ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টানা বৃষ্টিতে পানির নিচে কুমিল্লা, জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত জনজীবন


টানা বৃষ্টিতে পানির নিচে কুমিল্লা, জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত জনজীবন

কুমিল্লা নগরীর বিস্তীর্ণ এলাকা টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। মাত্র তিন ঘণ্টার প্রবল বর্ষণে প্রধান সড়ক, অলিগলি ও আবাসিক এলাকাগুলোতে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও পানি হাঁটুসমান, আবার কোথাও কোমরসমান জমে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। নিম্ন আয়ের পরিবার, দিনমজুর ও কর্মজীবী মানুষের সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালবেলা নগরীর অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার কারণে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। অফিসগামী মানুষদের কর্মস্থলে যেতে দীর্ঘ ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

জলাবদ্ধতার কারণে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ এবং কুমিল্লা সরকারি কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। অনেক পরীক্ষার্থীকে পানি মাড়িয়ে, আবার অনেককে নৌকায় করে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের নিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নগরীর জিলা স্কুল সড়ক, পুলিশ লাইনস, রেসকোর্স, চর্থা, ঠাকুরপাড়া, বিসিক শিল্পনগরী, গোবিন্দপুর, মুরাদপুর এবং শহরতলীর ছায়াবিতান এলাকায় সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা গেছে। বিভিন্ন বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নিচু এলাকায় পানি ঢুকে যাওয়ার ফলে অনেকের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক স্থানে ড্রেন উপচে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত পানি সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় জনদুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

কুমিল্লা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩৮ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সোমবার ভোর থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মাত্র তিন ঘণ্টায় রেকর্ড হয়ে গেছে ১০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, দিনভর আরও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা বিদ্যমান। ফলে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেরুতে হলান্ডের নামে শিশুদের নাম রাখার প্রবণতা বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


পেরুতে হলান্ডের নামে শিশুদের নাম রাখার প্রবণতা বেড়েছে

ইউরোপের ফুটবল খোঁজ-খবর রাখার সমর্থকদের মধ্যে আরলিং হলান্ড একটি সুপরিচিত নাম। এমনকি যারা ফুটবল তেমন দেখেন না, তারাও ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিনকে সহজে চেনেন। তবে হলান্ড এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ভিন্নমাত্রার জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

যখন হলান্ড বড় বড় পা ফেলে দৌড়ান, তখন তার লম্বা সোনালী চুল বাতাসে উড়ে যায়। কখনও কখনও সেগুলোকে বাঁধা থাকে ব্যান্ড দিয়ে। নরওয়েজিয়ান তারকার এমন দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই ঘুরপাক খায়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ্বকাপে তার ৭ গোল (যার মধ্যে ২টি গোল ব্রাজিলের বিপক্ষে) ও এক অ্যাসিস্টের দারুণ ফর্ম, ফলে সাধারণ মানুষের মনে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন।

হলান্ডের এই জনপ্রিয়তা পেরুতেও পৌঁছে গেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে তার নামে শিশুদের নামকরণের এক হিড়িক সৃষ্টি হয়েছে। পেরুভিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘পেরু ২১’ সংবাদ সংস্থা অ্যান্দিনার বরাত দিয়ে এই খবরটি জানিয়েছে।

দেশটির জাতীয় পরিচয় ও নাগরিক নিবন্ধন সংস্থা রেনিয়েকের তথ্যানুসারে, ‘হলান্ড’ নামে ৪৬৮ জন নবজাতকের নাম নিবন্ধিত হয়েছে আর ৯১ জন শিশুর পুরো নাম রাখা হয়েছে ‘আরলিং হলান্ড’। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব নিবন্ধনের অধিকাংশই ঘটেছে। নরওয়ে যখন ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল, তখন এই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।

রেনিয়েকের মুখপাত্র ইভান তোরেস অ্যান্দিনাকে বলেন, ‘বিশ্বের বড় ফুটবল তারকারা পেরুর মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন, যাতে তারা নিজেদের সন্তানদের আকর্ষণীয় ও বিখ্যাত নাম দিতে পারেন। মানুষকে এই ধরনের নাম ব্যবহার করতে আমরা নিষেধ করি না।’

ফুটবল তারকাদের নামে নামকরণের ঘটনা পেরুতে নতুন নয়। রেনিয়েকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৩ হাজার ৪০২ জনের নাম ‘মেসি’, যার মধ্যে ২৯২ জনের পুরো নাম ‘লিওনেল মেসি’। এক হাজার ১৮৫ জনের নাম ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো’, এক হাজার ২৪১ জনের নাম ‘ইয়ামাল’, ২৩৮ জনের নাম ‘এমবাপ্পে’ এবং ৩৩ হাজার ৮০৯ জনের নাম ‘নেইমার’ রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমুদ্রের তলদেশে যাত্রা শুরু মানুষের প্রথম আধুনিক বাসস্থানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


সমুদ্রের তলদেশে যাত্রা শুরু মানুষের প্রথম আধুনিক বাসস্থানের

মহাকাশে মানুষের বসবাসের জন্য স্পেস স্টেশনের কথা বহু মানুষের জানা। তবে এবার পৃথিবীর সমুদ্রের গভীরতাতেও শুরু হলো একটি নতুন অধ্যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে সমুদ্রের তলায় চালু হয়েছে মানুষের তৈরি আধুনিক সাবসি হ্যাবিট্যাট ‘ভ্যানগার্ড’। এখানে বিজ্ঞানীরা টানা কয়েক সপ্তাহ এমনকি কয়েক মাস পর্যন্ত অবস্থান করে গবেষণা চালাতে পারবেন।

সমুদ্র প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান ডিপ নির্মিত এই পানির নিচের বাসস্থানটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা কিজ ন্যাশনাল মেরিন স্যাঙ্কচুয়ারির টেনেসি রিফে পানির প্রায় ১৭ মিটার গভীরে স্থাপন করা হয়েছে। এই স্থায়ী প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্মিত ভ্যানগার্ডে একসাথে চারজন ক্রু সদস্য থাকতে পারবেন।

ভ্যানগার্ডের অন্যতম প্রথম ক্রু সদস্য এবং নাসার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অ্যাকুয়ানট ডন কার্নাগিস বলেন, সমুদ্রের তলদেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে পারায় বিজ্ঞানীরা আগের তুলনায় আরও নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত গবেষণা পরিচালনা করতে পারবেন।

গভীর সমুদ্র থেকে নমুনা ওপরে তোলার সময় সাধারণত চাপের পরিবর্তনের কারণে তার আণবিক ও কোষীয় গঠনে পরিবর্তন ঘটে। ফলে প্রকৃত অবস্থা বিশ্লেষণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। কিন্তু ভ্যানগার্ডে সমুদ্রের তলদেশের সমান চাপ বজায় রেখে রিয়েল-টাইমেই নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হবে।

ভ্যানগার্ড মূলত একটি বড় ডিকম্প্রেশন চেম্বারের মতো কাজ করে। এখানে অবস্থানকারী গবেষকরা স্যাচুরেশন ডাইভার হিসেবে কাজ করবেন। ফলে তারা প্রচলিত স্কুবা ডাইভিংয়ের ৬০ মিনিটের সীমাবদ্ধতা ছাড়িয়ে টানা কয়েক সপ্তাহ বা মাসজুড়ে পানির নিচে কাজ করতে পারবেন। বিশেষ আম্বিলিক্যাল পাইপের মাধ্যমে তারা সরাসরি বাতাস নিয়ে হ্যাবিট্যাট থেকে বের হয়ে সমুদ্রের তলদেশে দীর্ঘ সময় গবেষণা পরিচালনা করতে পারবেন।

স্টেশনটির অন্যতম আকর্ষণ ‘মুন পুল’। এটি একটি নিচের দিকে খোলা প্রবেশপথ, যেখানে ভেতরের ও বাইরের চাপ সমান থাকলে দরজা খোলা থাকলেও ভেতরে পানি প্রবেশ করে না। ফলে গবেষকরা হ্যাবিট্যাটের ভেতর থেকেই সরাসরি সমুদ্রে প্রবেশ করতে পারেন।

ভ্যানগার্ডের সঙ্গে ভূপৃষ্ঠের সংযোগ রক্ষা করতে একটি ভাসমান বয়ার মাধ্যমে বাতাস, বিদ্যুৎ এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংরক্ষণ ও নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও।

বর্তমানে এই সাবসি হ্যাবিট্যাট মূলত বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং সামুদ্রিক পরিবেশ পুনরুদ্ধারের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, প্রতিরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিপ জানিয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে তারা ‘সেন্টিনেল’ নামে আরও উন্নত সাবসি হ্যাবিট্যাট চালু করতে চায়। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন মহীসোপানে স্বল্পমেয়াদি কিংবা স্থায়ীভাবে মানববসতি স্থাপনের পথ আরও সহজ হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আশা, ভবিষ্যতে শুধু বিজ্ঞানী নন, শিল্পী, শিক্ষার্থী, ইতিহাসবিদ, শিক্ষাবিদ এমনকি নীতিনির্ধারকরা সমুদ্রের তলদেশে অবস্থান করে সামুদ্রিক পরিবেশকে কাছ থেকে জানার সুযোগ পাবেন।

সূত্র: সায়েন্স অ্যালার্ট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুনের শেষ ৮ দিনে ইউরোপে প্রা ণ হারিয়েছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


জুনের শেষ ৮ দিনে ইউরোপে প্রা ণ হারিয়েছেন ১০ হাজারের বেশি মানুষ

গত জুনের শেষের দিকে ইউরোপ জুড়ে টানা আট দিনের তাপপ্রবাহের ফলে ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। ইউরোপ ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউরোমোমো রোববার (১২ জুলাই) তাদের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ইউরোমোমো হল ইউরোপের ২৭টি দেশের জোট, যা ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জাতিসংঘের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা বিষয়ক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) দ্বারা পরিচালিত একটি জরিপ সংস্থা।

প্রতিবেদনে সংস্থাটির পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২০ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত আট দিনের ধারাবাহিক যে তাপপ্রবাহ চলেছিল, তার জন্যই ইইউভুক্ত ২৭টি দেশে এই ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে প্রায় ৯ হাজার জনের বয়স ৬৫ বছর বা তার কিছু ভেতরে রয়েছে।

মৃতদের মধ্যে অনেকেই ‘হিট-স্ট্রোক’ বা গরমজনিত কারণে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসতন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

ডেনমার্কের স্ট্যাটেন্স সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান চিকিৎসক লাসে ভেস্টারগার্ড ইউরোমোমোর একজন কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে রয়টার্সকে বলেন, "তাদের মৃত্যু হয়েছে তাপপ্রবাহের ফলে সৃষ্ট প্রচণ্ড গরমের কারণে। এর পিছনে আর কোনো ব্যাখ্যা নেই। মৃতের এই সংখ্যা সত্যিই অনেক বেশি, এবং বছরের এই সময়ে এত অল্প সময়ের মধ্যে এত সংখ্যক মৃত্যু মোটেও স্বাভাবিক নয়।"

ইইউভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোন দেশে কতজনের মৃত্যু হয়েছে সে সম্পর্কে ইউরোমোমোর প্রতিবেদনে নির্দিষ্টভাবে কিছু বলা হয়নি, তবে এই মৃতদের একটি বড় অংশ ফ্রান্স এবং বেলজিয়ামে রয়েছে বলে জানা গেছে।

সরকারি তথ্য জানাচ্ছে, গরম এবং তাপপ্রবাহের কারণে ইইউভুক্ত কয়েকটি দেশের সম্মিলিতভাবে প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৫০০ জনের মৃত্যু ঘটছে। গত আট সপ্তাহ ধরে এই পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ক অঙ্গসংস্থা ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোলের (ইসিডিপিসি) রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে, ইউরোপে এক সপ্তাহে সর্বাধিক মৃত্যুর রেকর্ডটি করোনা মহামারীর সময় সংঘটিত হয়েছিল। ২০২০ সালের মে-জুন মাসে মহামারীর চূড়ান্ত সময়ে এক সপ্তাহে ১ হাজার ৬৫০ জনের অধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ইউরোপে।

ইউরোপের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, জুনের এই তাপপ্রবাহের জন্য মানবসৃষ্ট জলবায়ুর পরিবর্তন দায়ী, এবং সামনের বছরের মধ্যে এমন তাপপ্রবাহগুলি আবার ফিরতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৭ বছরে ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি, আরও ৫ দিন ভারি বর্ষণের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


১৭ বছরে ঢাকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টি, আরও ৫ দিন ভারি বর্ষণের শঙ্কা

রাজধানী ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দ্বারা, যা গত ১৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে একদিনে সর্বোচ্চ ৩৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছিল।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তিনি বলেছেন, বর্ষা মৌসুমে এমন বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক, তবে বর্তমানে এর তীব্রতা তুলনামূলকভাবে বেশী।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের মধ্যে চট্টগ্রামে ১৬০ মিলিমিটার, আমবাগানে ১৪০ মিলিমিটার, কক্সবাজারে ১১৩ মিলিমিটার এবং ফরিদপুরে ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

১৩ জুলাইয়ের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ এবং খুলনা বিভাগের অধিকাংশ স্থানে এবং ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দেশের কিছু স্থানে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

১৪ জুলাই রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন রংপুর ও রাজশাহীর কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

এদিকে ১৫ ও ১৬ জুলাই খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য অঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এসব বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

অন্যদিকে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিভাগের পাঁচ জেলায় বন্যা ও পাহাড়ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজারে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ৬ জন, রাঙ্গামাটিতে ৩ জন, এবং মৌলভীবাজারে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%