বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৫৮ পি.এম
কে সাংবাদিক এবং কে সাংবাদিক নয়, তা নির্ধারণের জন্য একটি যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকাটা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের নির্দেশনা দিতে গিয়ে বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্তে দেশের সংবিধান, প্রচলিত আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি পাশাপাশি সিদ্ধান্ত গ্রহণে দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার মানসিকতা বজায় রাখার আহ্বানও জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো যাতে সবার কাছে সর্বজনগ্রাহ্য হয়, সে বিষয়টিও কমিটিকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে নয়, বরং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করতে হবে।
জহির উদ্দিন স্বপন গণমাধ্যমকে একটি বহুপাক্ষিক ক্ষেত্র উল্লেখ করে বলেন, এখানে বিভিন্ন মত, দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তার মানুষের সহাবস্থান অতি জরুরি। তাই সংকীর্ণ কিংবা পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে ধারণ করার নীতি গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণই রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা প্রকাশ পায়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম কৌশলগত এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল মন্ত্রণালয় হিসেবে অভিহিত করে জহির উদ্দিন স্বপন আরও জানিয়েছেন, এখানে সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে বড় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই তাৎক্ষণিক চিন্তার বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
কমিটির সদস্যদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা এবং দূরদর্শিতার ওপরই সিদ্ধান্তের সামগ্রিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করবে।
সভায় প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদের সভাপতিত্বে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নবগঠিত সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের মর্যাদাপূর্ণ ‘সাউথ এশিয়া ইয়ং উইমেন এমপাওয়ারমেন্ট একাডেমি’ ফেলোশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি।
বুধবার (২২ জুলাই) তারিখে সংলাপে অংশ গ্রহণ করার উদ্দেশ্যে তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংকক শহরে পৌঁছান।
জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবেও পরিচিত। তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব হার্টফোর্ডশায়ার-এ আইন (এলএলবি) বিষয়ে অধ্যয়ন করছেন।
মহিলা ও যুব সমৃদ্ধি নিয়ে কাজ করা ‘উইমেন অ্যান্ড ইয়ুথ ইন ডেমোক্রেসি (WYDE) – উইমেনস লিডারশিপ ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচির আওতায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থায়নে তিনি এই ফেলোশিপ অর্জন করেছেন। এলআইডি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা ইউএন উইমেন।
এইবারের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে নারী ও তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করা। এই আন্তর্জাতিক সংলাপ আগামী ২৩ ও ২৪ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে।
এ প্রসঙ্গে জান্নাতুল নওরীন ঊর্মি বক্তব্য রাখেন, যেখানে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে এই আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণকে আমি বড় দায়িত্ব হিসেবেই দেখছি। আমি নিশ্চিত যে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, নারী নেতৃত্ব এবং তরুণদের অংশগ্রহণের বিষয়গুলি নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার সুযোগ পাব। এই ফেলোশিপ থেকে আমি যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করব, তা দেশে ফিরে যুবসমাজ ও নারী নেতৃত্বের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগাতে চাই।"
আগেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন নওরীন ঊর্মি। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের মনোনীত ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের একজন হিসেবে তিনি চীন সফর করেন। এর আগে তিনি শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক ফেলোশিপেও অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন।
রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় নওরীন ঊর্মির জীবনযাত্রা নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। ২০২০ সালের ১ মার্চ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরীক্ষা শেষে হল থেকে বের হওয়ার সময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন। ওই ঘটনার কারণে তাকে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকতে হয় এবং এখনো তিনি সেই হামলার শারীরিক জটিলতা বহন করছেন।
সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার মনোনয়নকে বাংলাদেশের তরুণ নারী নেতৃত্বের জন্য একটি অনুপ্রেরণাদায়ক অর্জন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দুই দিন আগে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটলে, চিকিৎসকরা তাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
সাবেক মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুকসেদুর রহমান আবির বিষয়টি জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে রফিকুল ইসলাম মিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের লাইফ সাপোর্টে ভর্তি করা হয়েছে। এই অবস্থায়, পরিবারের সদস্যরা দেশের মানুষের কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে আছেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জনস্বাস্থ্য ভালো না থাকায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এরপর থেকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অসুস্থতার কারণে শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
উত্তরসূত্র জানিয়েছে, স্বাস্থ্যগত কারণে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতি কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও অফিসিয়াল কোনো ঘোষণা করা হয়নি।
বঙ্গভবনের কয়েকজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করবেন। বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি শুক্রবার দুপুরে পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পাঠাবেন।
রাষ্ট্রপতির পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) এ সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় তার স্নায়ুজনিত একটি জটিল রোগ ধরা পড়েছে। এই কারণে পদত্যাগের পর স্ত্রী নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত দেড়-দুই মাসের পরিশ্রমে প্রণীত সাম্প্রতিক বাজেটটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। বাজেট তৈরি ভালো হলেও এর প্রকৃত সার্থকতা বাস্তবায়নের সফলতার ওপর নির্ভর করছে। অর্থ বিভাগের সবার যৌথ প্রচেষ্টায় এ বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আমলাতন্ত্র নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, তা পরিবর্তন করতে হবে। গত চার মাসে তিনি অনুভব করেছেন যে সবাই মিলে কাজ করলে যে কোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। প্রচলিত পুরোনো ব্যবস্থা বা ধারার থেকে বেরিয়ে এসে পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন।
আমির খসরু বলেন, সভাগুলোকে কেবল একমুখী না রেখে কর্মকর্তাদের কাছে মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত মতপ্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। মুক্ত আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রথাগত ভাবনার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী উপায়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করতে হবে। কাজের পরিবেশকে একটি পরিবারের মতো মনে করতে হবে।
কেবল অভিযোগ না করে কাজের সুযোগ, নতুন ধারণা এবং সমস্যাগুলো সরাসরি উপস্থাপন করে সমাধানের দিকে গুরুত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনুবিভাগগুলো থেকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ ফিডব্যাক পাওয়া গেলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
অর্থ বিভাগকে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে দেশের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।
এদিকে সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কক্সবাজার অন্যতম গ্রোথ হাব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে কক্সবাজারের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ