ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাকের ধাক্কায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই বাইকার আহত


ট্রাকের ধাক্কায় এক্সপ্রেসওয়েতে দুই বাইকার আহত

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে একটি অজ্ঞাতনামা ট্রাকের আঘাতে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।

এই দুর্ঘটনাটি ঘটে বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার সমষপুর ব্রিজের ওপরে।

আহত দুইজনের নাম আতুল গাজী (২৭) এবং ইফরাত হোসেন (২৬)। তাদের বাড়ি ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, তারা মাওয়া ঘাটে ঘুরতে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, ভোর ৪টার দিকে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনে খবর আসে যে, শ্রীনগর উপজেলার সমষপুর ব্রিজের ওপর মাওয়ামুখী লেনে একটি মোটরসাইকেলকে পেছন থেকে একটি অজ্ঞাত ট্রাক সজোরে আঘাত করে।

এই কারণে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে যায়।

খবর পাওয়ার পর শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত, নির্ধারিত গতিসীমা মেনে চলতে হবে এবং গাড়ি চালানোর সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যমুনা সেতু মহাসড়কে গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত, ভোগান্তিতে চালক-যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


যমুনা সেতু মহাসড়কে গ্যাস পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত, ভোগান্তিতে চালক-যাত্রীরা

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের চার লেনের কাজের সময় গ্যাস লাইনের প্রধান পাইপ ফেটে যাওয়ার কারণে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে আন্ডারপাসের পাইলিং করতে গিয়ে এই পাইপ ফেটে যায়।

টাঙ্গাইল ট্র্যাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) হারুন জানান, বিকেলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে আন্ডারপাসের পাইলিংয়ের কাজের সময় উল্লেখযোগ্য শব্দে গ্যাসের মেইন পাইপ ফেটে যায়। এরপর পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গগামী যান চলাচল ধীরগতি হয়ে যায়। ঘটনাস্থলের কাছাকাছি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অতিবৃষ্টির ক্ষতি, মানিকগঞ্জে বিপাকে প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


অতিবৃষ্টির ক্ষতি, মানিকগঞ্জে বিপাকে প্রায় পাঁচ হাজার কৃষক

মানিকগঞ্জে অতিবৃষ্টির ফলে তৈরি হওয়া বন্যার কারণে জেলার ৪ হাজার ৮৮৫ জন কৃষক ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। শত শত হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা এখন গভীর সংকটে রয়েছেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ গণমাধ্যমকে জানান, কৃষি মন্ত্রণালয় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিবেদন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এবং স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য পর্যালোচনা করার পর, মানিকগঞ্জসহ সারাদেশে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও প্রণোদনার বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

কৃষি বিষয়ক তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত মাত্র এই সপ্তাহে মানিকগঞ্জ জেলায় ৩০১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে জেলার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি প্লাবিত হয়ে যায়। এর ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

এ ব্যাপারে সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এবং মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে মানিকগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য জরুরি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ করেছেন।

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, যদি কৃষকদের দ্রুত সহায়তা না দেওয়া হয়, তাহলে আগামী মৌসুমের উৎপাদনও ব্যাহত হতে পারে এবং জেলার কৃষি অর্থনীতি আরো বিপর্যস্ত হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে জানান, মানিকগঞ্জে সম্প্রতিক অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের পক্ষে এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা খুবই কঠিন। তিনি বলেন, কৃষকরা যেন দ্রুত আবার চাষাবাদে ফিরতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই জরুরিভিত্তিতে পুনর্বাসন সহায়তা ও কৃষি প্রণোদনা দেওয়ার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, মানিকগঞ্জ রাজধানীর সন্নিকটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদনকারী জেলা। এখানকার কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সময়মতো সহায়তা প্রদান অপরিহার্য। যদি প্রয়োজনীয় বীজ, সার, কৃষি উপকরণ ও অন্যান্য সহায়তা দ্রুত পৌঁছানো সম্ভব হয়, তাহলে তারা আগামী মৌসুমে পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারবেন।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, কৃষকদের এই দুর্যোগ কাটিয়ে উঠতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করবে। কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। যদি তাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা যায়, তবে জেলার কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকতে পারে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি উৎপাদনকারী জেলা। এই জেলার প্রায় ২৩৯ শতাংশ শস্য নিবিড়তার কারণে ধান, পাট, সরিষা, ভুট্টা, মরিচ, পেঁপে এবং বিভিন্ন ধরনের সবজি উৎপাদনে পরিচিত। রাজধানীর নিকটবর্তী হওয়ায় এখানকার উৎপাদিত সবজি ঢাকার বাজারের উল্লেখযোগ্য চাহিদা পরিপূরণ করে। তাই, জেলার কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতি স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি রাজধানীর কৃষিপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।

চলতি মৌসুমে জেলায় ৯০০ হেক্টর জমিতে পেঁপে, ১০ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা, ২২১ হেক্টর পাট, ৪ হাজার ৫২১ হেক্টর বিভিন্ন ধরনের সবজি এবং ৪৩০ হেক্টর মরিচের আবাদ হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু অতিবৃষ্টির কারণে এসব ফসলের উল্লেখযোগ্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ১৪৪ হেক্টর সবজি, ৫৫ হেক্টর পেঁপে, ১৬ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা, ৬ হেক্টর পাট ও ১ হেক্টর মরিচসহ মোট ২২২ হেক্টর জমির ফসল আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়েছে ১৭ হেক্টর সবজি, ১৯ দশমিক ২৫ হেক্টর পেঁপে, ৪ দশমিক ৬ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা, ১ দশমিক ২ হেক্টর পাট এবং ১০ হেক্টর মরিচের আবাদ।

কৃষি বিভাগের মূলায়নে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত এসব জমি থেকে প্রায় ১ হাজার ৪৭১ দশমিক ৫ মেট্রিক টন কৃষিপণ্য উৎপাদনের সম্ভাবনা ছিল। যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ১৩ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। এই ক্ষতি সরাসরি প্রভাব ফেলে ৪ হাজার ৮৮৫ জন কৃষকের ওপর, যাদের অধিকাংশই ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক।

কৃষি সংশ্লিষ্টরা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অধিকাংশই ঋণ নিয়ে আবাদ করেছিলেন। কিন্তু ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে তারা এখন আর্থিক সংকটে পড়েছেন। যদি দ্রুত সরকারি সহায়তা না আসে, তবে আগামী মৌসুমে নতুন করে চাষাবাদ শুরু করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের জন্য জরুরিভিত্তিতে বীজ, সার, কৃষি উপকরণ এবং আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে। সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা দ্রুত চূড়ান্ত করে স্বচ্ছতার সঙ্গে সহায়তা বিতরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর পাঠানো চিঠিটি তারা পেয়েছেন। সেখানে মানিকগঞ্জ জেলায় অতিবৃষ্টি এবং এর ফলে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সচিব বলেন, তাদের লক্ষ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা যাতে দ্রুত চাষাবাদে ফিরে আসতে পারেন। এজন্য বীজ, সার, চারা এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। সরকার কৃষকদের উৎপাদন অব্যাহত রাখতে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে আন্তরিক রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাদের সবুজ বাগানে শারমিনের বার্ষিক আয়ে ১২ লাখ টাকা, জাতীয় সম্মান দিয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


ছাদের সবুজ বাগানে শারমিনের বার্ষিক আয়ে ১২ লাখ টাকা, জাতীয় সম্মান দিয়েছে

ঢাকা, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : শহরের ব্যস্ত জীবনে একটি ছাদ সাধারণত কাপড় শুকানো, পানির ট্যাংক কিংবা অব্যবহৃত কিছু জিনিসপত্র রাখার জায়গা হিসেবেই পরিচিত। তবে সেই একই ছাদ যদি হয়ে ওঠে হাজারো গাছের সবুজ আশ্রয়, নিরাপদ খাদ্যের উৎস, বিরল উদ্ভিদের সংগ্রহশালা এবং একই সঙ্গে একটি সফল ব্যবসার কেন্দ্র-তবে সেটি নিঃসন্দেহে বিস্ময় জাগায়। রাজশাহীর বিনোদপুর এলাকার বাসিন্দা শারমিন আক্তার সেই বিস্ময়কেই বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।

মাত্র কয়েকটি গাছ লাগানোর শখ থেকেই শুরু হয়েছিল তার পথচলা। সময়ের সঙ্গে সেই শখ পরিণত হয়েছে সফল উদ্যোক্তা জীবনের এক অনন্য দৃষ্টান্তে। বর্তমানে, নিজের গড়ে তোলা ছাদ বাগান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ও টব বিক্রি করে বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় করছেন তিনি। শুধু আর্থিক সাফল্যই নয়, পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে অর্জন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫’-এর ‘ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে সৃজিত ছাদ বাগান’ বিভাগে প্রথম হন তিনি। সম্প্রতি এক আলোচনায় এভাবেই তিনি বলছিলেন নিজের উদ্যোক্তা হওয়ার গল্পের কথা।

সবুজের রাজ্যে এক টুকরো স্বপ্ন :

রাজশাহীর বিনোদপুর এলাকায় তিনতলা বাড়িটির সামনে দাঁড়ালে বাইরে থেকে সাধারণ একটি বাড়ি বলেই মনে হয়। কিন্তু সিঁড়ি বেয়ে ছাদে উঠতেই চোখের সামনে খুলে যায় এক অন্য জগৎ। চারদিকে রঙিন ফুল, ফলের গাছ, ঔষধি উদ্ভিদ, বিরল প্রজাতির সংগ্রহ এবং নান্দনিকভাবে সাজানো টবের সারি। মনে হবে যেন শহরের কংক্রিটের ভিড়ে লুকিয়ে আছে একটি ছোট্ট উদ্যান।

ছাদের প্রতিটি কোণেই রয়েছে যত্নের ছাপ। কোথাও ফুটে আছে রঙিন ফুল, কোথাও দুলছে ফলের কচি ডাল, আবার কোথাও সারিবদ্ধভাবে সাজানো ইনডোর প্ল্যান্ট। তিন স্তরের আধুনিক এই ছাদ বাগানের প্রতিটি অংশ পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে। বাগানটির নাম রাখা হয়েছে ‘ন্যাচার’স টাচ’, যদিও স্থানীয়দের কাছে এটি এখন বেশি পরিচিত ‘কৃষিবাড়ি’ নামে।

ব্যবসায় শিক্ষা, কিন্তু মন ছিল কৃষিতে :

শারমিন জানান, তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ব্যবসায় শিক্ষা নিয়ে পড়াশোনা করলেও তার মনের টান ছিল কৃষির প্রতি। ছোটোবেলা থেকেই গাছ ভালোবাসতেন। সুযোগ পেলেই বিভিন্ন জায়গা থেকে গাছ সংগ্রহ করতেন, পরিচর্যা করতেন, নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করতেন।

২০২২ সালে নিজের বাড়ির ছাদে সীমিত পরিসরে কয়েকটি গাছ লাগানোর মাধ্যমে শুরু হয় তার যাত্রা। তখন এটি ছিল নিছক শখ। কিন্তু প্রতিটি গাছের প্রতি ভালোবাসা, নিয়মিত পরিচর্যা এবং নতুন নতুন প্রজাতি সংগ্রহের আগ্রহ তাকে ধীরে ধীরে বড় পরিসরে কাজ করার অনুপ্রেরণা দেয়।

‘আজ সেই ছোট উদ্যোগ প্রায় ২ হাজার ৬০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিস্তৃত একটি আধুনিক ছাদ বাগানে পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে প্রায় ১১০ প্রজাতির সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি গাছ।’-বলেন তিনি।

সংসার, সন্তান আর বাগান-সবকিছুতেই সমান মনোযোগ :

একজন উদ্যোক্তা পরিচয়ের পাশাপাশি শারমিন একজন গৃহিণী এবং মা। সংসারের দায়িত্ব, সন্তানের দেখাশোনা ও পারিবারিক কাজ শেষ করেই তিনি সময় দেন তার প্রিয় বাগানে। স্বামী মোহা. জাহাঙ্গীর আলম একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা। অফিস শেষে তিনিও বাগানে কাজ করেন। উন্নতমানের চারা সংগ্রহ করা, ক্রেতাদের কাছে কুরিয়ারের মাধ্যমে গাছ পাঠানো কিংবা নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন-সব ক্ষেত্রেই তিনি স্ত্রীর পাশে রয়েছেন।

শারমিনের মতে, পরিবারের সহযোগিতা ছাড়া এত বড় উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতো না। এই যৌথ প্রচেষ্টা তাদের সফলতার অন্যতম ভিত্তি।

গাছের ভাণ্ডারে বিরল সব সংগ্রহ :

শারমিন আক্তারের ছাদ বাগান শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, এটি এক অর্থে একটি জীবন্ত উদ্ভিদ সংগ্রহশালা। এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ইনডোর প্ল্যান্ট—অ্যাডেনিয়াম, অ্যাগলোনিমা, এনথুরিয়াম, পিস লিলি, স্নেক প্ল্যান্ট, জেডজেড প্ল্যান্ট, সাকুলেন্ট, ক্যাকটাস, মানি প্ল্যান্ট, ইউফোরবিয়া, ফার্নসহ অসংখ্য বিদেশি ও দেশি প্রজাতির গাছ।

ঔষধি গাছের মধ্যেও রয়েছে বৈচিত্র্য। লেমন গ্রাস, স্টেভিয়া, কালমেঘ, ইনসুলিন গাছ, নিম, রোজমেরি, অরেগানো, পাথরকুচি, উলটকম্বলসহ নানা গাছ নিয়মিত সংরক্ষণ ও পরিচর্যা করা হয়। এছাড়া পারিজাত, সাদা জাম, মিষ্টি তেঁতুল, ফিডল লিফ ফিগ, সাইকাসের মতো বিরল গাছও রয়েছে তার সংগ্রহে।

শুধু বিদেশি গাছ নয়, দেশীয় বিপন্ন উদ্ভিদ সংরক্ষণেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ উদ্যোক্তা শারমিন। কর্পূর, অশোক, হিজল, পলাশ, মহুয়া ও বটের মতো গাছ সংরক্ষণ করে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছেন। ফলজ গাছের মধ্যে রয়েছে আম, কাঁঠাল, জাম, লিচু, স্ট্রবেরি, রামবুটান, অ্যাভোকাডো, আপেলসহ নানা প্রজাতি। পাশাপাশি মরিচ, টমেটো, লাউ, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন, করলা, শসা, সজনেসহ বিভিন্ন ধরনের সবজিও উৎপাদন করেন তিনি।

ছাদ বাগান যখন লাভজনক ব্যবসা :

শারমিনের উদ্যোগ শুধু সৌখিন বাগানেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি এখন একটি সফল ব্যবসা। অনলাইন ও অফলাইন-দুই মাধ্যমেই বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ও টব বিক্রি করেন তিনি। শারমিন জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নিয়মিত অর্ডার আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি পরিচিত ক্রেতাদের মাধ্যমেও তার বাগানের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছে। অর্ডার পাওয়া মাত্র যত্নসহকারে চারা প্রস্তুত করে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ‘এই ব্যবসা থেকেই প্রতি মাসে গড়ে প্রায় এক লাখ টাকা ও বছর শেষে প্রায় ১২ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে তিনজন কর্মী নিয়মিত কাজ করছেন। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে অর্ধশতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।’

কটূক্তি পেরিয়ে জাতীয় স্বীকৃতি :

শারমিনের সফলতার এই গল্পের পেছনে রয়েছে অনেক সংগ্রাম। তিনি জানান, শুরুতে অনেকেই তার কাজকে গুরুত্ব দেননি। কেউ বলতেন সময় নষ্ট হচ্ছে, কেউ আবার ছাদে এত গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলতেন। নানা কটূক্তি ও অবহেলা সত্ত্বেও তিনি থেমে যাননি। বরং প্রতিটি সমালোচনাকে শক্তিতে পরিণত করেছেন। ধৈর্য, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে নিজের কাজ চালিয়ে গেছেন।

শারমিনের ভাষ্য, আজ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে গেছে। জাতীয় পুরস্কার পাওয়ার পর সেই সমালোচকেরাই এখন প্রশংসা করেন। অনেকেই আমার কাছে এসে জানতে চান কীভাবে ছাদ বাগান থেকে আয় করা যায়।

জাতীয় পুরস্কারের গৌরব :

পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার-২০২৫’-এ প্রথম স্থান অর্জন করেন শারমিন আক্তার। ‘এই সম্মান আমার বহুদিনের স্বপ্ন পূরণ করেছে,’ বলেন তিনি। পুরস্কার পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শারমিন বলেন, জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের মূল্যায়ন হওয়ায় আমি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। এই পুরস্কার শুধু তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটির ছাদ বাগান আন্দোলনেরও একটি বড় স্বীকৃতি বলে মনে করেন তিনি।

নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার নাম শারমিন :

শারমিন আক্তারের মতে, প্রতিটি নারীর উচিত নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কোনো না কোন উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত হওয়া। তিনি বলেন, অনেকেই অবসর সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা টেলিভিশনের পেছনে ব্যয় করেন। সেই সময়টুকু যদি গাছ লাগানো, কৃষিকাজ কিংবা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজে দেওয়া যায়, তাহলে একসময় সেটিই আয়ের উৎসে পরিণত হতে পারে। তার মতে, শুরুতে ব্যর্থতা আসতেই পারে। কিন্তু ধৈর্য হারানো যাবে না। নিয়মিত চেষ্টা করলে সফলতা একদিন আসবেই।

পরিবেশ রক্ষায় ছাদ বাগানের গুরুত্ব :

বিশেষজ্ঞদের মতে, ছাদ বাগান শুধু ব্যক্তিগত শখ নয়; এটি পরিবেশ রক্ষার একটি কার্যকর উপায়। ছাদ বাগান শহরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে, বাতাসের গুণগত মান উন্নত করে, কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে অক্সিজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রাজশাহীর মতো অপেক্ষাকৃত উষ্ণ অঞ্চলে ছাদ বাগান নগরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমাতেও কার্যকর।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, বর্তমানে রাজশাহীতে ছাদ বাগানের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে ও কৃষি বিভাগও নিয়মিত কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। শারমিন আক্তারের মতো উদ্যোক্তারা অন্যদেরও এই কাজে উৎসাহিত করছেন।

প্রতিবেশীদের চোখে এক অনুকরণীয় উদ্যোগ :

স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে শারমিন আক্তারের বাগান এখন একটি দর্শনীয় স্থান। প্রতিবেশীরা জানান, আগে তারা কল্পনাও করতে পারেননি যে একটি ছাদকে এত সুন্দর ও লাভজনকভাবে ব্যবহার করা সম্ভব। শারমিনের সাফল্য দেখে অনেকেই নিজেদের বাড়ির ছাদে গাছ লাগাতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ আবার এটিকে ভবিষ্যতের আয়ের উৎস হিসেবেও ভাবছেন। এভাবেই একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগ ধীরে ধীরে সামাজিক আন্দোলনের রূপ নিতে শুরু করেছে।

ভবিষ্যতের স্বপ্ন :

শারমিন আক্তারের স্বপ্ন এখানেই থেমে নেই। তিনি চান, রাজশাহীতে একটি বৃহৎ নার্সারি গড়ে তুলতে, যেখানে বিরল ও দেশীয় গাছ সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে নারী ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করাই তার অন্যতম লক্ষ্য।

তার বিশ্বাস, কৃষি শুধু গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, শহরের প্রতিটি ছাদ, বারান্দা এবং খোলা জায়গাও একদিন সবুজে ভরে উঠবে। শারমিন আক্তার এর গল্প আসলে একজন নারীর স্বপ্ন, সাহস, অধ্যবসায় ও আত্মবিশ্বাসের গল্প। যে ছাদ একসময় ছিল অব্যবহৃত, সেটিই আজ হাজারো গাছের আশ্রয়স্থল, একটি সফল ব্যবসার কেন্দ্র এবং পরিবেশ সংরক্ষণের উজ্জ্বল উদাহরণ।

বছরে প্রায় ১২ লাখ টাকার আয়, জাতীয় পুরস্কার, অসংখ্য মানুষের অনুপ্রেরণা এবং ভবিষ্যতে কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা সব মিলিয়ে শারমিন আক্তার প্রমাণ করেছেন, ছোট একটি স্বপ্নও একদিন বড় সফলতার ভিত্তি হতে পারে। তার সবুজ ছাদ আজ শুধু একটি বাগান নয়, এটি বাংলাদেশের নগর কৃষি, নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অর্থনীতির সম্ভাবনার এক জীবন্ত প্রতীক। এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে দেশের শহরগুলো আরও সবুজ হবে, বাড়বে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সৃষ্টি হবে নতুন উদ্যোক্তা, আর পরিবেশও পাবে নতুন প্রাণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৯ এম


পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

হবিগঞ্জে বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা-কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

বুধবার ( ২৯ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ এ আদেশ জারি করেন। 

আদেশে বলা হয়, বুধবার হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় এনসিপি বিক্ষোভ সমাবেশ ও পথসভা আহ্বান করেছে। অপরদিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা, হবিগঞ্জ পৌর বিএনপি এবং হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল একই সময়ে ও একই স্থানে পাল্টা প্রতিবাদ সমাবেশ ও অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সমাবেশদুটিতে উভয় দলের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজমান রয়েছে এবং যেকোনো সময় সংঘর্ষ, জানমালের ক্ষয়ক্ষতি, জনশান্তি বিনষ্ট ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবিলম্বে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা জনস্বার্থে একান্ত প্রয়োজন।

এরই প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ৫ বা তার অধিক লোকের সমাবেশ, জনসভা, মাইকিং, মিছিল, স্লোগান, পিকেটিং, কোনো প্রকার যন্ত্র দ্বারা বিকট শব্দ উচ্চারণ এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী যেকোনো কর্মসম্পাদন ইত্যাদির ওপর পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%