১১:২৩ এম
ইউরোপের ফুটবল খোঁজ-খবর রাখার সমর্থকদের মধ্যে আরলিং হলান্ড একটি সুপরিচিত নাম। এমনকি যারা ফুটবল তেমন দেখেন না, তারাও ম্যানচেস্টার সিটির এই গোলমেশিনকে সহজে চেনেন। তবে হলান্ড এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ভিন্নমাত্রার জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
যখন হলান্ড বড় বড় পা ফেলে দৌড়ান, তখন তার লম্বা সোনালী চুল বাতাসে উড়ে যায়। কখনও কখনও সেগুলোকে বাঁধা থাকে ব্যান্ড দিয়ে। নরওয়েজিয়ান তারকার এমন দৃশ্যের ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই ঘুরপাক খায়। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে বিশ্বকাপে তার ৭ গোল (যার মধ্যে ২টি গোল ব্রাজিলের বিপক্ষে) ও এক অ্যাসিস্টের দারুণ ফর্ম, ফলে সাধারণ মানুষের মনে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন।
হলান্ডের এই জনপ্রিয়তা পেরুতেও পৌঁছে গেছে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে তার নামে শিশুদের নামকরণের এক হিড়িক সৃষ্টি হয়েছে। পেরুভিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘পেরু ২১’ সংবাদ সংস্থা অ্যান্দিনার বরাত দিয়ে এই খবরটি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
দেশটির জাতীয় পরিচয় ও নাগরিক নিবন্ধন সংস্থা রেনিয়েকের তথ্যানুসারে, ‘হলান্ড’ নামে ৪৬৮ জন নবজাতকের নাম নিবন্ধিত হয়েছে আর ৯১ জন শিশুর পুরো নাম রাখা হয়েছে ‘আরলিং হলান্ড’। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব নিবন্ধনের অধিকাংশই ঘটেছে। নরওয়ে যখন ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল, তখন এই সংখ্যা আরও বেড়ে যায়।
রেনিয়েকের মুখপাত্র ইভান তোরেস অ্যান্দিনাকে বলেন, ‘বিশ্বের বড় ফুটবল তারকারা পেরুর মানুষকে অনুপ্রাণিত করেন, যাতে তারা নিজেদের সন্তানদের আকর্ষণীয় ও বিখ্যাত নাম দিতে পারেন। মানুষকে এই ধরনের নাম ব্যবহার করতে আমরা নিষেধ করি না।’
ফুটবল তারকাদের নামে নামকরণের ঘটনা পেরুতে নতুন নয়। রেনিয়েকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৩ হাজার ৪০২ জনের নাম ‘মেসি’, যার মধ্যে ২৯২ জনের পুরো নাম ‘লিওনেল মেসি’। এক হাজার ১৮৫ জনের নাম ‘ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো’, এক হাজার ২৪১ জনের নাম ‘ইয়ামাল’, ২৩৮ জনের নাম ‘এমবাপ্পে’ এবং ৩৩ হাজার ৮০৯ জনের নাম ‘নেইমার’ রয়েছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন