বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৩ পি.এম
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (জিআইআই) ২০২৬-এ দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ১৩৯টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান ১০৫তম। নেপাল ১০৪তম স্থানে উন্নীত হয়েছে।
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘পাওয়ারিং এন্টারপ্রেনারস অ্যাট দ্য ফ্রন্টিয়ার অব সায়েন্স’ শিরোনামে গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের ১৯তম সংস্করণ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ২১.৫। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে ভারত ৪০.১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে (৩৮তম)। ভূটান ২৮.৯ স্কোর নিয়ে ৭৪তম, শ্রীলঙ্কা ২৩.৭ স্কোর নিয়ে ৯৪তম, পাকিস্তান ২৩.৭ স্কোর নিয়ে ৯৫তম এবং নেপাল ২২.৩ স্কোর নিয়ে ১০৪তম স্থানে রয়েছে।
এদিকে, ২০২৬ সালেও বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ উদ্ভাবনী অর্থনীতির মধ্যে সুইজারল্যান্ড (স্কোর ৬৬.৭), সুইডেন (৬৩.২), যুক্তরাষ্ট্র (৬২.৩), দক্ষিণ কোরিয়া (৬১.৪) এবং সিঙ্গাপুর (৬১) নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
ষষ্ঠ স্থানে যুক্তরাজ্য (৫৯.৬), সপ্তম স্থানে নেদারল্যান্ডস (৫৮.৪), অষ্টম স্থানে ফিনল্যান্ড (৫৭.৯), নবম স্থানে ডেনমার্ক (৫৭.৭) এবং দশম স্থানে রয়েছে চীন (৫৭)।
তালিকার তলানিতে ১৩৭তম স্থানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো (স্কোর ১২.৬), ১৩৮তম স্থানে নাইজার (১২.১) এবং ১৩৯তম স্থানে চাদ (৯.৫) রয়েছে।
জ্ঞান হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেছেন যে, উদ্ভাবনে অগ্রসর হতে হলে বাংলাদেশকে জ্ঞান, মানবসম্পদ, অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রতিষ্ঠান ও প্রণোদনাসহ প্রয়োজনীয় ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন উদ্ভাবন তৈরির পরিবর্তে অন্য দেশের উদ্ভাবন স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার দিকে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬ এ ৬৬ দশমিক ৭ স্কোর নিয়ে সুইজারল্যান্ড শীর্ষে রয়েছে। এরপর সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর রয়েছে। ৫৭ স্কোর নিয়ে দশম অবস্থানে চীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের নবম দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন।
অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে এই প্রতিবাদ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এই আন্দোলনের পরেও প্রশাসন থেকে বিষয়টির সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ কিংবা ভ্রুক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে তারা উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন, যা প্রশাসনের নীরবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক ধরে স্বাধীনতা চত্বরকে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’, ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার বলেন, "গত আট দিন ধরেই আমাদের এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। আমরা দেখছি সরকার আসলে আমাদের এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোনো ধরণের আশ্বাস বা কোনো ধরণের পদক্ষেপও আমাদের জানাচ্ছে না। তো সেই প্রেক্ষিতে আমরা আজকে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছি চোখে কালো কাপড় বেঁধে, যা আসলে বোঝায় যে আমাদের এই ক্ষেত্রে কেন প্রশাসন নীরব। আমাদের দাবি ১০টা না, ৫টা না, আমাদের দাবি মাত্র একটা—আমরা আমাদের পূর্বের ভিসিকে পুনর্বহাল চাই। তো সরকারের কাছে আমাদের এই আকুল আবেদন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন আমাদের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ২০২৭ সালের হজ মৌসুম উপলক্ষে ‘যুগান্তকারী’ একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে হজযাত্রীরা একক চুক্তির মাধ্যমে থাকা, খাওয়া, যাতায়াত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সব সেবা পাবেন।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই প্যাকেজটি প্রদান করা হবে। হাজিরা সৌদি আরবে প্রবেশের পর থেকে শুরু করে দেশে ফিরে আসা পর্যন্ত পুরো সময়ের জন্য এই প্যাকেজের সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। নতুন প্যাকেজে মূলত মক্কা-মদিনায় থাকার ব্যবস্থা, যাতায়াত, ক্যাটারিং বা খাওয়ার বন্দোবস্ত এবং পবিত্র স্থানগুলোর সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এছাড়াও, হাজিরা চাইলে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী কিছু বাড়তি সুবিধা বেছে নিতে পারবেন। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে বিভিন্ন দেশের হজ এজেন্সিগুলো সহজেই নিজেদের মতো করে হাজিদের জন্য মানসম্মত ও নমনীয় প্রোগ্রাম তৈরি করতে সক্ষম হবে।
এই উদ্যোগ ১৪৪৮ হিজরি সেশনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে, যা সৌদি ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ইতোমধ্যে ৭৫টিরও বেশি দেশের হজ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছে মন্ত্রণালয়।
এছাড়া, পুরো হজ প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল ও ঝামেলামুক্ত করতে সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরে আধুনিক অনলাইন সিস্টেম ব্যবহার করে আসছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রেক্ষিতে পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪-১৫ জন নেতাকর্মীকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুল ওহাব ছাড়া অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তারা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। নাশকতার অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসে করে শহরের মধ্যে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।
এটি আব্দুল ওহাবের জন্য তৃতীয়বারের মতো আটক হওয়ার ঘটনা, যা ৫ আগস্টের পর ঘটেছে। এর আগে, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে পুলিশ আব্দুল ওহাবকে আটক করে। পরে, পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিন দিন পর, ৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবারও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে সুজানগর এলাকায় আবারও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা।
চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতের অভিযানে, উপজেলার মথুরাপুরে আব্দুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছিল। এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরে লাইসেন্সবিহীন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭টি পশু খাদ্যের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে নগদ জরিমানা করা হয়েছে এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁ সদর উপজেলার ধর্মতলা রোড ও আটাপট্টি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নওগাঁ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক। অভিযানের সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রাণিসম্পদ ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের বিভিন্ন পশু খাদ্য ও ফিডের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, অনেক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে বৈধ লাইসেন্স নবায়ন না করেই পশুখাদ্য ও মুরগির খাবার বিক্রি করে আসছিলেন। আইন অমান্য করায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। শ্রী রতন লাল চৌধুরীকে ১৫০০ টাকা, সরদার টেডার্সকে ২০০০ টাকা, আলহাজ্ব ফিড অ্যান্ড চিকেন সেন্টারকে ৪০০০ টাকা, মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজকে ১৫০০ টাকা এবং ময়েজ পোল্ট্রি ফিডকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও, অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর জনি সাহা এবং দ্বিপ খাদ্য ভাণ্ডার নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে নিয়মের বাইরে না যাওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লাইসেন্স নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাজারে পশুখাদ্য ও বিভিন্ন পণ্যের মূল্য নিয়ে যাতে কোনো ধরনের কারসাজি না হয়, সে বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় না করার জন্য কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের সময়োপযোগী ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা অতিরিক্ত দামের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রাণিসম্পদ খাতের সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আমিনুল ইসলাম সহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ