ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাবেক সেনা সদস্যদের জন্য ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি কার্যকরের উদ্যোগ


সাবেক সেনা সদস্যদের জন্য ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি কার্যকরের উদ্যোগ

অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকারের ‘এক পদ, এক বেতন’ নীতি বাস্তবায়ন করতে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড পরিদর্শনকালে তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কল্যাণ ও প্রাপ্য সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য সমপদের ভিত্তিতে সমান বেতন নীতি কার্যকর করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কার্যালয়ে যখন পৌঁছান, তাঁকে স্বাগত জানান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাশরুর হোসাইন ভূইয়া।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এই পরিদর্শনের সময় তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তাদের পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এছাড়া, জেলা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের মিলনমেলা ও সহায়তার কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করতে প্রতিটি জেলার সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বারোপ করেন।

এছাড়া, চিকিৎসা সেবার সম্প্রসারণের জন্য অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক এবং তাদের পরিবারের চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করতে ৬১টি জেলায় ওষুধ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে মেডিক্যাল স্টোরের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ঔষধ সংগ্রহে কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের সম্মানজনক জীবনযাপন ও টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে তিনি ‘ডিফেন্স কলোনি’ গড়ে তোলার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের কথা জানান। তিনি ঠাকুরগাঁও, গাইবান্ধা এবং দিনাজপুর জেলায় এই প্রকল্পের জন্য জমি নির্ধারণ করা হয়েছে এমন তথ্য দেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এসব জেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন। দেশের সেবায় নিবেদিত প্রাক্তন সৈনিকদের অর্জিত অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাদের সম্মানজনক শেষ বিদায় নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে যেকোনো অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও শেষকৃত্য সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডকে অধিকতর সম্পৃক্ত ও সহায়ক করার জন্য প্রশাসনিক ও লজিস্টিক সক্ষমতা বৃদ্ধির নির্দেশনাও দেন।

এই পরিদর্শনকালে সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ক্ষতিকর তথ্য বেরিয়েছে, প্রিয়জন জড়িত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


পুলিশ সদস্যকে হত্যার ঘটনায় ক্ষতিকর তথ্য বেরিয়েছে, প্রিয়জন জড়িত

ঢাকার দয়াগঞ্জে পুলিশের কনস্টেবল হুমায়ুন কবীর হত্যার ঘটনায় পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে খুবই ক্ষতিকর তথ্য। পুলিশ জানায়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। এ ঘটনায় তার স্ত্রী সালমা বেগম জড়িত ছিলেন।

২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল পুরান ঢাকার নিজ বাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হুমায়ুন কবীর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পরিবহন বিভাগে জলকামান চালাতেন। ২০১০ সালে হুমায়ুন কবীর এবং সালমা বেগমের বিয়ে হয়েছিল, তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আওলাদ হুসাইন অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন, যেখানে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বছরের মার্চে আদালতে অভিযোগপত্রটি জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে, স্ত্রী সালমা বেগমের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক জানাজানি হওয়া এবং হুমায়ুনের কাছ থেকে একজন আত্মীয়ের ধার নেওয়া ১০ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে তাকে খুন করা হয়।

মাস দুই ধরে খুনের পরিকল্পনা চলছিল, একাধিকবার খুনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হুমায়ুনকে অচেতন করা হয়। গভীর রাতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ বাড়ির সামনে ফেলে দেওয়া হয়।

ঢাকা মহানগর হাকিম সারাহ ফারজানা হক ১ জুলাই অভিযোগপত্রটি আমলে নেয়। এখন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচারের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

হুমায়ুনের স্ত্রী সালমা বেগম ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- রাজীব হোসেন, মরিয়ম বেগম (মলি), পলি বেগম, কায়েস হাওলাদার, ফজলে রাব্বি শুভ, রাফি খান, আকাশ, আশিক, সজীব ও সাব্বির। আসামিদের মধ্যে আকাশ, আশিক, সজীব ও সাব্বির শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে।

সালমা, পলি ও রাফি কারাগারে আছেন। রাজীব, মলি, কায়েস ও শুভ জামিনে মুক্ত।

তদন্ত কর্মকর্তা আওলাদ হুসাইন মন্তব্য করেছেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যার ঘটনা। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক এবং আর্থিক লেনদেনের কারণে হুমায়ুনকে খুন করা হয়েছে। ১১ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে ও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, তাদের নিকটাত্মীয় হওয়ায় রাজীব হোসেন প্রায়ই তাদের বাসায় আসতেন। গত বছর রাজীবের সঙ্গে সালমার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে গত বছরের ২৫ এপ্রিল দুই পরিবার উপস্থিত অবস্থায় সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সালিশে সালমা ওই সম্পর্ক বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

সালিশের তিন দিন পর, ২০২৫ সালের ২৮ এপ্রিল সকালে দয়াগঞ্জে নিজেদের ভাড়া বাসার ফটকের সামনে থেকে হুমায়ুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন হুমায়ুনের ছোট ভাই খোকন হাওলাদার যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দাখিল করেন।

হত্যাকাণ্ডের পর শুভ ও রাফিকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী, বাকি টাকা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর পাওয়া পেনশনের টাকার মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

তবে আসামিদের পরিকল্পনা সফল হয়নি। পুলিশের সন্দেহ হলে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিশ্চিতভাবে হুমায়ুনকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

আওলাদ হুসাইন আরো বলেন, কয়েক দফায় পরিকল্পনা বদলে হুমায়ুনকে খুন করা হয়। খুনের আগে অভিযুক্তরা ওই বাসাতেই ছিলেন।

মামলার বাদী খোকন হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা সত্ত্বেও নম্বরটি খোলা পাওয়া যায়নি।

আসামি সালমা বেগমের আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন, আদালতে অভিযোগপত্র জমা পড়েছে এবং আসামি সালমা কারাগারে আছেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় ভ্যান, চালকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় ভ্যান, চালকের মৃত্যু

নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ভ্যানচালক মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে কালিয়া উপজেলার সালামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের নাম রাহুল মুছল্লী (৩০), যিনি কালিয়া উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের বাবুল মুছল্লীর ছেলে এবং পেশায় তিনি একজন ভ্যানচালক ছিলেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে রাহুল মুছল্লী নিজের ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি নিয়ে সালামাবাদ সড়কে চলাচল করছিলেন। পথিমধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান শামীমের বাড়ির সামনে আসলে হঠাৎ তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিজের ভ্যানটি সড়কের পাশের ডোবায় পড়ে যান। এতে রাহুল ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাহুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ এবং মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে তার মৃত্যু ঘটেছে।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল এবং হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক কারণ অনুসন্ধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় তদন্ত শুরু করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ইস্যুতে ফিফার বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠকে উয়েফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪০ পি.এম


বিশ্বকাপ ইস্যুতে ফিফার বিরুদ্ধে জরুরি বৈঠকে উয়েফা

বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক অংশের ২০ শতাংশ বাইরের বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। এ পরিকল্পনা কেন্দ্র করে যৌথ অবস্থান গ্রহণের জন্য ৫৫ সদস্যদেশকে নিয়ে জরুরি ভার্চুয়াল বৈঠক ডেকেছে উয়েফা।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার চেফেরিনের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে এই বৈঠক। এতে ফিফার প্রস্তাবের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর অভিন্ন অবস্থান ও পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা চলবে। কঠোর সিদ্ধান্তের কথাও বিবেচনা করা হতে পারে, যদি প্রয়োজন মনে করা হয়।

সম্প্রতি ফিফা বিশ্বকাপ ও অন্যান্য বড় টুর্নামেন্টগুলোর পরিচালনার জন্য একটি নতুন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। সংস্থা ওই প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ শেয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে।

বিবিসির হাতে আসা ফিফার এক চিঠি অনুযায়ী, ২১১টি সদস্য ফুটবল সংস্থাকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ প্রস্তাবের বিষয়ে মতামত জানাতে বলা হয়েছে। প্রস্তাবে সম্মত হওয়া সদস্যরা এককালীন ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশেষ তহবিল পাবে, যেখানে প্রথম ধাপে দেওয়া হবে ২০ মিলিয়ন ডলার।

এ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে উয়েফা। এক বিবৃতিতে উয়েফা জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমর্থন না দিলে এককালীন অর্থপ্রদানের প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হতে পারে, যা পুরো পরিকল্পনার ওপর প্রশ্ন রাখে। এর আগেও উয়েফা অভিযোগ করেছিল যে, এত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে ইউরোপের ফুটবল সংস্থাগুলোর সঙ্গে যথেষ্ট আলোচনা না করেই ফিফা এগিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের দাবি, যে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের কাছে শেয়ার বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে, সেটির মালিকানা রয়েছে জোশুয়া কুশনারের। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ভাই।

এদিকে, লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাস ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর ওপর কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং বলেছেন, ইনফান্তিনো নিজ নির্বাচনের তহবিল ও ভোট নিশ্চিত করতে ফুটবলের ভবিষ্যৎ বিক্রি করছেন। উয়েফা বলছে, ফিফা ইনফান্তিনোর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।

ফিফার এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হতে পারে কি না, তা সদস্য দেশগুলোর মতামতের ওপর নির্ভর করছে। তবে বিষয়টি ইতিমধ্যে ফিফা ও উয়েফার মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পণ্যের দাম বৃদ্ধির রহস্য উন্মোচনে খামার-বাজার চেইন পর্যবেক্ষণ করবে ট্রেসেবিলিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


পণ্যের দাম বৃদ্ধির রহস্য উন্মোচনে খামার-বাজার চেইন পর্যবেক্ষণ করবে ট্রেসেবিলিটি

খামার থেকে পণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের প্রতিটি ধাপে মূল্য বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় ব্যয়, চাঁদাবাজি ও বাজার ব্যবস্থার অদক্ষতা কমানোর লক্ষ্যে ট্রেসেবিলিটি (পণ্য অনুসরণ) ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে ‘বাংলাদেশের খাদ্য মূল্য শৃঙ্খল : বাজার, মুনাফার হার (লাভের মার্জিন) এবং মধ্যস্বত্বভোগী (দালাল বা ফড়িয়া)’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি জানান, বাংলাদেশে লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে বিশ্ব গড় প্রায় ১০ শতাংশ। এই অতিরিক্ত ব্যয় খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে দীর্ঘদিন ধরে উঁচু পর্যায়ে ধরে রেখেছে। সুতরাং, লজিস্টিক ব্যয়, ইনপুট খরচ এবং পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি কমাতে সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যে ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা চালু করবে।

মন্ত্রী বলেন, ট্রেসেবিলিটি চালু হলে উৎপত্তি থেকে শেষ পর্যন্ত কোন পর্যায়ে সমস্যা হচ্ছে, কোথায় অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ছে এবং কোথায় অদক্ষতা রয়েছে, তা স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, কৃষক বাজার সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়ায় একই ধরনের ফসল উৎপাদন করে বারবার ক্ষতির মুখে পড়ছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ টানা দুই বছর এক কোটি টনের বেশি আলু উৎপাদন করেছে। কিন্তু কৃষক ন্যায্য দাম না পেলেও তৃতীয় বছরেও একই মাত্রায় আলু উৎপাদন করছেন। এ থেকে বোঝা যায়, কৃষকের কাছে সঠিক বাজার তথ্য বা বিকল্প ফসল চাষের পরামর্শ পৌঁছাচ্ছে না।

মন্ত্রী বলেন, কৃষি বাংলাদেশে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। তাই খাদ্য নিরাপত্তাকে জাতীয় নিরাপত্তার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে কৃষি খাতে সরকারের ধারাবাহিক সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারলে কৃষকের আয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি যেকোনো অর্থনীতির জন্য কষ্টের বিষয়। তবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে এর প্রভাব আরও বেশি। কোভিড-পরবর্তী সময়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়নি, যা মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে।

সংলাপে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত চার বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় উদ্বেগ। বিশেষ করে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রা, পুষ্টি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সঞ্চয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, শুধু কর কমিয়ে বাজারে পণ্যের দাম কমানো যায় না। এর জন্য সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। বাজার ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা দূর না হলে কর ছাড়ের সুফলও ভোক্তারা পাবেন না।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, কৃষকরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সরকারি প্রণোদনা ও কৃষিঋণের সুবিধা অনেক প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছায় না।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর বলেন, বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতির পেছনে শুধু উৎপাদন খরচ নয়, বাজার কাঠামো, মধ্যস্বত্বভোগী, মজুতদারি, সরবরাহ ঘাটতি ও বাজারে আধিপত্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এখনও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে। মূল্যস্ফীতির কারণে প্রকৃত মজুরি বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। কেবল উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বাড়ছে না। এর পেছনে কাজ করছে শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু সিন্ডিকেট। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের যে দীর্ঘ সাপ্লাই চেইন, সেখানে কমিশন এজেন্ট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া দৌরাত্ম্য বিদ্যমান।

সংলাপে মতামত আরো জানান গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আক্তার লিমা, সাবেক সচিব সিদ্দিকুর রহমান এবং কৃষি অর্থনীতিবিদ এম এ সাত্তার মণ্ডল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%