ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সীমান্তে পুশইনচেষ্টা প্রতিহত, একসঙ্গে কাজ করল গ্রামবাসী ও বিজিবি


সীমান্তে পুশইনচেষ্টা প্রতিহত, একসঙ্গে কাজ করল গ্রামবাসী ও বিজিবি

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভুটিয়া পাড়া সীমান্ত দিয়ে আবারও ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ৫ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে। তবে গ্রামবাসী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় এই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। স্থানীয় গ্রামবাসীরা ও বিজিবির সূত্র জানায়, শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতের ঘটনায় ভুটিয়া পাড়া সীমান্তের পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর এলাকার ২৭৫/৮ সাব-পিলার দিয়ে বিএসএফ ৫ জনকে বাংলাদেশ ভুখন্ডে পাঠানোর চেষ্টা করে। ভোরে সীমান্তের লাইট পোস্টের আলো নিভিয়ে বিএসএফ সদস্যরা তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি জানতে পেরে গ্রামবাসীরা তাদের আটক করে বিজিবিকে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের নিয়ে শূন্যরেখায় অবস্থান নেন। এ সময় বাকি ২ জনকে পাওয়া যায়নি। আটক হওয়া বৃদ্ধের নাম হাফিজুর রহমান (৬৫)। তার সঙ্গে তার স্ত্রীও রয়েছেন। তাদের বাড়ি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায়। তবে এই ঘটনায় আর একজন নারী রয়েছেন, যার বাড়ি নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলায়। স্থানীয় ধলাহার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরে বিএসএফ ৫ জনকে পুশইনের চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা তা প্রতিহত করে। পরে বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে জানা গেছে, মোট পাঁচজনকে পুশইন করা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনকে আটক করা গেলেও বাকি দুইজনের অবস্থান সম্পর্কে তারা নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি। সবশেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, দুপুর ১ টায় ১৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মামুন ও বিএসএফ এর ১২৩ এর কমান্ডেন্ট অফিসার গুরিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বে একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও পুশইন নিয়ে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। এখনো তারা শূন্যরেখাতেই অবস্থান করছেন। সিদ্ধান্তের বিষয়টি আরও পরে জানানো হবে বলে জানান ১৪ বিজিবির শীর্ষ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৪০ ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের আহাজারি, এখনো মেলেনি খাদ্য সহায়তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


৪০ ইউনিয়নে পানিবন্দি মানুষের আহাজারি, এখনো মেলেনি খাদ্য সহায়তা

ভারি বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং জোয়ারের পানির কারণে কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সামান্য বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় কোথাও কোথাও পানি নামতে শুরু করেছে। কিন্তু অধিকাংশ স্থানে এখনও পানি নামেনি। ফলে পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন বন্যাদুর্গতরা। তাদের বক্তব্য হলো, পানিবন্দি হয়ে থাকলেও খাদ্য সহায়তা এখনও পৌঁছায়নি।

যেদিকে দৃষ্টিপাত করা হয়, সেখানে শুধুই পানি। ভারি বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলের ফলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে দৃশ্যমান অবস্থা এমন। বাড়ি-ঘরের পাশাপাশি স্কুল, কলেজ এবং ইউনিয়ন পরিষদ ডুবে গেছে। এই দৃশ্য কেবল লক্ষ্যারচরের নয়। উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, হারবাং, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা এবং খুটাখালী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়া জেলার ৪০টি ইউনিয়নের প্রায় ৪ lakh বাসিন্দার দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

যদিও গত কয়েকদিনের তুলনায় বৃষ্টিপাত কিছুটা কম হয়েছে, তবুও অনেক এলাকায় মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

লাক্ষ্যারচর ইউনিয়নের বন্যাদুর্গতরা বলছেন, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে পানিবন্দি অবস্থায় থাকা সত্ত্বেও খাদ্য সহায়তা এখনও পৌঁছায়নি। তারা অত্যন্ত বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্য সংকটে ভুগছেন।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মাতামুহুরী নদীর পানি লামা পয়েন্টে এবং কক্সবাজারের চিরিঙ্গা পয়েন্টে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে ঢাকা আবহাওয়া অধিদফতর জানাচ্ছে, আগামী দুই দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। তবুও এর তীব্রতা খানিকটা কমতে পারে।

এতদসাথে, সাগরের প্রবল হাওয়ার কারণে দেশের চারটি বন্দরের জন্য দেওয়া তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত আজ তুলে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পাহাড়ধসের সতর্কবার্তাও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন যে, গত তিন থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় সেই বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে, এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু স্থানেও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে, চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে। এর মূল কারণ হচ্ছে রংপুর অঞ্চল এবং উজানের বৃষ্টি।

অথচ গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃষ্টির বিস্তার কিছুটা কম থাকলেও দেশের বিভিন্ন নদীর পানি এখনও বাড়তি আছে। বিশেষত, উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পার্বত্য অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে ভারি বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি এবং কোথাও কোথাও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমলে দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতি শুরু হতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ পি.এম


মধুপুরে চায়না জাল দিয়ে চলছে দেশীয় মাছ নিধনের মহোৎসব

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিষিদ্ধ চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব চলছে। নদনদী, খালবিল ও ডোবা জলাশয়ে পানি উঠার সাথে সাথে শতশত চায়না জালে ছেয়ে গেছে।

একটি ফিক্সড ইঞ্জিন বলা হয় চায়না জালকে। এই জালে ছোট-বড় সব মাছই ধরা পড়ে। বিশেষ করে দেশের প্রজাতির মাছগুলো বেশি আটকে যাচ্ছে চায়না জালে। এটি জলজ উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য একটি হুমকি। চায়না জাল খাল-বিল, জলাশয়, ডোবা ও নদীতে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খালবিলে সারিবাঁধা প্রতিটি চায়না জালে রেণু পোনা থেকে শুরু করে ছোট বড় সব ধরনের মাছই আটকা পড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর সামান্য কিছু হলেও এলাকার বাজারগুলোতে দেশীয় মাছ দেখা যেতো, কিন্তু এবছর বর্ষা শুরু হতে না হতেই সব মাছ চায়না জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে। তারা বলছেন, এভাবে ছোট বড় সব ধরনের মাছ ধরা হলে ভবিষ্যতে দেশীয় মাছের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

বিশিষ্টজনেরা বলেন, শুধু খাল-বিলের চায়না জাল ধংস করলেই হবেনা, আগে বিক্রেতাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তবেই এর ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে।

এবছর উপজেলার হাওদা বিলে অভিযান পরিচালনা করলেও আর কোথাও অভিযান পরিলক্ষিত হয়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে উপজেলার চারিদিকে চায়না জালে সয়লাব হয়ে পড়েছে, স্থানীয় লোকজন জানান। বিশেষ করে কাকরাইদ হয়ে ধলঘাটে বংশাই নদীতে মিশে যাওয়া গুজাখালে শতশত চায়না জাল রয়েছে। এক এক জনের ৪টি থেকে ৮টি পর্যন্ত চায়না জাল রয়েছে। এছাড়াও থলথাট থেকে টিকরী পর্যন্ত বংশাই নদীর দুপারে প্রায় কয়েকশো জাল রয়েছে। বিশেষ করে গঙ্গাহরী গ্রামের তুলাচাপড়া বিল, আকাশী ভান্ডারগাতী রোডের মাঝখানের জলাশয়, কুড়ালিয়া গ্রামের গাবা চড়া, কুড়ালিয়া আটাপাড়া গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া খালে, পৌর শহরের পুন্ডুরা কুমুরিয়া বিলে প্রচুর চায়না জাল রয়েছে। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই চায়না জাল ধংস করতে না পারলে ভবিষ্যতে সব ধরনের দেশীয় মাছের বিলুপ্তি ঘটবে। এব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান এর সহিত কথা বললে তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সকল জলাশয়ে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় পারফর্ম করতে আসছেন সঞ্জয় দেব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


ঢাকায় পারফর্ম করতে আসছেন সঞ্জয় দেব

ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ মাতানোর পর এবার ঢাকা মাতাতে আসছেন বাংলাদেশী বংশভূত মার্কিন সঙ্গীতজ্ঞ, ইলেকট্রনিক সঙ্গীত প্রযোজক এবং ডিজে সঞ্জয় দেব।

আসন্ন কনসার্টের শিরোনাম হলো 'শাহ সিমেন্ট ফ্যান ফেস্ট ২.০'। রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক পার্কে আগামী ১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই গানের উৎসব।

আশা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক জনপ্রিয় শিল্পী ও ডিজে সঞ্জয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের শিল্পীরাও এই কনসার্টে পারফর্ম করবেন।

আয়োজক সংস্থা ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, এ কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ হলো আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান বাংলাদেশি শিল্পী সঞ্জয়ের বিশেষ লাইভ পারফরম্যান্স। ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অফিসিয়াল থিম সং-এর আলোচিত এই শিল্পী আগামী ২০ জুলাই ঢাকার মঞ্চ মাতাবেন।

ছয় দিনব্যাপী এই উৎসবে বিশাল পর্দায় ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ সরাসরি প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি থাকবে লাইভ মিউজিক, ডিজে পারফরম্যান্স, দর্শকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন কার্যক্রম, খাবার, গেমস এবং স্পনসরদের বিশেষ আয়োজন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিখোঁজের ২ দিন পর তারাকান্দায় শিশুর লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


নিখোঁজের ২ দিন পর তারাকান্দায় শিশুর লাশ উদ্ধার

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার উপর দুই দিন পর আড়াই বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার সকালে শিশুটির বাড়ির কাছের একটি জমির আলের ঝোপের মধ্যে উপুর হয়ে থাকা মরদেহ পাওয়া যায়। ঘটনাটি জানার পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা জন্য ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত শিশুর নাম মো. আব্দুল্লাহ (২ বছর ৬ মাস)। সে কামারিয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের মো. এনামুল হক ও হাফিজা আক্তারের প্রিয় সন্তান। এনামুল হক জীবিকা নির্বাহ করেন বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ ধরে।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে শিশুটির মা হাফিজা আক্তার তাকে ঘরে রেখে পাশের গরুকে পানি খাওয়াতে যান। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন, আব্দুল্লাহ ঘরে নেই। এরপর পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় লোকজন বিভিন্ন স্থানে তাকে খোঁজা শুরু করেন। খবর পেয়ে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়েও আশপাশের পুকুরে কয়েক ঘণ্টা তল্লাশি চালালেও শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি। শনিবার সকাল ১০টার দিকে শিশুটির বাড়ির দক্ষিণ পাশে হযরত আলী ও নুরুল আমিনের জমির আইলের মধ্যে তাকে পড়তে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

খবর পেয়ে ফুলপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটনে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তারাকান্দা থানার ওসি মো. আবদুর রাশিদ বলেন, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। আজ সকালে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। শিশুটির মরদেহ ফোলে গেছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না। এছাড়া আরও অনেক বিষয় মাথায় রেখে আমরা ঘটনাটি তদন্ত করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%