ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাগেরহাটের দশানী-হেলাতলা সড়কের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন সেতু মন্ত্রী


বাগেরহাটের দশানী-হেলাতলা সড়কের পুনর্নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করলেন সেতু মন্ত্রী

বাগেরহাট, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর জেলার দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণ এবং সংস্কার কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে।

আজ দুপুরে জেলা শহরের দশানী এলাকায় সড়কটির পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

এ সময় বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আলিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট অফিসার্স ফোরামের সভাপতি সাবেক সচিব ড. ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম এবং সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিকসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের দশানী থেকে রামপাল হয়ে মোংলা পর্যন্ত প্রায় ৩৪ কিলোমিটার মহাসড়কটির উন্নয়ন কাজ চারটি প্যাকেজের মাধ্যমে ২০২১ সালে শুরু করা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি বাগেরহাট শহরের সঙ্গে রামপাল এবং মোংলা অঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

এর মধ্যে দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। ফলে সড়কটির ওই অংশে চলাচলকারী যানবাহন এবং সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

সড়ক বিভাগ সম্প্রতি পুরোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সড়কটির উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে বাগেরহাট শহরের সঙ্গে রামপাল ও মোংলা এলাকার সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ এবং নিরাপদ হবে। পাশাপাশি মোংলা বন্দরকেন্দ্রিক পণ্য পরিবহন এবং স্থানীয় জনগণের যাতায়াত ব্যবস্থায়ও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

চুক্তি অনুযায়ী, পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার কাজ ২০২৭ সালের জুন মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে স্থানীয় বাসিন্দা এবং সড়ক ব্যবহারকারীরা স্বস্তি পাবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারী ক্রিকেট দলের এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


নারী ক্রিকেট দলের এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের ঘোষণা

ঢাকা, ১৭ আগস্ট ২০২৬ : সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারী এশিয়া কাপ এবং জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠিতব্য ২০তম এশিয়ান গেমসের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নারী দল ঘোষণা করেছে।

আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতায় ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন শ্রীলংকা, স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইন্দোনেশিয়া থাকছে।

অন্যদিকে, ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে সাতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং হংকং (চীন)।

বাংলাদেশ নিজেদের মিশন শুরু করবে ৩১ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে। এরপর ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে তারা। ৮ সেপ্টেম্বর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ নারী দল।

প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সেমিফাইনালের টিকিট পাবে। আগামী ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর দু’টি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে এবং ফাইনাল হবে ১৩ সেপ্টেম্বর।

সবগুলো ম্যাচের আয়োজন হবে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের আলোয়।

এদিকে, টুর্নামেন্টের অন্যান্য দলের তুলনায় র‌্যাংকিংয়ের ভালো অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসে সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে খেলবে।

১৭ সেপ্টেম্বর কোরোগি অ্যাথলেটিক পার্কে কোয়ার্টার ফাইনালে চীনের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি জিতলে সেমিফাইনালে ভারত অথবা জাপানের বিপক্ষে খেলবে তারা।

বাংলাদেশ দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), দিলারা আক্তার, জুয়াইরিয়া ফেরদৌস, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শারমিন সুলতানা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, ঋতু মণি, ফাহিমা খাতুন, রাবেয়া খান, মারুফা আক্তার, সুলতানা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৯ পি.এম


বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের মানুষের ঐক্যের ভিত্তি: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের বিভাজন দূর করে নাগরিক পরিচয়ের ভিত্তিতে সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর রাজনৈতিক দর্শন হলো ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’।

আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, তারেক রহমান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব ঘটলেও জাতীয়তাবাদ, রাষ্ট্র ও নাগরিক পরিচয় নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মৌলিক মতপার্থক্য ছিল। বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ভূখণ্ডে বসবাসকারী সকল মানুষের সঠিক পরিচয় ও মর্যাদাকে ধারণ করেই রাষ্ট্র পরিচালনার টেকসই দর্শন গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠের সংস্কৃতি আর গণতন্ত্রের সংস্কৃতি এক বিষয় নয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশাপাশি সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীরও সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, পরিচয়ভিত্তিক বিভাজনের কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের ঘটনাপ্রবাহসহ নানান সংকট তৈরি হয়েছিল, যা আমাদের শিক্ষা দেয় যে বৈচিত্র্যকে ধারণ করেই রাষ্ট্রের মূল রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণ করতে হয়।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘একদলীয় শাসনের বিপরীতে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং একমুখী পরিচয়ের পরিবর্তে বহু মত ও সংস্কৃতির সহাবস্থান সুসংহত করতেই শহীদ জিয়া বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি করেছিলেন। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন পরবর্তী সংকটকালে তিনি বহুদলীয় রাজনীতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেন।’

তিনি আরও বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রজ্বলিত সেই আলোকবর্তিকা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে বহন করে এনেছেন। আজ সেই ধারাবাহিকতার নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের অন্তর্নিহিত শক্তি অনুধাবনে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।

বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা এডভোকেট নজমুল হক নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিডব্লিউএমআরআই ৭ বছরে উদ্ভাবন করেছে গমের উচ্চফলনশীল পাঁচটি জাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০০ পি.এম


বিডব্লিউএমআরআই ৭ বছরে উদ্ভাবন করেছে গমের উচ্চফলনশীল পাঁচটি জাত

রেজাউল করিম মানিক

রংপুর, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই) দেশের গম ও ভুট্টার চাষ বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করে চলেছে।

বর্তমানে দেশে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে সহনশীল, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আবাদgable কম্পোনেন্ট এবং ভালো ফলন হবে এ ধরনের উদ্ভাবিত গম ও ভুট্টার নতুন জাত চাষে দেশের কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

দেশে বর্তমানে চাষ হওয়া গমের প্রায় সবকটি জাত বিডব্লিউএমআরআইর উদ্ভাবিত। এর ফলে দেশের আমদানি-নির্ভরতা ক্রমাগত কমছে।

বিডব্লিউএমআরআই জানায়, গত ৭ বছরে তারা গমের উচ্চফলনশীল পাঁচটি জাত উদ্ভাবন করেছে। এ জাতগুলোর নামকরণ করা হয়েছে বিডব্লিউএমআরআই ১-৫। এছাড়া প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে তাদের উদ্ভাবনকৃত উচ্চফলনশীল গমের জাতের সংখ্যা ৩৮টি।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি মোট ২৯টি ভুট্টার জাত উদ্ভাবন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০টি উচ্চফলনশীল হাইব্রিড। সঙ্গে আছে সাদা ভুট্টা, সুইট কর্ন, বেবি কর্ন ও পপ কর্ন।

গবেষণা এবং প্রশিক্ষণে অনন্য অবদানের জন্য ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর অধীনে ‘গম গবেষণা কেন্দ্র’ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৭’ অনুযায়ী, দেশের গম ও ভুট্টা গবেষণা, জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বীজ উৎপাদন এবং প্রযুক্তি সম্প্রসারণে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বায়ত্তশাসিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শুরু হয়।

দিনাজপুর সদর উপজেলার নশিপুরে প্রতিষ্ঠিত বিডব্লিউএমআরআই বর্তমানে ১৪টি গবেষণা বিভাগ, ৫টি আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র (গাজীপুর, জামালপুর, রাজশাহী, যশোর ও হাটহাজারী), ১টি বীজ উৎপাদন কেন্দ্র (দেবীগঞ্জ) এবং ১টি বীজ উৎপাদন উপকেন্দ্র (ঠাকুরগাঁও) নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিডব্লিউএমআরআই সনাতনী পদ্ধতির চাষের পরিবর্তনের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ২৫টি নতুন উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, চার-ফসলভিত্তিক লাভজনক ফসল ধারা, পাওয়ার টিলার চালিত বীজ বপন যন্ত্রের মাধ্যমে এক চাষে সারিতে বীজ বপন প্রযুক্তি (যার মাধ্যমে চাষের ব্যয় প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমায়), ব্লাস্ট রোগের সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনা, ফল আর্মি ওয়ার্ম ব্যবস্থাপনা সহ অম্লীয় মাটি সংশোধনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে বিডব্লিউএমআরআই।

সীমিত সম্পদ, গবেষণাগার ও যন্ত্রপাতির অপ্রতুলতা, অপ্রতুল জনবল এবং গবেষণা মাঠের অপর্যাপ্ততা থাকা সত্ত্বেও গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক মান অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

গবেষণার ফলাফল ব্যবহার করে দেশের বাইরে ভারত, নেপাল, বলিভিয়া ও জাম্বিয়ায় ১০টি ব্লাস্ট-প্রতিরোধী গমের জাত অবমুক্ত করা হয়েছে।

দিনাজপুর সদর উপজেলার তরঙ্গিনী গ্রামের কৃষক মো. দবিরুল ইসলাম বলেন, আগে গমের ফলন এবং উৎপাদন তুলনামূলক কম ছিল। যে পরিমাণ জমিতে গম চাষ করতাম, এখন করছি তার মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ জমিতে। পূর্বে প্রতি বিঘা (৪৮ শতাংশ) জমিতে ৫ থেকে ৮ মণ ফলন হতো, বর্তমানে সেখানে প্রতি বিঘায় ৩২-৩৩ মণ পর্যন্ত গম উৎপাদিত হচ্ছে। আবার এক বিঘা জমিতে ৮০ থেকে ৯০ মণ পর্যন্ত ভুট্টার উৎপাদন হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে এবং ভালো দাম পাওয়ার কারণে কৃষকরা আবারও গম ও ভুট্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

বিডব্লিউএমআরআই জানায়, দেশে গমের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৮০ লাখ মেট্রিক টন, এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় মাত্র ১০ থেকে ১২ লাখ টন। চাহিদা পূরণের জন্য প্রতিবছর ২৪ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রায় ৭০ লাখ টন গম আমদানি করতে হয়।

বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. মাহফুজ বাজ্জাজ বাসসকে বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমাদের বিজ্ঞানীরা তাপসহনশীল, ব্লাস্ট-প্রতিরোধী, স্বল্পমেয়াদি ও জিংকসমৃদ্ধ গমের জাত এবং উচ্চফলনশীল ভুট্টার জাত ও আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন যা দেশের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন জাত উদ্ভাবন নয়, বরং জলবায়ু সহনশীল, পুষ্টিসমৃদ্ধ ও অধিক উৎপাদনশীল দানাদার ফসলের প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের আমদানি-নির্ভরতা কমানো, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্যে গবেষণায় ধারাবাহিক বিনিয়োগ ও নীতিগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিমি বৃষ্টিপাত, নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:০১ পি.এম


চট্টগ্রামে তিন ঘণ্টায় ১০৯ মিমি বৃষ্টিপাত, নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা

চট্টগ্রাম, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামে টানা ভারী বর্ষণে নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে, শেষ তিন ঘণ্টাতেই ১০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

বৃষ্টির কারণে নগরের মুরাদপুর, শুলকবহর, জামালখান, আগ্রাবাদ ও কাতালগঞ্জসহ বেশ কিছু নিচু এলাকার সড়কে পানি জমে যায়। এতে সকাল বেলা কর্মস্থল ও নিজ নিজ গন্তব্যে বের হওয়ার সময় মানুষকে নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

বৃষ্টি বেশি থাকায় নগরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহনের গতি কমে যায়। এই কারণে বেশি জায়গায় ধীরগতির ফলে যানজটের সৃষ্টি হতে থাকে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল ভূঁইয়া জানিয়ে দেন, সাগরে লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আগামী দুই থেকে তিন দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে তা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বর্তমানে সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত ও নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%