বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৪ পি.এম
হোয়াটসঅ্যাপ কিশোর-কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ও বয়স উপযোগী ব্যবহার নিশ্চিত করতে নতুন প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা চালু করেছে। এই সুবিধার মাধ্যমে অভিভাবকরা জানতে পারবেন, তাঁদের সন্তান কোনো গ্রুপে যোগ দিলে বা গ্রুপ থেকে বের হয়ে গেলে। এছাড়া, সন্তানের অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন গোপনীয়তা সেটিংসও তাঁরা নির্ধারণ করতে পারবেন।
বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও বয়স উপযোগী অনলাইন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রযুক্তি-প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হোয়াটসঅ্যাপ নতুন সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে।
প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধার আওতায় অভিভাবকরা নির্ধারণ করতে পারবেন, কোন ব্যক্তিরা তাঁদের সন্তানের প্রোফাইল ছবি দেখতে পারবেন এবং কারা তাঁকে কোনো গ্রুপে যুক্ত করতে পারবেন। সন্তানের হোয়াটসঅ্যাপের ‘চ্যানেলস’ সুবিধা ব্যবহারের পদ্ধতিও তাঁরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। তবে, এই নতুন সুবিধার মাধ্যমে সন্তানের ব্যক্তিগত বার্তা পড়ার সুযোগ অভিভাবকদের থাকবে না।
এভাবে, সন্তানের পাঠানো বা গ্রহণ করা বার্তাগুলো ব্যক্তিগতভাবে থাকবে। ফোনকলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। ফলে, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা চালু থাকলেও কিশোর-কিশোরীদের আদান–প্রদান করা বার্তা ও কল এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকবে।
অভিভাবকরা চাইলে হোয়াটসঅ্যাপে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহকারী ‘মেটা এআই’ ব্যবহারের ওপরও নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের ডিফল্ট ‘১৩+’ সেটিংস থেকে ‘লিমিটেড কনটেন্ট’ অপশন বেছে নিতে হবে।
তবে, হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে যে, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক নয়। অভিভাবকরা চাইলে যেকোনো সময় সুবিধাটি বন্ধ করতে পারবেন, কিন্তু কিশোর-কিশোরীরা নিজে থেকে এটি বন্ধ করতে পারবে না।
হোয়াটসঅ্যাপের নতুন প্যারেন্টাল কন্ট্রোল সুবিধা ঐচ্ছিক হওয়ায় এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশ্লেষক ম্যাট নাভারা। তাঁর মতে, এই ব্যবস্থা মেটার জন্য সুবিধাজনক হতে পারে, কারণ এতে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের কার্যক্রম কিছুটা কমবে। কেবল তাই নয়, কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন নিরাপত্তার দায়িত্বের একটি অংশ অভিভাবক ও ব্যবহারকারীদের ওপর বর্তাবে।
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি, গবেষণা ও পিএইচডি সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) একটি দুই মাসব্যাপী সেমিনার সিরিজের আয়োজন করা হয়েছে। এই সেমিনার সিরিজটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত ‘উচ্চশিক্ষা সহায়তা ডেস্ক’ প্রকল্পের আওতায় ধারাবাহিকভাবে পাঁচটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তি নিয়ে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজিত এই সেমিনার সিরিজে বিভিন্ন দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বৃত্তি পাওয়ার প্রক্রিয়া, গবেষণা ও পিএইচডির সম্ভাবনা এবং আবেদনের প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এসব সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট দেশের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা, বৃত্তির সুযোগ, আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করবেন।
সেমিনার সিরিজের প্রথম পর্বটি আগামী ১১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এই পর্বে অস্ট্রেলিয়ায় বৃত্তির সুযোগ ও আবেদনের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর পরবর্তী সেমিনারগুলো ১১ নভেম্বর চীনে পিএইচডির সুযোগ ও প্রস্তুতি, ১৮ নভেম্বর জাপানে উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, ২৫ নভেম্বর ইউরোপীয় বৃত্তির জন্য আবেদন ও প্রস্তুতি এবং ৩০ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে বৃত্তির সুযোগ ও সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার কৌশল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লেখ্য, সেমিনারগুলো দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হবে। অংশগ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে নির্ধারিত গুগল ফর্মে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। সেমিনার সিরিজের সার্বিক সহযোগিতা করবে যবিপ্রবি রিসার্চ সোসাইটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফাঁদ পেতে অবৈধভাবে বক পাখি শিকার করার অভিযোগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দুই যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, তাদের ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না দিলে তাদের আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম রব্বানী সরদার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন দিনাজপুর জেলার সেতাবগঞ্জ উপজেলার চাঁপাইতোর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও সাকিব ইসলাম।
পীরগঞ্জ বন বিট কর্মকর্তা মহসিন আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলার কালো পীর বাজারের পাশে নিজামপুর বিলে ফাঁদ পেতে তারা অবৈধভাবে ১৫টি বক পাখি শিকার করেন। খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মীরা তাদের আটক করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ অনুযায়ী তাদের দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। এ সময় শিকার করা বক পাখিগুলো খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইবকাল হোসেন প্রামানিক জানান, দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত দুই যুবককে ঠাকুরগাঁও জেলখানায় পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, পদবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ দিতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, যদি কেউ নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে, সালাহউদ্দিন আম্মার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি আলাদা স্ট্যাটাসে এ চ্যালেঞ্জের কথা জানান। প্রথম স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, "গোটা বাংলাদেশের শিবির (সাথে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন)-এর প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি, প্রমাণ দেন। যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা, আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে—এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়।"
তিনি আরও বলেন, "সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। ০১টা পদবাণিজ্যের প্রমাণ দেখান। ২৪ ঘণ্টা সময়।"
দ্বিতীয় পোস্টে, দীর্ঘদিন ধরে তাকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করার বিষয়টি উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান যে, যদি তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে ভুক্তভোগীকে সামনে এনে সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হোক।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, "আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি—প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। অভিযোগ নয়, প্রমাণ দিন। অভিযোগ তো মুখে আসলে বলে দিতেই পারবো। চ্যালেঞ্জ রইল।"
এছাড়া, শিবিরের বিভিন্ন সময়ের তিনটি চিঠিতে আম্মারের সাথী পদ স্থগিত ও পরে বাতিলের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এসব চিঠিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের রাকসু নির্বাচনে আধিপত্যবিরোধী ঐক্য প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আম্মার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে গুপ্ত দল সবসময় জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে, তিনি জানান, বিএনপি সর্বশক্তি নিয়োগ করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং আইন সবার জন্য সমান থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী-কহুয়া সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, "গুপ্ত দলটি সবসময় জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।" প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "এই রাজনৈতিক দলের ১৯৭১ সালে কী ভূমিকা ছিল, সেটিও দেশের মানুষকে ভাবতে হবে।"
তারেক রহমান বলেন, "আমরা দেখেছি, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে, এমনকি স্বাধীনতার সময়ও কীভাবে তারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ’৮৬ সালে আমরা দেখেছি, কীভাবে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যেকটি সময় আমরা দেখেছি, প্রতিবারই এই গুপ্ত বাহিনীর লোকজন, এই গুপ্ত দলটি সবসময় দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিএনপি রাজনীতি করে মানুষের জন্য। দেশের কল্যাণের জন্য। বিএনপির খাল খনন, নদী ড্রেজিং ও কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড সবকিছুই মানুষের কল্যাণের জন্য।"
তিনি উল্লেখ করেন, "বিএনপির খাল, নদী খনন সফল হলে পরশুরামের সাড়ে ৪ লাখ মানুষ উপকৃত হবে। ফলে, ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। এতে ১ লাখ মেট্রিক টন ফসল বেশি উৎপাদন হবে।"
কৃষকদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, "সরকার গঠনের পর কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তা দিতে কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা থাকবে না।"
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশের মা ও বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। নারীরা স্বাবলম্বী হলে পরিবারের পাশাপাশি পুরুষরাও উপকৃত হবেন।"
তিনি বলেন, "কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা আরও সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। স্বৈরাচারী সময়ে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন সেগুলো আবার চালু হচ্ছে। এর ফলে মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে।"
তারেক রহমান আরও বলেন, "পরশুরাম উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ