০৬:০৩ পি.এম
ভারতের সংসদের পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক করার সুপারিশ জানিয়েছে। কমিটি বলেছে, বাংলাদেশিদের ভিসা প্রক্রিয়াকরণ হ্রাস এবং নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক এবং ইতিবাচক ধারণার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশের সময় ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির নবম প্রতিবেদনে সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।
সুপারিশে কমিটি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কমে যাওয়া এবং নিরাপত্তাজনিত বিধিনিষেধ দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক ও ইতিবাচক ধারণার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি জনগণের যোগাযোগেও বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন অপরিহার্য বলে জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পারস্পরিক আস্থা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়াও, দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ভিসা নীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি, এবং বৈধ ভ্রমণকারীরা যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বলা হয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশেরpolitical pটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির জন্য দেশে ভিসা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করা হয়েছিল এবং কনস্যুলার কর্মীদেরও প্রত্যাহার করা হয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভিসা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই চিকিৎসা-সংক্রান্ত ভিসা। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন