বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩০ পি.এম
পাবনা শহরে নাশকতা ও মিছিলের প্রস্তুতির সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার প্রেক্ষিতে পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবসহ ১৪-১৫ জন নেতাকর্মীকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করেছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডের ইন্দিরা মোড়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে আব্দুল ওহাব ছাড়া অন্যদের নাম পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
পাবনা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তারা শহরের মধ্যে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। নাশকতার অংশ হিসেবে মাইক্রোবাসে করে শহরের মধ্যে মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাবনা সদর থানায় পাঠানো হয়েছে।
এটি আব্দুল ওহাবের জন্য তৃতীয়বারের মতো আটক হওয়ার ঘটনা, যা ৫ আগস্টের পর ঘটেছে। এর আগে, ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মথুরাপুর এলাকা থেকে পুলিশ আব্দুল ওহাবকে আটক করে। পরে, পুলিশ ভ্যানে তোলার সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় আটজন পুলিশ সদস্য আহত হন। ছিনিয়ে নেওয়ার তিন দিন পর, ৫ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আবারও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে। পরে জামিনে মুক্ত হয়ে সুজানগর এলাকায় আবারও আওয়ামী লীগের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করেন আব্দুল ওহাব এবং তার সমর্থকরা।
চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাতের অভিযানে, উপজেলার মথুরাপুরে আব্দুল ওহাবসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ২১ নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছিল। এই ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা জামিনে মুক্তি পান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ শহরে লাইসেন্সবিহীন এবং মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনার অপরাধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৭টি পশু খাদ্যের দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে নগদ জরিমানা করা হয়েছে এবং অপর ২টি প্রতিষ্ঠানকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নওগাঁ সদর উপজেলার ধর্মতলা রোড ও আটাপট্টি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন নওগাঁ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক। অভিযানের সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রাণিসম্পদ ও উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শহরের বিভিন্ন পশু খাদ্য ও ফিডের দোকানে নিয়মিত মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, অনেক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে বৈধ লাইসেন্স নবায়ন না করেই পশুখাদ্য ও মুরগির খাবার বিক্রি করে আসছিলেন। আইন অমান্য করায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১২ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। শ্রী রতন লাল চৌধুরীকে ১৫০০ টাকা, সরদার টেডার্সকে ২০০০ টাকা, আলহাজ্ব ফিড অ্যান্ড চিকেন সেন্টারকে ৪০০০ টাকা, মেসার্স জে এস এন্টারপ্রাইজকে ১৫০০ টাকা এবং ময়েজ পোল্ট্রি ফিডকে ৩০০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও, অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর জনি সাহা এবং দ্বিপ খাদ্য ভাণ্ডার নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভবিষ্যতে নিয়মের বাইরে না যাওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. নুরে আলম সিদ্দিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, লাইসেন্স নবায়ন না করা প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্রুত বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স নবায়ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাজারে পশুখাদ্য ও বিভিন্ন পণ্যের মূল্য নিয়ে যাতে কোনো ধরনের কারসাজি না হয়, সে বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দাম আদায় না করার জন্য কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, প্রশাসনের সময়োপযোগী ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে এবং খামারি ও সাধারণ ক্রেতারা অতিরিক্ত দামের হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রাণিসম্পদ খাতের সুরক্ষায় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগকে স্থানীয়রা সাধুবাদ জানিয়েছেন।
অভিযানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. আমিনুল ইসলাম সহ প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি মৌসুমে অসাধারণ ফর্মে ছিলেন ব্রাজিলের স্ট্রাইকার রাফিনিয়া। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন এই তারকা ফুটবলার। এর ফলে আসন্ন ভারত ম্যাচের জন্য তাকে ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছেন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।
সিবিএফ-এর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষায় রাফিনিয়ার পেশিতে সামান্য মাত্রার ‘মাসল ওডিমা’ ধরা পড়েছে। সতর্কতার অংশ হিসেবে রাফিনিয়াকে জাতীয় দলের স্কোয়াড থেকে আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।
এতে করে ভারত ম্যাচে রাফিনিয়ার অভিজ্ঞতার অভাব ব্রাজিলের জন্য স্পষ্ট হয়ে উঠবে। তাই রাফিনিয়ার জায়গায় শুরুর একাদশে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন এন্ড্রিক।
অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৪-২ গোলের জয়ী ম্যাচে রাফিনিয়া পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন। তবে বিরতির পর তিনি আর মাঠে নামেননি এবং তার পরিবর্তে এন্ড্রিককে মাঠে নামানো হয়। ম্যাচের পর রাফিনিয়ার ডান উরুর পেশিতে ফোলা ধরা পড়ে।
কোচ কার্লো আনচেলত্তি তার জায়গায় নতুন কাউকে দলে ডাকছেন না। ব্রাজিলের মেডিকেল টিম রাফিনিয়াকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি। ক্লাব বার্সেলোনার সঙ্গে আলোচনা শেষে তাকে স্পেনে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গত মৌসুমে চোটের কারণে রাফিনিয়া দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। ডান উরুর চারটি পৃথক চোটে তিনি মোট ১৫০ দিনের বেশি সময় মাঠের বাইরে থাকতে বাধ্য হন। বিশ্বকাপে হাইতির বিরুদ্ধে একটি ম্যাচেও তিনি চোটের কারণে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে অবৈধ ভিওআইপি কলিং ডিভাইসসহ দুইজন আওয়ামী লীগ কর্মীকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ অভিযানে ওই দুজনকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের সরিষাঘাটা এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ এসব ডিভাইস জব্দ করে।
আটক হওয়া দুজন হলেন, শ্যামপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম (৫৪) এবং ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শাহেব আলী (৩০)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্যামকুড় ইউনিয়নের সরিষাঘাটা এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি টিম। অভিযানের সময় ওই বাড়ি থেকে ভিআইপি কলিংয়ে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ ডিভাইস এবং দেশি-বিদেশি অবৈধ মোবাইল ফোনের সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, আটক আব্দুর রহিম স্থানীয় ইউপি সদস্য এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। অপরদিকে, আটক শাহেব আলী ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত।
ঝিনাইদহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শরিফুল ইসলাম বলেন, আটক দুইজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভিওআইপি ডিভাইস ব্যবহার করার অভিযোগে টেলিকমিউনিকেশন আইন-২০০১ এর অধীনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আটক দুইজন ছাড়াও মামলায় আরও দুইজনকে আসামি করা হবে। ডিভাইসগুলো বাংলাদেশ টেলি কমিউনিকেশন অথরিটিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। সেখানকার বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নাশকতার মামলা করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
‘আত্মহত্যায় প্ররোচনার’ মামলায় সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস রফা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আদালতে এমপি নজরুল এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহের আদালতে এই জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, গাজী নজরুল ইসলাম ও মাকছুদা ইসলামের আপসের শর্তে জামিন চাওয়া হয়েছিল। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। ইতোমধ্যে বাদীপক্ষের সঙ্গে আপস মীমাংসা সম্পন্ন হয়েছে। শুনানিতে উপস্থিত থেকে বাদী মরিয়মের বাবা জানিয়েছেন, দুই আসামির জামিন দিলে তার আপত্তি নেই।
এদিকে, শুনানি শেষে বিচারক মাকছুদা ইসলামের জামিন মঞ্জুর করেছেন। তবে, গাজী নজরুলের জামিন আবেদন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী জানায়, নামঞ্জুর হয়েছে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর, রাজধানীর সংসদ ভবনের উল্টো দিকে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রাতের বেলায় সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।
রাতের সময় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, তার স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং নিহতের মামা ওবায়দুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেন মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ।
মামলার এজাহারে মাসুম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, গত জুন মাসে তার শ্যালক ওবায়দুর রহমানের ‘প্রত্যক্ষ প্ররোচনায়’ সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের সঙ্গে বাদীর বড় মেয়ে মরিয়মের (১৯) বিয়ে হয়। সংসদ ভবনের বিপরীত পাশে ৫ নম্বর ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় নজরুল ও মাকছুদার সঙ্গে মরিয়ম বসবাস করতেন।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নজরুল ও মাকছুদা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন বলে মরিয়ম তার পরিবারকে জানিয়েছেন। এর মধ্যে রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নজরুল মোবাইল ফোনে বাদীকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে মরিয়মকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন বাবা মাসুম বিল্লাহ।
পরদিন শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. শামসুজ্জোহা সরকারের আবেদনে গাজী নজরুল ইসলামকে চারদিন এবং মাকছুদা বেগমের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। সেদিন রাতেই মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২৪ সেপ্টেম্বর এমপি নজরুলকে ফের চার দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। পরে ২৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ড শেষে এমপি নজরুলকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলার অপর আসামি মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ