বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০২:০৮ পি.এম
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি ফ্ল্যাটে এক নারী হত্যার ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি পুলিশের পক্ষ থেকে করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ নির্মাণশ্রমিক ফারুক (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিসহ বিভিন্ন চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানাচ্ছে, গত ১১ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া রসুলপুর নগর ভবনসংলগ্ন একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে শাহিদা আক্তার নামে এক নারীকে খুন করা হয়। এই সময় দুর্বৃত্তরা বাসায় থাকা স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর নিহতের মেয়ে পারভীন আক্তার যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানাচ্ছে, মামলাটির তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নির্মাণশ্রমিক ফারুককে শনাক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ীর মীরহাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি দেখানো স্থানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত এক হাতলবিশিষ্ট কাঁচি উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া, একটি জোড়া ইমিটেশনের বালা, তিনটি গলার হার, এক জোড়ার পায়ের নূপুর এবং কিছু বিদেশি কাগুজে ও ধাতব মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ফারুক নিহতের পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সুবাদে তিনি বাসার পরিবেশ ও পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা সম্পর্কে সম্পর্কে অবগত ছিলেন। ঘটনার দিন সে সুযোগ বুঝে বাসায় প্রবেশ করে ধারালো কাঁচি দিয়ে শাহিদা আক্তারকে হত্যা করে। পরে আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ আরো জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কাউকে জড়িয়ে আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের উপকূলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে দুটি শরণার্থীবাহী নৌকা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।
সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকা দুটি। এর মধ্যে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন রোহিঙ্গা।
একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন আরোহী ছিলেন। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্য নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন যাত্রী ছিলেন। সেটি গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের আইয়ারওয়াডি উপকূলে ডুবে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাষ্ট্রহীন মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। তারা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নিপীড়ন, সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার। বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। তবে এখনও প্রায় ৬ lakh ৩০ হাজার রোহিঙ্গা রাখাইনে অবস্থান করছেন।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সংঘর্ষে রাখাইন রাজ্যে মানবিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিরাপত্তার আশায় অনেক রোহিঙ্গা জীবন বাজি রেখে পালানোর চেষ্টা করছেন সমুদ্রপথে।
জাতিসংঘের দুই সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে রাখাইনে গিয়েছিলেন।
তারা আরও জানায়, নৌযাত্রার স্বাভাবিক মৌসুমের বাইরে এসব যাত্রা হওয়ায় সমুদ্র ছিল অত্যন্ত উত্তাল। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি যাত্রাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।
গত সপ্তাহে কক্সবাজারে টানা বর্ষণে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় বহু আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই দুর্যোগে শিশুসহ এক ডজনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, নৌকাডুবির খবর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য এই প্রাণহানির ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
সংস্থাদ্বয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বর্তমানে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩০০ রোহিঙ্গা নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে সীমিত সহায়তা ও কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেক রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় বাধ্য হচ্ছেন।
এ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানি ঠেকাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান বাড়ানো, শরণার্থীদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইওএম ও ইউএনএইচসিআর। সূত্র: সিএনএন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গোয়েন্দা শাখা অনলাইন জুয়া চক্রের ছয় সদস্যকে আটক করেছে। এ তথ্যটি বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানালেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
তিনি উল্লেখ করেন, এই অনলাইন জুয়া চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে চলছে। প্রথমে গাজীপুরের একটি রিসোর্ট থেকে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা থেকে আটক করা হয় আরও তিনজনকে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ৬০৬টি বিকাশ-নগদ অ্যাকাউন্টযুক্ত ৬৭টি সিম কার্ড, একটি ল্যাপটপ এবং একটি মাইক্রোবাস জব্দ করে পুলিশ।
আটক হওয়া ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন: মো. আরিফুল ইসলাম রিফাত (২৩), মো. আরমান হোসেন জিহাদ (২৩), মাসুদ হোসেন (২২), আব্দুল রাব্বী, কৌশিক আহমেদ শুভ (২৩) ও মশিউর রহমান তারেক (২০)।
ডিবি সূত্রে জানা গেছে, সাইবার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ডিবি অনলাইনে পরিচালিত একাধিক জুয়ার ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ শনাক্ত করেছে। পর্যালোচনায় দেখা যায়, এই জুয়ার প্ল্যাটফর্মগুলোতে ট্রান্সফার করার জন্য মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা হচ্ছে। গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে গাজীপুরের টঙ্গীর একটি রিসোর্টে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সহযোগিতায় কুমিল্লা সদরের একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
আটকদের থেকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অনলাইন জুয়ার ওয়েবসাইট ও অ্যাপস পরিচালনার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি পেমেন্ট কোম্পানি সম্প involvement রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পেমেন্ট কোম্পানিগুলোর মধ্যে Pay Kashma, Gopay, Lucky pay, LQ pay, XE pay, Cool pay ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশ-ভিত্তিক জুয়ার সাইটে ব্যবহৃত পেমেন্ট কোম্পানিগুলোর অধিকাংশই চীনের নাগরিকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এসব পেমেন্ট কোম্পানির বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার জন্য স্থানীয় লেনদেনের মাধ্যম প্রয়োজন হয়। যে কারণে তারা বাংলাদেশিদের কাছ থেকে মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিস ও ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট সংগ্রহ করে। ব্যাংকের তুলনায় সহজলভ্যতা ও দুর্বল মনিটরিং এর সুযোগে অধিকাংশ পেমেন্ট কোম্পানি এমএফএস অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে থাকে।
ডিবি পুলিশ জানায়, এই চক্রটি প্রতিদিন প্রায় ৫ কোটি টাকা লেনদেন করতো এবং পরবর্তীতে এ টাকা বিভিন্ন উপায়ে বিদেশে পাচার করা হতো। অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে দেশে দৈনিক প্রায় ৮০০ কোটি টাকা লেনদেন হয় বলেও ডিবি জানায়। সংঘবদ্ধ চক্রটির বাংলাদেশ অংশের মূলহোতা আসামি আরিফুল ইসলাম রিফাত, যার অধীনেই বাকিরা উক্ত Gopay কোম্পানির হয়ে কাজ করে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকি সদস্যদের ধরার জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০২৬ সেশনের বাকি সময়ের জন্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় সেক্রেটারিয়েট পুনর্গঠন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এতে পদ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাবেক-বর্তমান সভাপতিসহ তিন ছাত্রনেতা।
বুধবার (১৫ জুলাই) ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৩০ সদস্য বিশিষ্ট সেক্রেটারিয়েট এবং কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদে আরও ১৩ সদস্যকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
কমিটিতে কেন্দ্রীয় উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো. ফখরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় বিতর্ক সম্পাদক পদে আবু নাছির মো. ত্বোহা। এছাড়া ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকারী পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাকৃবি শাখা শিবিরের বর্তমান সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন।
এর আগে মো. ফখরুল ইসলাম ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত বাকৃবি শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কেন্দ্রীয় গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আবু নাছির মো. ত্বোহা ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাকৃবি শাখা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিষদের সদস্য ছিলেন তিনি।
২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক হালনাগাদকৃত কার্যকরী পরিষদে ১৩ জন নতুন সদস্য যুক্ত হয়েছেন। সেখানে বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের বর্তমান সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মঈন নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে বাকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর রায়পুরায় একটি খালের পানিতে গোসল করতে নেমে তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও তিনজন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার চান্দেরকান্দী ইউনিয়নের বরকান্দা খালে এ দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।
মৃতশিশুদের নাম হলো: তাবিয়া (১৩), আয়েশা (৯) এবং জান্নাত (৯)। উল্লেখ্য যে, তারা তিনজনই গাউছিয়া নূরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন এবং একই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
জানা যায়, ওই দিন দুপুরে মাদ্রাসা ছুটির পর তিন ছাত্রী খালে গোসল করতে নামে। একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তিনজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
এ সম্পর্কে রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, "এ বিষয়টির খোঁজ নেয়া হচ্ছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ