ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইংল্যান্ডের ওপরই চাপটা বেশি থাকবে: সোলবাকেন


ইংল্যান্ডের ওপরই চাপটা বেশি থাকবে: সোলবাকেন

আগামীকাল শনিবার রাতে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৩টায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে। কোয়ার্টার ফাইনালের সেই ম্যাচের আগে নরওয়ের প্রধান কোচ স্টেল সোলবাকেন জানান, তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডের ওপর চাপটা বেশি থাকবে। একই সাথে তিনি উল্লেখ করেছেন, এই ম্যাচটি কেবল হ্যারি কেন বনাম আর্লিং হালান্দের লড়াইয়ের চেয়েও বড় কিছু।

তীব্র গরমের মিয়ামিতে থমাস টুখেলের দলের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতে নকআউট পর্বে আইভরি কোস্ট ও ব্রাজিলকে পরাজিত করেছে নরওয়ে। ১৯৯৮ সালের পর এটিই নরওয়ের প্রথম বিশ্বকাপ এবং টুর্নামেন্টের শেষ আটে পৌঁছানোর ঘটনাও তাদের ইতিহাসে এবারই প্রথম।

অন্যদিকে, এস্তাদিও আজটেকাতে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ৩-২ গোলের অসাধারণ এক জয় নিয়ে মিয়ামির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে ইংল্যান্ড। তবে মার্ক গেহি, ডেকলান রাইস এবং রিস জেমস দলে ফিরতে লড়াই করায় তাদের চোটের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ইংল্যান্ডের বাড়তে থাকা চোটের তালিকা সত্ত্বেও সোলবাকেন মনে করেন, আসলে মূল চাপটা টুখেলের দলের ওপরই থাকবে।

সোলবাকেন বলেন, "আমাদের চেয়ে ইংল্যান্ডের ওপর চাপ বেশি, তবে আমরা আমাদের পারফরম্যান্সের ওপর বেশি জোর দিচ্ছি। খেলা যখন শুরু হয়ে যায়, আমার মনে হয় না খেলোয়াড়রা চাপ নিয়ে মাথা ঘামায়। মাঠে লড়াইটা তো ১১ জনের বিরুদ্ধে ১১ জনের—চাপের বিষয়টি আসলে খেলা শুরুর আগের আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকে।"

তিনি আরও যোগ করেন, "গত তিন সপ্তাহ ধরে পুরো জাতি এক দারুণ সময় পার করছে, আপনি টের পাবেন মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে এর সাথে। আর আগামীকাল যেহেতু শনিবারের ম্যাচ, তাই পরিবেশটা এর চেয়ে দুর্দান্ত আর হতে পারে না।"

সূত্র: ইএসপিএন

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করতে আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৪ এম


তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করতে আমাদের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এভাবে বলেছেন, 'আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।' তিনি আরও বলেন, সে লক্ষ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনাকে সমন্বিত করে সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ বিষয়ে উল্লেখ করেন।

আইন, শাসন ও সামাজিক উন্নয়নে এই বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, 'তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি' জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, 'জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।'

তিনি বলেন, জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের শক্তিশালীকরণ এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

এ প্রেক্ষাপটে, 'বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬' উপলক্ষে তিনি দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয় অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ একটি শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী প্রজন্মের ওপর নির্ভরশীল। তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গড়ে তুলতে পারবে।

তিনি বলেন, আজকের তরুণরাই তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি। সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রতিটি তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের সক্ষমতার স্বাক্ষর রাখবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত হলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতন ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

সরকার প্রধান বলেন, একটি উন্নত জাতি গঠনের পূর্বশর্ত হলো সুস্থ জনগোষ্ঠী। সেই লক্ষ্য অর্জনে সরকার সবার জন্য সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। একইসঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এই সমন্বিত প্রচেষ্টাই ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জ এখনও আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রযাত্রার পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব সমস্যা শুধু একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং জাতীয় উৎপাদনশীলতার ওপর এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।

এ কারণে তিনি জানান, সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি উন্নয়ন এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, প্রতিটি তরুণ-তরুণী যদি সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে বেড়ে ওঠার সমান সুযোগ পায়, তবে তারাই আগামী দিনের সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

প্রতিটি তরুণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবায়িত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তরুণরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। সকলেই মিলে তেমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

সবশেষে বাণীতে প্রধানমন্ত্রী 'বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬' উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ এম


উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা

নিম্নচাপ ও মৌসুমিবায়ুর প্রভাবে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এবার সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট এবং সুনামগঞ্জে বন্যা দেখা দিতে পারে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) এক বিশেষ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন এ তথ্য।

এফএফডব্লিউসি জানায়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খোয়াই, মনু এবং কুশিয়ারা নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি ইতোমধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্ট ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি বিপৎসীমার উপরে প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সুরমা, কুশিয়ারা ও মনু নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, কুশিয়ারা ও সুরমা নদী-সংলগ্ন সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে। পাশাপাশি সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা এবং ভুগাই-কংস নদীর পানিও কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের সাতটি জেলা বন্যাকবলিত। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও আটটি জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার ইতোমধ্যে বন্যার কবলে পড়েছে, কিন্তু সিলেট ও সুনামগঞ্জকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ জেলার তালিকায় রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ দেশে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ এম


আজ দেশে যে দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা

দেশের বাজারে সাম্প্রতিক সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ (শনিবার, ১১ জুলাই) মূল্যবান এই দুই ধাতু বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।

গেল ১০ জুলাই সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) কর্তৃক স্বর্ণ ও রুপার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেদিন প্রতি ভরিতে এই ধাতু দুটি যথাক্রমে ২ হাজার ২১৬ টাকা এবং ১১৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য বাড়ানোর কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম কার্যকর হয়েছে সেদিন সকাল ১০টা থেকে।

এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী প্রযোজ্য মজুরি থাকবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকার কারণে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

এর আগে, ৯ জুলাই সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন প্রতি ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন দুপুর সোয়া ১২টা থেকেই।

চলতি বছরে, দেশের বাজারে ৮৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছে। যেখানে দাম ৪৪ বার বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৪ বার এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

এছাড়া, দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৭২৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির রুপা ২ হাজার ৯১৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ নিয়ে চলতি বছর ৫৫ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ২৮ বার বাড়ানো হয়েছে এবং বাকি ২৭ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়াতে তিন তরুণের টেকনাফ-তেঁতুলিয়া পদযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৮ এম


পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়াতে তিন তরুণের টেকনাফ-তেঁতুলিয়া পদযাত্রা

‘কালো ধোঁয়া নয়, হাঁটাতেই দূরত্ব জয়’, এই স্লোগানটি ধারণ করে দেশের সর্বদক্ষিণের জনপদ টেকনাফ থেকে সর্বউত্তরের তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এক হাজার ২০ কিলোমিটার পদযাত্রা শুরু করেছেন তিন তরুণ। পরিবেশ রক্ষা এবং অল্প দূরত্বে যান্ত্রিক যানবাহনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে হাঁটার অভ্যাস গড়ার জন্য ছড়িয়ে দিতে তাদের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়ার মাঝেই টেকনাফের জিরো পয়েন্ট থেকে এই পদযাত্রাটি শুরু করেন পরিবেশপ্রেমী তরুণ ফাহিম মুনতাসির। তার সঙ্গে আছেন প্রণব দেবনাথ ও ফাইয়াজ ফারসিদ মুবিন। ব্যক্তিগত অর্থায়নে ২০ দিনের এই যাত্রায় প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ কিলোমিটার হাঁটার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তারা এই দীর্ঘ পথটি কোনো মোটরসাইকেল বা ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করে, তিন জোড়া পায়েই পাড়ি দেবেন।

ফাহিমের কাছে এই পদযাত্রাটি নিছক রেকর্ড গড়ার অভিযান নয়। বরং এটি সাধারণ মানুষের কাছে একটি ছোট কিন্তু অত্যন্ত জরুরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। তিনি বিশ্বাস করেন যে, অল্প দূরত্বে হাঁটার অভ্যাস গড়ে উঠলে মানুষ একদিকে সুস্থ থাকবে এবং অন্যদিকে জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার কমবে। ফলে কার্বন নিঃসরণ কমে প্রকৃতিও কিছুটা স্বস্তি পাবে।

ফাহিম এ প্রসঙ্গে বলেন, 'আমরা খুব সহজেই হাঁটার অভ্যাস হারিয়ে ফেলছি। অল্প দূরত্বেও যানবাহনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। অথচ নিয়মিত হাঁটা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগসহ অনেক অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। শরীরের পাশাপাশি মনও ভালো রাখে।'

ফাহিম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মো. মফিজ মিয়া ও মাহমুদা আক্তার চৌধুরীর বড় ছেলে। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করেছেন এবং বর্তমানে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি লেখালেখি এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন তিনি। ফাহিম বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের যুব প্রধান এবং 'সোনালী সকাল'-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

তবে এই যাত্রার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে শুধু হাঁটা নয়, পথের মানুষও। দেশের বিভিন্ন এলাকায় থেমে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করবেন এই তিন তরুণ। যাত্রাপথে কিছু স্থানে বীজ বপন করবেন, আবার কিছু স্থানে বৃক্ষরোপণ করবেন। ছোট ছোট এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়েই পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে চান তারা।

ফাহিম বলেন, 'আমি চাই মানুষ আমাকে নয়, বরং আমার বার্তাকে মনে রাখুক। পরিবেশ রক্ষা কোনো একদিনের কাজ নয়। প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তই বড় পরিবর্তন আনতে পারে। হাঁটা সেই পরিবর্তনের একটি সহজ শুরু।'

টেকনাফের সমুদ্রপাড় থেকে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ পথচলা শেষ হবে তেঁতুলিয়ায় গিয়ে। কিন্তু ফাহিম এবং তার সঙ্গীদের আশা, তাদের এই পদচিহ্ন হয়তো আরও অনেক মানুষের মনে একটি নতুন অভ্যাসের বীজ বপন করবে; যেখানে অল্প দূরত্ব মানেই গাড়ি নয়, হাঁটা; আর কালো ধোঁয়ার বদলে নির্মল বাতাসের স্বপ্ন থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%