ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা সফল বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে: অর্থমন্ত্রী


বাজেটের প্রকৃত সার্থকতা সফল বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত দেড়-দুই মাসের পরিশ্রমে প্রণীত সাম্প্রতিক বাজেটটি দেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সমাদৃত ও প্রশংসিত হয়েছে। বাজেট তৈরি ভালো হলেও এর প্রকৃত সার্থকতা বাস্তবায়নের সফলতার ওপর নির্ভর করছে। অর্থ বিভাগের সবার যৌথ প্রচেষ্টায় এ বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়নের আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে আমলাতন্ত্র নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে, তা পরিবর্তন করতে হবে। গত চার মাসে তিনি অনুভব করেছেন যে সবাই মিলে কাজ করলে যে কোনো বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। প্রচলিত পুরোনো ব্যবস্থা বা ধারার থেকে বেরিয়ে এসে পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

আমির খসরু বলেন, সভাগুলোকে কেবল একমুখী না রেখে কর্মকর্তাদের কাছে মুক্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত মতপ্রকাশের সুযোগ দিতে হবে। মুক্ত আলোচনা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং প্রথাগত ভাবনার বাইরে গিয়ে উদ্ভাবনী উপায়ে (‘আউট অব দ্য বক্স’) কাজ করতে হবে। কাজের পরিবেশকে একটি পরিবারের মতো মনে করতে হবে।

কেবল অভিযোগ না করে কাজের সুযোগ, নতুন ধারণা এবং সমস্যাগুলো সরাসরি উপস্থাপন করে সমাধানের দিকে গুরুত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনুবিভাগগুলো থেকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ ফিডব্যাক পাওয়া গেলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।

অর্থ বিভাগকে দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তির কেন্দ্রবিন্দু উল্লেখ করে দেশের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

এদিকে সচিবালয়ে কক্সবাজারের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রমে দীর্ঘদিনের ৫০ মিটার ও ৫০০ মিটারের বিধিনিষেধ পুনর্বিবেচনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। যেখানে পর্যটন উন্নয়ন হবে, সেখানে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠতে হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষা নিশ্চিত করেই উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করতে হবে। কক্সবাজারকে ঘিরে সরকারের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে সেখানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ এগোচ্ছে, রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে এবং চট্টগ্রাম থেকে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা হচ্ছে। এসব অবকাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করে কক্সবাজারকে একটি আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরীতে রূপান্তর করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেখানে কক্সবাজার অন্যতম গ্রোথ হাব হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। পর্যটন, বাণিজ্য ও সেবাখাতের বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে কক্সবাজারের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ বছর পর লর্ডসে টেস্ট খেলতে চলেছে বাংলাদেশ, প্রকাশ হলো ইংল্যান্ড সফরের সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


১৭ বছর পর লর্ডসে টেস্ট খেলতে চলেছে বাংলাদেশ, প্রকাশ হলো ইংল্যান্ড সফরের সূচি

দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও বাংলাদেশ ইংল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে। ২০২৭ সালের মে মাসে ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি একমাত্র টেস্ট ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) প্রকাশিত ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালীন আন্তর্জাতিক সূচিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই টেস্ট।

এর আগে সর্বশেষ ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলেছিল বাংলাদেশ। সেই হিসাবে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ক্রিকেটের ‘মক্কা’খ্যাত লর্ডসে ফিরে আসছে টাইগাররা। শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচ বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।

শুধু পুরুষ দলই নয়, ২০২৭ সালে ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলও যাবে। সেপ্টেম্বরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিনটি ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ও তিনটি ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে টাইগ্রেসরা।

বাংলাদেশ দলকে লর্ডসে স্বাগত জানাতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ইসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিচার্ড গোল্ড। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ বিরতির পর লর্ডসে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন ইংল্যান্ডের আন্তর্জাতিক সূচিতে আরও সমৃদ্ধ করবে।

বাংলাদেশ পুরুষ দলের সূচি:

একমাত্র টেস্ট: ২৮ মে – ১ জুন, ২০২৭

ভেন্যু: লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ড, লন্ডন

বাংলাদেশ নারী দলের সূচি:

টি-টোয়েন্টি সিরিজ:

১ম টি-টোয়েন্টি: ৮ সেপ্টেম্বর, নর্থহ্যাম্পটন

২য় টি-টোয়েন্টি: ১০ সেপ্টেম্বর, টনটন

৩য় টি-টোয়েন্টি: ১২ সেপ্টেম্বর, ওরচেস্টার

ওয়ানডে সিরিজ:

১ম ওয়ানডে: ১৭ সেপ্টেম্বর, হোভ

২য় ওয়ানডে: ২১ সেপ্টেম্বর, ক্যান্টারবেরি

৩য় ওয়ানডে: ২৪ সেপ্টেম্বর, চেমসফোর্ড।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর লর্ডসে বাংলাদেশের টেস্ট প্রত্যাবর্তন দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে গণ্য হচ্ছে। ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা, ঐতিহাসিক এই সফরে ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে নতুন ইতিহাস গড়বে টাইগাররা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৯ পি.এম


বিদেশি শিক্ষার্থী আকর্ষণে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী

বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক উচ্চশিক্ষার গন্তব্যে পরিণত করতে হবে। এজন্য একাডেমিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিকীকরণে একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ইউজিসি চেয়ারম্যানের সভাকক্ষে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক ও সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউজিসির নেতৃত্ব আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সফল উচ্চশিক্ষা সংস্কারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি এই মুহূর্তে বলেন, দেশের বিপুল জনসংখ্যা একটি সম্ভাবনাময় সম্পদ। পরিকল্পিত উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে বিনিয়োগের মাধ্যমে এই জনসম্পদকে জাতীয় উন্নয়নের কার্যকর শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। তিনি চীন, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সফল উচ্চশিক্ষা সংস্কারের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে বাংলাদেশে জন্য উপযোগী দিকগুলো বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিতে বাধ্যতার কথা উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপের পাশে মোবাইলে কার্টুনে মগ্ন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


সাপের পাশে মোবাইলে কার্টুনে মগ্ন শিশু, ভিডিও ভাইরাল

বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা একটি শিশুর সামনে মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানো একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। শিশুটির পাশেই কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়েছে একটি সাপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে ভিডিওটি কোথায় এবং কবে ধারণ করা হয়েছে, সেই তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ভিডিওটির সত্যতাও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ঘরের বিছানায় উপুড় হয়ে শুয়ে থাকা শিশুটি মোবাইলে কার্টুন দেখছে। এ সময় মাঝারি আকারের একটি সাপ ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে মোবাইলের স্ক্রিনের সামনে মাথা তোলে। দেখে মনে হচ্ছে, সাপটিও যেন পর্দার দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

কিছুক্ষণ পর সাপটি সরে যেতে চাইলে শিশুটি উঠে বসে সেটিকে ধরে আবার মোবাইলের সামনে আনার চেষ্টা করে। সাপটি আবারও সরে যেতে চাইলে শিশুটি পুনরায় সেটিকে ধরে। পুরো ঘটনা ভিডিওতে ধারণ করা হয়েছে।

এই ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামের ‘Santosh__Stories’ নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এরপর সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। দেখা যায়, ভিডিওটি দেখে কেউ বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ শিশুটির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

এক নেটিজেন ভিডিওতে মন্তব্য করেছেন, "সাপটি যদি ছোবল দিত, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।" আরেকজনের মন্তব্য, "সম্ভবত এটি একটি পোষা ও নির্বিষ সাপ।"

তবে ভিডিওটি দেখে সাপটির প্রজাতি বা এটি বিষধর কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাপ বিষধর হোক বা নির্বিষ— এই ধরনের প্রাণীর সঙ্গে শিশুদের অবাধ মেলামেশা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বিশেষজ্ঞরা এমন ভিডিও দেখে অনুকরণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন। সূত্র: আনন্দবাজার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশাসনে বাড়ছে নারীর নেতৃত্ব, ২০ জেলায় ডিসি ও ১৯১ উপজেলায় ইউএনও নারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


প্রশাসনে বাড়ছে নারীর নেতৃত্ব, ২০ জেলায় ডিসি ও ১৯১ উপজেলায় ইউএনও নারী

দেশের মাঠ প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর ক্ষেত্রে বর্তমানে নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতি স্মরণকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে ৬৪ জেলার মধ্যে ২১টিতে নারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং ৪৯৯ উপজেলার ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজ করছেন। সংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে বলছেন, এটি প্রশাসনে নারীর সক্ষমতা এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতিফলন।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চ ১৮ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছিলেন। বর্তমানে ওই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০ জন নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বর্তমানে নয় বিভাগীয় কমিশনারের মধ্যে একজনও নারী নেই।

বর্তমানে নারী ডিসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া, মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার এবং কুমিল্লার জেলা প্রশাসক রোজী আক্তার।

এছাড়াও আরও রয়েছেন- রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক, নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ, চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার, মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়, বরগুনার জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোছা. শুকরিয়া পারভীন এবং শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন।

বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকা বিভাগে নারী ডিসির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিভাগের ১৩ জেলার মধ্যে ৯ জেলায় নারী ডিসি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া খুলনা বিভাগে চারজন, চট্টগ্রাম বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে একজন করে নারী ডিসি রয়েছেন।

শুধু জেলা প্রশাসনে নয়, উপজেলা প্রশাসনেও নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। বর্তমানে দেশের ৪৯৯টি উপজেলার মধ্যে ১৯১টিতে নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ প্রায় ৩৯ শতাংশ উপজেলায় প্রশাসনের নেতৃত্বে নারীরা রয়েছেন।

ভূমি প্রশাসনে নারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে ৪৭৮ জন সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর মধ্যে ১১৬ জন নারী, যা মোট পদের ২৪ শতাংশের বেশি।

সব মিলিয়ে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ১ হাজার ৮৫টি পদের মধ্যে ৩৩২টিতে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থাৎ মাঠ প্রশাসনের প্রায় ৩০ দশমিক ৬ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরা এখন রয়েছেন।

কেন্দ্রীয় প্রশাসনেও নারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে ৮১টি সচিব ও সচিব-সমমর্যাদার পদের মধ্যে ১৪টিতে নারী কর্মকর্তারা রয়েছেন। এছাড়া ৩৬১ জন অতিরিক্ত সচিবের মধ্যে ৭৩ জন, ১ হাজার ৫১ জন যুগ্ম সচিবের মধ্যে ২৪৯ জন, ১ হাজার ৬৪৩ জন উপসচিবের মধ্যে ৪০৪ জন এবং ৩ হাজার ৩৫০ জন সহকারী ও সিনিয়র সহকারী সচিবের মধ্যে ৯৮৬ জন নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন।

সহকারী সচিব থেকে সচিব পর্যন্ত ৬ হাজার ৩৩০টি পদের মধ্যে মোট ১ হাজার ৬৮৬ জন নারী রয়েছেন। নারীর হার দাঁড়িয়েছে ২৬.৬৪ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%