বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৬ পি.এম
ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে নিজের সেরাটা দিতে না পারলেও চলতি মৌসুমে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড রাফিনিয়া রীতিমতো উড়ছেন। ইতোমধ্যে ৮ ম্যাচে ১৪টি গোল করে ফেলেছেন তিনি। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে রাফিনিয়ার প্রতি নজর পড়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।
আসন্ন জানুয়ারির দলবদলের বাজারে ওল্ড ট্রাফোর্ডে এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে দলে টানার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে ইংলিশ ক্লাবটি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ফিচাহেসে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাইকেল ক্যারিকের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়াকে তাদের আক্রমণভাগের মূল অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। তাকে রাজি করাতে ইউনাইটেড একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড-ব্রেকিং প্রস্তাবের পরিকল্পনা করছে।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রাফিনিয়ার জন্য প্রায় ১২০ মিলিয়ন ইউরোর বিশাল বিড প্রস্তুত করছে, যা তাদের ইতিহাসে অন্যতম রেকর্ড দলবদল হতে পারে।
ওল্ড ট্রাফোর্ডের ক্লাবটি রাফিনিকে প্রিমিয়ার লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড় বানাতে চায়। এমনকি ম্যানচেস্টার সিটির আর্লিং হালান্ডের চেয়েও তাকে বেশি সাপ্তাহিক বেতন দেওয়ার প্রস্তাব ভাবা হচ্ছে।
তবে বার্সেলোনা এই তরুণ ফুটবলারকে ছাড়বে কিনা, সেটি একটি বড় প্রশ্ন। কারণ, বর্তমানে স্ট্রাইকার পজিশনে রাফিনিয়ার থেকে ভালো অপশন নেই হান্সি ফ্লিকের সামনে।
যদিও স্ট্রাইকার হিসেবে হুলিয়ান আলভারেজকে দলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে কাতালান ক্লাবটি। কিন্তু রাফিনিয়া বর্তমানে দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর অবিশ্বাস্য ফর্মে আছেন। লা লিগায় তার টানা হ্যাটট্রিকসহ গোল বন্যা করেছে ক্লাবটি।
তবে এই ঐতিহাসিক মেগা চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়া অনেকটাই নির্ভর করছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে কোয়ালিফাই করার ওপর। এখনও পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটাই দেখার বিষয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ২০২৭ সালের ৫, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ আগামী ১৫ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এবং ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। কুমিল্লার পাশাপাশি চট্টগ্রাম এবং রাজশাহীতেও পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এমদাদুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৫ ফেব্রুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ) ভর্তি পরীক্ষা সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি ‘বি’ ইউনিটের (কলা ও মানবিক, সামাজিক বিজ্ঞান এবং আইন অনুষদ) পরীক্ষা বিকেল ৩টায় এবং ৭ ফেব্রুয়ারি ‘সি’ ইউনিটের (বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ) পরীক্ষা সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে।
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আগ্রহী শিক্ষার্থীরা ১৫ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে কুমিল্লার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
রেজিস্ট্রার মো. মুজিবুর রহমান মজুমদার বলেন, আগামী ৫, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি স্নাতক ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষার্থীদের যাতায়াত ও নিরাপত্তা ভোগান্তি কমাতে কুমিল্লার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর যখন দেশ উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছিল, তখন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্ন ধরনের অরাজকতা সৃষ্টি করতে শুরু করেছে। দেশজুড়ে ঝটিকা মিছিল, চোরাপথে যানবাহনে অগ্নিসংযোগ, ককটেল বিস্ফোরণের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে এবং দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতি ব্যাহত করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অরাজকতা, সহিংসতা ও নাশকতা চায় না।" দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন। আগামী দিনেও দেশের স্বার্থে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচির মাধ্যমে তারা রাজপথে থাকবেন। পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভাসহ সকল ইউনিয়ন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কালীগঞ্জ উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে একটি বর্ণাঢ্য বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন খোদেজা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন আরমান মাস্টারের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব এ কে এম ফজলুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার এবং সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু।
পৌর বিএনপির সদস্য সচিব ইব্রাহিম প্রধানের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোলেমান আলম, আশরাফী হাবিবুল্লাহ, মো. খায়রুল আহসান মিন্টু, এবং কালীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. লুৎফুর রহমান।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন নাগরী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রহিম সরকার, বাহাদুরশাদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, জামালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. জয়নাল আবেদীন, তুমলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সিরাজ উদ্দিন, জাঙ্গালীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার আহমেদ নুহু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আশরাফ নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মোল্লা, এবং দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ‘বেহেশতের টিকিট বিক্রেতারা’ ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। তিনি বলেন, "বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র চলছে, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।"
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলা অডিটোরিয়ামে অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা ও টিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ফ্যাসিস্টরা বলছে ডিসেম্বরে তাদের রানীমা দেশে আসবে, আর রাজাকাররা বলছে ডিসেম্বরে আমাদের পতন ঘটাবে।” এসব বক্তব্যের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
সেই দিন সকালে মনোহরদী উপজেলায় নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর মনোহরদী জোনাল অফিসের আওতাধীন কাটাবাড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্র উদ্বোধনকালে দেশের রাজনীতি ও প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও বক্তব্য দেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তিরা এখন ভারতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।” যারা দেশের মানুষকে গুম ও খুন করেছে, সেই ফ্যাসিস্টদের সঙ্গেও তারা হাত মিলিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “একদিকে ভারত থেকে বলা হচ্ছে ডিসেম্বরে তিনি ফিরবেন, অন্যদিকে দেশের ভেতর থেকে ডিসেম্বরেই সরকার পতনের কথা বলা হচ্ছে।” তার ভাষায়, “তারা দুই পরাজিত শক্তি এক হয়েছে।”
সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “দেশের গণতন্ত্র ও দেশকে রক্ষার জন্য ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করা হয়েছে, ভারতের প্রভুত্ব করার জন্য নয়।” তিনি আরও বলেন, “দেশের মানুষ ভারতের প্রভুত্ব মেনে বসবাস করবে না।” পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশের মানুষ বন্ধুত্ব চায়, প্রভুত্ব মেনে নয় বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, ভারত সুষ্ঠুভাবে পানি বণ্টন না করলে চীনের সহযোগিতা নিয়ে তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করে বর্ষার মৌসুমে পানি ধরে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ দেশকে পরনির্ভরশীল রাখার জন্য নতুন কোনো গ্যাসকূপ খনন করেনি। তিনি জানান, দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে দ্রুত গ্যাসকূপ খনন করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনার কথাও বলেন মন্ত্রী। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
সরকার দেশের উন্নয়নে কারও ওপর নির্ভরশীল হতে চায় না বলেও উল্লেখ করেন সরদার সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বক্তব্য দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশ বাঁচাতে হলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।” এ লক্ষ্যে আগামী মাস থেকে ব্যাপক হারে পরিবার পরিকল্পনার পিলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ শুরু হবে।
দালালের প্ররোচনায় মায়েদের অপ্রয়োজনীয় সিজারের দিকে না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করতে নতুন ওষুধ ও যন্ত্রপাতি আনা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী।
এ ছাড়া আগামী শনিবার থেকে আবারও হাম টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানান সরদার সাখাওয়াত হোসেন। যারা এখনো শিশুদের টিকা দেননি, তাদের দ্রুত টিকা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অসহায় মানুষের মাঝে আর্থিক সহায়তা ও টিন বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
কাটাবাড়িয়া অভিযোগ কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস সভাপতিত্ব করেন। সেখানে মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মনোহরদী জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ফযীলত রাব্বী মু'মিমাহ, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর বাদশা, কাচিকাটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আলম হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বিভিন্ন স্কুলে ক্রীড়া সামগ্রীও বিতরণ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আকুয়া এলাকায় আবাসিক বসতবাড়ির মধ্যে ‘মিঠু বিড়ি’ কারখানা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই কারখানাটি শাহিন মিয়ার মালিকানাধীন। আবাসিক এলাকার মধ্যে বিড়ি উৎপাদনের ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কারখানা থেকে ধোঁয়া বা দৃশ্যমান বর্জ্য বের হওয়ার বিষয়টি প্রধান সমস্যা নয়; বরং বিড়ি তৈরির কাঁচামাল ও প্রক্রিয়াজাতকরণের তীব্র গন্ধ আশপাশের বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ গন্ধে অনেকেই অস্বস্তিতে ভুগছেন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসীর কয়েকজনের অভিযোগ, তীব্র গন্ধের কারণে তাদের মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব ও শ্বাসকষ্টের মতো শারীরিক সমস্যা হচ্ছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে কারখানার সরাসরি চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। অনুসন্ধানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে- আবাসিক এলাকায় কারখানাটি পরিচালনার জন্য কী ধরনের অনুমোদন রয়েছে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র আছে কি না। একই সঙ্গে কারখানাটির অবস্থান, উৎপাদন কার্যক্রম এবং স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা কারখানা বন্ধের দাবি করছেন কি না, সেটি কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে। তবে আবাসিক এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক বসবাসের পরিবেশ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সরেজমিনে আকুয়া এলাকার কারখানাটি পরিদর্শন করে এর অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র যাচাই করুন। পাশাপাশি বিড়ি উৎপাদনের গন্ধে স্থানীয়দের যে ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, তার বাস্তবতা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে কারখানার মালিক শাহিন মিয়া বলেন, "শুধু আমার কারখানা নয় এরকম আরো অনেক কারখানা আবাসিক এলাকায় ঘরে উঠেছে। আমি পরিবেশ অনুযায়ী কারখানা চালাচ্ছি।" টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল বলেন, "এটি কোন ভাবেই ছাড়পত্র পাওয়ার যোগ্য নয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবাসিক এলাকায় তো কোন ভাবেই করতে পারবেনা।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ