মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১০ পি.এম
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে বৃক্ষরোপণ ও লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ মঙ্গলবার সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন– বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ দলটির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপি নেতারা উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শনকে সামনে রেখে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে হবে। একই সঙ্গে দেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে রাশিয়ার পরিচালিত ‘ব্যাপক’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহত হয়েছেন আরও এক ডজনের বেশি মানুষ।
মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
গ্রীষ্মের ছুটির পর মঙ্গলবার ইউক্রেনের শিশুদের স্কুলে ফেরার কথা ছিল। তবে সম্ভাব্য আরও রুশ হামলার আশঙ্কায় দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে জানান, ‘কিয়েভ অঞ্চলে রাতে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও হামলাকারী ড্রোনের মাধ্যমে বড় ধরনের হামলা চালানো হয়েছে।’
মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীতে অবস্থানরত এএফপি’র সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, প্রায় এক ডজন বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এ সময় আকাশে আলোর ঝলকানিও দেখা যায়। এর কিছুক্ষণ আগে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী কিয়েভের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আসার বিষয়ে সতর্ক করেছিল।
কিয়েভ শহরের সামরিক প্রশাসন জানায়, রাজধানীতে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন।
কিয়েভের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত বরিসপিল এলাকায় হামলায় একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে একজন নিহত এবং একজন আহত হওয়ার খবর জানিয়েছেন তাকাচেঙ্কো।
এছাড়া একটি আবাসিক ভবনে হামলার ঘটনায় আরও আটজন আহত হয়েছেন।
এর আগে, ইউক্রেনের বিমানবাহিনী সতর্ক করে বলেছিল, ‘কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় ব্যালিস্টিক অস্ত্রসহ অন্যান্য ধরনের হামলার ঝুঁকি এখনো রয়েছে।’
এছাড়া বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার ইউক্রেনের শিশুরা নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ফিরছে। এ কারণে কিয়েভ আঞ্চলিক সামরিক প্রশাসন উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বড় ধরনের কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন না করার নির্দেশ দিয়েছে।
সাম্প্রতিক কয়েক সপ্তাহ ধরে কিয়েভ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন হামলার শিকার হচ্ছে। হামলায় জেট-চালিত ড্রোনও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব হামলার কারণে কিছু দিন রাজধানী ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় উপর্যুপরি হামলার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সপ্তাহান্তে কিয়েভের উপকণ্ঠে একটি গোলাবারুদের গুদামে রুশ হামলায় ৩৮ জন নিহত হন।
সাম্প্রতিক কয়েক মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই দূরপাল্লার হামলা বৃদ্ধি করেছে। এসব হামলায় গুদাম, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, তেল ও বন্দর স্থাপনাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। হামলায় জাহাজও আক্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে।
এদিকে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে ব্যবহৃত বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের সংকটে রয়েছে ইউক্রেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নেপালের চীন সীমান্তের নিকটবর্তী অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বর্তমানে ৩ হাজার ৯২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করেছে। উদ্ধার অভিযান বর্তমানে ষষ্ঠ দিনে প্রবাহিত হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে এই খবরটি জানানো হয়েছে।
এর পূর্বে, চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়েছিল, তিব্বতে বন্যার ফলে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। ফলে, নেপাল ও চীনে মোট মৃতের সংখ্যা ৯৫৫ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৪ হাজার ৪৭১ এ পৌঁছেছে।
নেপালের নিখোঁজদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ৫৯২ জন বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
এছাড়া, বন্যার প্রবল স্রোতের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে নিখোঁজ শ্রমিকের সংখ্যা সোমবার ৯৩৩ থেকে কমে ৬৩৯ জনে নেমে এসেছে।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, দেশটির ৩ হাজার ৩৩৩ জন নাগরিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এর মধ্যে, নুওয়াকোট জেলায় ১ হাজার ১৫৮ জন এবং রাসুয়া জেলায় ৮৬৫ জনের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
নিখোঁজদের মধ্যে নেপাল সেনাবাহিনীর ৪৫ জন সদস্য, ৩৮ জন পুলিশ কর্মকর্তা এবং শুল্ক ও অভিবাসন বিভাগের ১৮ জন কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
এদিকে, ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নেপাল থেকে প্রবাহিত নদীগুলোতে তারা ১৭টি লাশ উদ্ধার করেছেন।
এগুলো নিখোঁজ বা মৃত ব্যক্তিদের লাশ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লাশগুলোর পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। তবে, এই লাশগুলো নেপাল ও চীনের মোট মৃতের সংখ্যা হিসেবে গণনা করা হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিভিন্ন পর্যায়েও যুক্তরাষ্ট্র একাধিকবার দেশটির ভূখণ্ডে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। ৮ এপ্রিল প্রথম যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অন্তত ১৫টি পৃথক সময়পর্বে মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই হামলাগুলো ২৫ মে, ২৭ মে, ৩০ মে, ৩১ মে, ২ জুন, ৫ জুন, ৯ জুন, ১০ জুন, ২৬ জুন, ২৭ জুন, ৭ জুলাই, ৮ জুলাই, ১১ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত এবং সর্বশেষ ৩০ আগস্টের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইরানের রাডার স্থাপনা, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ও উৎপাদন সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হুমকি বা হামলার জবাব হিসেবে এসব সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। দুই দেশের মধ্যে ১৭ জুন একটি যুদ্ধবিরতি কাঠামো নিয়ে সমঝোতা হলেও পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় তা কার্যত ভেঙে পড়ে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সমঝোতা বাতিল বলে ঘোষণা করেন।
জুলাই মাসে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১১ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা কয়েক দফা মার্কিন সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর বিষয়টি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল জর্ডান, বাহরাইন, কুয়েত ও কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামরিক অবস্থানগুলো। একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও ব্যাহত হয়।
সর্বশেষ ৩০ আগস্ট মার্কিন বাহিনী ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী স্থাপনা বা লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ফলে যুদ্ধবিরতি বা উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক সংঘাত পুরোপুরি থামেনি। বরং বিভিন্ন সময়ে পাল্টাপাল্টি হামলার মাধ্যমে সংঘাত নতুন করে তীব্র হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের ঘোষণা আসার পর আলবিসেলেস্তে শিবির কান্নায় ভেসে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে বিদায় জানাতে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের সতীর্থরা যেসব আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী বার্তা প্রদান করেছেন, তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ এখানে তুলে ধরা হলো—
রদ্রিগো ডি পল (মিডফিল্ডার)
"আমাদের দেশের প্রতি তোমার নিঃশর্ত ভালোবাসার জন্য, হাল না ছাড়ার যে মানসিক লড়াই তার জন্য, অন্যায়ের সামনে দাঁড়িয়ে তোমার অদম্য শক্তির জন্য, ক্যাম্পে আসা প্রত্যেক খেলোয়াড়ের প্রতি তোমার নেতৃত্ব ও মানবিকতার জন্য এবং জাতীয় দলের সবার প্রতি তোমার সদয় আচরণের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ। সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়, তোমাকে ধন্যবাদ। তুমি কল্পনাও করতে পারবে না কত হাসি তুমি ফুটিয়েছ। আমাদের স্মৃতিতে আজীবন তুমি অবিনশ্বর হয়ে থাকবে।"
লিয়ান্দ্রো পারেদেস (মিডফিল্ডার)
"একজন আর্জেন্টাইন, একজন জাতীয় দলের ভক্ত, একজন সতীর্থ ও একজন বন্ধু হিসেবে তুমি আমাকে যা দিয়েছ, তার জন্য ধন্যবাদ। যখন তোমাকে নিয়ে কথা বলতে হয়, তোমার কীর্তি এবং একজন খেলোয়াড় ও একজন মানুষ হিসেবে তোমার মহানুভবতা নিয়ে বলতে হয়, তখন ভাষা ফুরিয়ে যায়। আমি খুব সৌভাগ্যবান যে তোমার পাশে আমাদের জাতীয় দলের সঙ্গে এই চমৎকার পথচলায় খেলতে পেরেছি। যে অবিস্মরণীয় মুহূর্ত তুমি আমাদের সবাইকে উপহার দিয়েছ, সেজন্য আমাদের দেশ সবসময় তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।"
এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (গোলরক্ষক)
"আমাদের জন্য ও সব আর্জেন্টাইনের জন্য তুমি যা করেছ, তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। কিন্তু আমাকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন করানোর জন্য এবং এমন এক উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ, যা আমি কোনোদিন কল্পনাও করিনি। আমার শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে, ধন্যবাদ।"
ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (ডিফেন্ডার)
"আমি তোমাকে ভালোবাসি, তোমার প্রতি আমার অসীম শ্রদ্ধা আছে। তুমি আমাকে ও আমাদের দেশকে যা কিছু দিয়েছ, তার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ, ক্যাপ্টেন।"
নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (ডিফেন্ডার)
"সারাজীবনের স্মৃতির জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।"
সতীর্থদের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, লিওনেল মেসি কেবল একজন সতীর্থ বা অধিনায়ক ছিলেন না; বরং পুরো আর্জেন্টিনা দলের প্রেরণা ও অভিভাবক হিসেবে তিনি অবস্থান করছিলেন। তার অবসর নেওয়া আর্জেন্টিনা ফুটবলে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ