শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০২ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে বাধা প্রদান করেছে, যা অভিবাসীদের দ্রুত বহিষ্কারের (Deportation) সুযোগ দেয়। আদালত জানায়, অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানানোর কার্যকর সুযোগ প্রদান করা আবশ্যক, অপরিচিত দেশে পাঠানোর আগে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বোস্টনভিত্তিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আপিল আদালতের তিন বিচারকের একটি বেঞ্চ ট্রাম্প প্রশাসনের ‘তৃতীয় দেশে বহিষ্কার’ নীতিকে মূলত অবৈধ ঘোষণা করে নিম্ন আদালতের পূর্বের সিদ্ধান্তকে বহাল রাখে। তবে রায়ের একটি অংশ প্রক্রিয়াগত কারণে বাতিল করা হয়েছে।
বিচারপতি শেথ আফ্রেমের নেতৃত্বে দেওয়া রায়ে উল্লেখ করা হয়, অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে আপত্তি জানানোর ‘অর্থবহ’ সুযোগ দিতে হবে, বিশেষ করে যে দেশে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই, সেখানে পাঠানোর ক্ষেত্রে এই সুযোগ আরও গুরুত্বপূর্ণ।
মামলাটি অভিবাসীদের নিয়ে একটি গণমামলার মাধ্যমে আদালতে গিয়েছে। প্রশ্ন ছিল, নিজ দেশের বাইরে অন্য দেশে বহিষ্কারের আগে অভিবাসীদের কী ধরনের আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মামলাকারীদের আইনজীবী ত্রিনা রিয়েলমুটো বলেন, "আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে নির্যাতন বা নিপীড়নের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষার আইনি অধিকার এড়িয়ে কাউকে এমন একটি বিমানে তুলে দেওয়া যাবে না, যে দেশটি তার বহিষ্কার-সংক্রান্ত আগের প্রক্রিয়ার অংশই ছিল না।"
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্র অন্তত ২৯টি তৃতীয় দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এসব চুক্তির আওতায় ২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে নিজ দেশের পরিবর্তে অন্য দেশে পাঠানো হয়েছে বলে অভিবাসন অধিকার সংগঠনগুলোর পরিচালিত হিসাবের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই মেক্সিকোকে তৃতীয় দেশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
২০২৫ সালের মার্চে নেওয়া নীতির আওতায়, কোনো তৃতীয় দেশের কাছ থেকে নির্যাতন বা নিপীড়নের শিকার না হওয়ার কূটনৈতিক নিশ্চয়তা থাকলে অভিবাসীদের অল্প সময়ের নোটিশে সেখানে পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল।
আদালতে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের বৈধ আদেশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। তবে আপিল আদালত এই ব্যাখ্যা গ্রহণ করেনি।
এখন ট্রাম্প প্রশাসন আপিল আদালতের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে তৃতীয় দেশে বহিষ্কার সংক্রান্ত বিষয়টি দুবার সর্বোচ্চ আদালতে উঠেছে।
২০২৫ সালে সর্বোচ্চ আদালতের একটি সিদ্ধান্তের পর কিউবা, মিয়ানমার ও ভিয়েতনামের নাগরিকসহ আটজনকে দক্ষিণ সুদানে পাঠানোর পথ খুলে যায়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর দক্ষিণ সুদান ভ্রমণের বিরুদ্ধে সতর্কতা জারি করেছিল।
তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের কর্মসূচি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে আপত্তি জানিয়ে আসছে। তাদের অভিযোগ, অপরিচিত দেশে পাঠানোর আগে অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে আপত্তি জানানোর পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয় না।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে তার নীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরেছে।
চলতি মাসেই ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। এর মধ্যে শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের ভিসার ওপর নতুন সীমা আরোপের পরিকল্পনা আটকে দিয়েছে একটি ফেডারেল আদালত। পাশাপাশি আইনসম্মতভাবে বসবাসকারী অভিবাসীরা সরকারি কিছু সুবিধা ব্যবহার করলে তাদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করতে পারে—এমন আরেকটি নীতির বিরুদ্ধেও ২২টি অঙ্গরাজ্য ও ওয়াশিংটন ডিসি মামলা করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা , রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুরে দীর্ঘ সময় ধরে কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষণ করে রাখা ১৫ হাজার বস্তা আলু পচে নষ্ট হয়ে গেছে, যা বেশি লাভের আশায় করা হয়েছিল।
এই ৬০ কেজি ওজনের বস্তাগুলোর মধ্যে থাকা প্রায় ২২ হাজার ৫০০ মণ আলুর বর্তমান খুচরা বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। বর্তমানে পচে যাওয়া আলুগুলো বিনামূল্যে গরুর খাবার হিসেবে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণত আলুর গুণগত মান ধরে রাখতে সংরক্ষণ মৌসুম থেকে সর্বোচ্চ ১০ মাস পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজে আলু রাখা হয়।
তবে, বাজারে বেশি দাম পাওয়ার আশায় মীর হাবিবুর রহমানের মালিকানাধীন মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজে ২০২৫ সালের মার্চে প্রায় ১৫ হাজার বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়। কাঙ্ক্ষিত বাজারমূল্য না পাওয়ায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে আলুগুলো সংরক্ষণ করা হয়।
এতে ধীরে ধীরে আলুর গুণগতমান নষ্ট হয়ে পচন ধরে এবং দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। পচে যাওয়া আলু খোলা জায়গায় ফেলে রাখলে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে— এমন আশঙ্কায় গত দুই দিন ধরে স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের মধ্যে বিনামূল্যে এসব আলু বিতরণ করছে কোল্ড স্টোরেজ কর্তৃপক্ষ।
মাদারীপুর কোল্ড স্টোরেজের ম্যানেজার আব্দুল করিম বলেন, "দীর্ঘদিন স্টোরেজে থাকার কারণে আলুর তাপমাত্রাজনিত সমস্যা হয়েছে এবং আলুর মান নষ্ট হয়ে গেছে। খোলা জায়গায় ফেললে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা থাকায় এগুলো বিনামূল্যে খামারি ও কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে।"
এদিকে, বিপুল পরিমাণ আলু দীর্ঘদিন ধরে মজুত করে রাখায় স্থানীয় বাজারে আলু সরবরাহে প্রভাব পড়েছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন।
মাদারীপুর কাঁচামাল আড়তদার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাসুদ তালুকদার বলেন, "পচা আলু বাজারে বিনামূল্যে দেওয়ার কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং দামেও ধস নামছে।"
অন্যদিকে, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা রুবেল মিয়া জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষণ করা আলু নষ্ট হওয়ার ঘটনায় তাদের আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বাজার স্বাভাবিক রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে নতুন একটি জরিপে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী জিনা হিনোজোসা রিপাবলিকান দলের বর্তমান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন। ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত রেকনএমআর ও টেক্সাস পালসের জরিপ অনুযায়ী, হিনোজোসা ৪৯ শতাংশ সমর্থন অর্জন করেছেন, যেখানে অ্যাবটের সমর্থন ৪৫ শতাংশ।
তবে, এই ৪ শতাংশ ব্যবধান জরিপের ৪ দশমিক ৩ শতাংশ ত্রুটিসীমার মধ্যে পড়ে। ফলে, এটিকে নিশ্চিত নির্বাচনী ফলাফল হিসেবে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
জরিপটি ৮ থেকে ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে টেক্সাসের ৬১৪ জন সম্ভাব্য ভোটারের ওপর পরিচালিত হয়।
স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে বড় ব্যবধান
স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে জরিপের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। তাদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ হিনোজোসাকে সমর্থন করেছেন, অন্যদিকে অ্যাবটের পক্ষে রয়েছেন ২৭ শতাংশ। জুলাই মাসের জরিপে এই ব্যবধান ছিল ৪৯ শতাংশ বনাম ৩৬ শতাংশ।
হিনোজোসার প্রতি ইতিবাচক ধারণা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার পক্ষে-বিপক্ষে জনমত বর্তমানে ৪৮ শতাংশ বনাম ২৭ শতাংশ। জুলাইয়ে এই হার ছিল ৪৩ শতাংশ বনাম ২৫ শতাংশ।
অন্যদিকে, অ্যাবটের প্রতি ইতিবাচক ধারণা ৪৫ শতাংশ এবং নেতিবাচক ধারণা ৫৩ শতাংশ। জুলাইয়ে এই হার ছিল যথাক্রমে ৪৬ ও ৫০ শতাংশ।
ভোটারদের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে ধারণা ভিন্ন। জরিপে দেখা গেছে, ৪৯ শতাংশ ভোটার হিনোজোসাকে ভোট দেওয়ার কথা বললেও, ৬২ শতাংশ মনে করেন শেষ পর্যন্ত অ্যাবটই নির্বাচনে জিতবেন।
জরিপ বিশ্লেষক লিন্ডসে হেনড্রেন মন্তব্য করেন, গত তিন মাসে পরিবর্তনের বড় অংশই স্বতন্ত্র ভোটারদের অবস্থান বদলের সঙ্গে সম্পর্কিত। জুলাইয়ে স্বতন্ত্র ভোটারদের মধ্যে হিনোজোসার ব্যবধান ছিল ১৩ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বরে বেড়ে ৩৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
কোন বিষয়ে কে এগিয়ে
ভোটারদের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো এবং টেক্সাসের পানির সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় হিনোজোসাকে তুলনামূলকভাবে বেশি উপযুক্ত মনে করা হয়েছে। দাম সাশ্রয়ী করার ক্ষেত্রে হিনোজোসার পক্ষে মত দিয়েছেন ৫১ শতাংশ, অ্যাবটের পক্ষে ৪৪ শতাংশ। পানির সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় হিনোজোসার পক্ষে ৪৯ শতাংশ এবং অ্যাবটের পক্ষে ৪৩ শতাংশ ভোটার মত দিয়েছেন।
অন্যদিকে, মেক্সিকো সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে অ্যাবট এগিয়ে রয়েছেন। এ বিষয়ে অ্যাবটের পক্ষে ৫৩ শতাংশ এবং হিনোজোসার পক্ষে ৩৯ শতাংশ ভোটার মত দিয়েছেন। টেক্সাসের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও অ্যাবট ৪৯ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন, যেখানে হিনোজোসা পেয়েছেন ৪৪ শতাংশ।
তথ্যকেন্দ্র নির্মাণের ব্যবস্থাপনায় দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান কম—৪৫ শতাংশ ভোটার হিনোজোসার পক্ষে এবং ৪২ শতাংশ অ্যাবটের পক্ষে মত দিয়েছেন।
অন্য জরিপগুলোতে কী দেখা গেছে
সাম্প্রতিক অন্যান্য জরিপে অ্যাবটকে এগিয়ে থাকতে দেখা গেছে। ১৫ সেপ্টেম্বরের মেসন-ডিক্সন জরিপে অ্যাবট ৪৮ শতাংশ এবং হিনোজোসা ৪১ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। ১৩ সেপ্টেম্বরের সো-ক্যাল স্ট্র্যাটেজিস জরিপে অ্যাবট ৫২ শতাংশ এবং হিনোজোসা ৪৪ শতাংশে ছিলেন। ৯ সেপ্টেম্বরের এন প্লাস ও ইউনিভিশন জরিপে দুই প্রার্থীই ৪৭ শতাংশ করে সমর্থন পেয়েছেন। ২৭ আগস্টের টেক্সাস পাবলিক ওপিনিয়ন রিসার্চ জরিপে অ্যাবট ৪৯ শতাংশ এবং হিনোজোসা ৪২ শতাংশে ছিলেন। ২৫ আগস্টের টেক্সাস পলিটিকস প্রজেক্টের জরিপে অ্যাবট ৪৫ শতাংশ এবং হিনোজোসা ৪০ শতাংশ সমর্থন পেয়েছিলেন।
সূত্র: ইউএসএ টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলি হত্যার ঘটনার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আসামী মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছে উত্তেজিত গ্রামবাসী।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা এবং শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে, পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলুনিয়া ও আশেপাশের গ্রাম থেকে আসা উত্তেজিত জনতা একত্রিত হয়ে মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়ির ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ আগে থেকেই উপস্থিত ছিল, তবে গ্রামবাসীর তুলনায় পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় তারা বাধা দিতে পারেননি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় শিশু শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি। তার পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে খুঁজে পাননি।
নিখোঁজের সাতদিন পর, বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কুলুনিয়া গ্রামে কলির বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় নিহত শিশুর প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক এবং তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘটনার দিন হত্যার আগে গ্রেপ্তারকৃতরা মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনে ঘরের মধ্যে নিয়ে গিয়ে কলিকে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে শিশুটিকে তারা হত্যা করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি হাই স্কুলের ফুটবল ম্যাচে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হয়েছিল। তবে, জেফারসন সিটি স্কুলস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, দীর্ঘ তদন্তের পর এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
১১ সেপ্টেম্বর জেফারসন হাই স্কুল এবং মেনার্ড জ্যাকসন হাই স্কুলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচের পর এই অভিযোগগুলো সামনে আসে। অভিযোগের মধ্যে ছিল, মেনার্ড জ্যাকসনের খেলোয়াড় ও ব্যান্ড দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী শব্দ ব্যবহার, তাদের দিকে থুতু ছোড়া, খাবারে থুতু দেওয়া এবং ম্যাচে কনফেডারেট পতাকা প্রদর্শন করা।
জেফারসন সিটি স্কুলস অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নামার সিদ্ধান্ত নেয়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করার মতো কোনো তথ্য তাদের হাতে আসেনি।
তদন্তের অংশ হিসেবে ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী, কর্মী, স্বেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তাকর্মীর বক্তব্য এবং লিখিত বিবৃতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, মেমোরিয়াল স্টেডিয়ামের ৫৪টি ক্যামেরার ধারণ করা ভিডিও ফুটেজও পর্যালোচনা করা হয়েছে।
তবে, তদন্তে মেনার্ড জ্যাকসন ব্যান্ড দলের সদস্যদের স্টেডিয়াম থেকে বের হওয়ার সময় একটি হাতাহাতির ঘটনা সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ঘটনায় জড়িত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি জেফারসন সিটি স্কুলসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন।
জেফারসন সিটি স্কুলস জানিয়েছে, মেনার্ড জ্যাকসন স্কুল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার বিষয়ে আলাদাভাবে তদন্ত করছে।
ম্যাচের পর অভিযোগ উঠেছিল যে, মেনার্ড জ্যাকসনের দলের বাসগুলোকে স্টেডিয়ামের সামনে নামতে দেওয়া হয়নি। তবে, জেফারসন উচ্চবিদ্যালয় জানিয়েছে, প্রতিপক্ষ দলের সব বাসই দর্শনার্থীদের প্রবেশপথের সামনে যাত্রী নামানো ও ওঠানোর সুযোগ পেয়েছিল।
পার্কিং সংক্রান্ত বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মেমোরিয়াল স্টেডিয়ামের নির্দিষ্ট জায়গাগুলো জেফারসন উচ্চবিদ্যালয়ের সমর্থক সংগঠনের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত। অতিরিক্ত গাড়ির জন্য কাছের একটি গির্জায় পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং সেখান থেকে বাসে যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছে, এসব ব্যবস্থা নতুন নয় এবং কোনো দলের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে পরিবর্তন করা হয় না।
তদন্তের তথ্য যাচাইয়ে সহযোগিতা করায় মেনার্ড জ্যাকসন স্কুল কর্তৃপক্ষ ও জর্জিয়া উচ্চবিদ্যালয় ক্রীড়া সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে জেফারসন সিটি স্কুলস। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোকে ঘিরে পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় তারা হতাশা প্রকাশ করেছে।
সূত্র: ইউএসএ টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ