নি।

আসামি সালমা বেগমের আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে এবং আসামি সালমা কারাগারে আছেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় ভ্যান, চালকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় ভ্যান, চালকের মৃত্যু

নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ভ্যানচালক মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের নাম রাহুল মুছল্লী (৩০), যিনি কালিয়া উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের বাবুল মুছল্লীর ছেলে এবং পেশায় তিনি একজন ভ্যানচালক ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে রাহুল মুছল্লী নিজের ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি নিয়ে সালামাবাদ সড়কে চলাচল করছিলেন। পথিমধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান শামীমের বাড়ির সামনে আসলে হঠাৎ তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজের ভ্যানটি সড়কের পাশের ডোবায় পড়ে যান। এতে রাহুল ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাহুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে তার মৃত্যু ঘটেছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%