০৮:১৭ পি.এম
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মাদরাসাছাত্রীকে নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় বাসিন্দারা কিশোর গ্যাং সদস্যকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তাদের মাদরাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পুলিশকে না জানিয়েই অভিযুক্তকে মীমাংসা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটক হওয়া ফয়সাল ফাহাদ ঘোড়াময়দান গ্রামের তনু হাজি বাড়ির নুর মোহাম্মদ দুলালের পুত্র। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পোস্ট ও ফেস্টুন প্রচার করেন। তবে দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রদলে তার কোনো পদ নেই।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আলিম মাদরাসার নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে নিয়ে যাওয়ার সময় মাদরাসা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে গোহারুয়া সরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ফয়সাল ফাহাদকে আটক করেন স্থানীয়রা। এরপর তাদের মাদরাসায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অভিভাবকদের খবর দেওয়া হলে তারা এসে ছাত্রীকে বাড়িতে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ফয়সাল এলাকায় একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, জমি দখলসহ নানা ধরনের অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে মাদরাসার সুপার মাওলানা নেছার উদ্দিন বলেন, ওই ছাত্রী ও ফয়সালের মধ্যে পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। স্থানীয়রা তাদের একসঙ্গে দেখে আটক করে মাদরাসায় নিয়ে আসেন। পরে অভিভাবকদের ডেকে এনে ছাত্রী ও ওই ছেলেকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে ফয়সাল ফাহাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করলে তিনি প্রতিবেদককে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন এবং বিভিন্ন গালমন্দ করতে থাকেন।
নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বা পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে পুলিশকে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন