বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৬ পি.এম
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, পদবাণিজ্য ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রমাণ দিতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, যদি কেউ নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে পারে, তাহলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে, সালাহউদ্দিন আম্মার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুটি আলাদা স্ট্যাটাসে এ চ্যালেঞ্জের কথা জানান। প্রথম স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, "গোটা বাংলাদেশের শিবির (সাথে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন)-এর প্রতি চ্যালেঞ্জ-০১। আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি, প্রমাণ দেন। যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা, আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে—এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়।"
তিনি আরও বলেন, "সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। ০১টা পদবাণিজ্যের প্রমাণ দেখান। ২৪ ঘণ্টা সময়।"
দ্বিতীয় পোস্টে, দীর্ঘদিন ধরে তাকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করার বিষয়টি উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, বিভিন্ন মাধ্যমে এই অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি দেশের গোয়েন্দা সংস্থা, শিবির, রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান যে, যদি তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে ভুক্তভোগীকে সামনে এনে সুস্পষ্ট ও প্রমাণযোগ্য তথ্য-প্রমাণ প্রকাশ করা হোক।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, "আমি স্পষ্টভাবে চ্যালেঞ্জ করছি—প্রমাণ করুন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি। যদি কেউ নির্ভরযোগ্য প্রমাণসহ প্রমাণ করতে পারেন যে আমি কারও কাছ থেকে চাঁদা নিয়েছি, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। অভিযোগ নয়, প্রমাণ দিন। অভিযোগ তো মুখে আসলে বলে দিতেই পারবো। চ্যালেঞ্জ রইল।"
এছাড়া, শিবিরের বিভিন্ন সময়ের তিনটি চিঠিতে আম্মারের সাথী পদ স্থগিত ও পরে বাতিলের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। এসব চিঠিতে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের রাকসু নির্বাচনে আধিপত্যবিরোধী ঐক্য প্যানেল থেকে জিএস নির্বাচিত হন সালাহউদ্দিন আম্মার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন যে গুপ্ত দল সবসময় জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তবে, তিনি জানান, বিএনপি সর্বশক্তি নিয়োগ করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং আইন সবার জন্য সমান থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা ২টার দিকে ফেনীর পরশুরামের ঘাটঘর এলাকায় মুহুরী-কহুয়া সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, "গুপ্ত দলটি সবসময় জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে পুঁজি করে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।" প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "এই রাজনৈতিক দলের ১৯৭১ সালে কী ভূমিকা ছিল, সেটিও দেশের মানুষকে ভাবতে হবে।"
তারেক রহমান বলেন, "আমরা দেখেছি, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে, এমনকি স্বাধীনতার সময়ও কীভাবে তারা দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ’৮৬ সালে আমরা দেখেছি, কীভাবে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছিল। প্রত্যেকটি সময় আমরা দেখেছি, প্রতিবারই এই গুপ্ত বাহিনীর লোকজন, এই গুপ্ত দলটি সবসময় দেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।"
প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বিএনপি রাজনীতি করে মানুষের জন্য। দেশের কল্যাণের জন্য। বিএনপির খাল খনন, নদী ড্রেজিং ও কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড সবকিছুই মানুষের কল্যাণের জন্য।"
তিনি উল্লেখ করেন, "বিএনপির খাল, নদী খনন সফল হলে পরশুরামের সাড়ে ৪ লাখ মানুষ উপকৃত হবে। ফলে, ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ হবে। এতে ১ লাখ মেট্রিক টন ফসল বেশি উৎপাদন হবে।"
কৃষকদের জন্য নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, "সরকার গঠনের পর কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কৃষকদের সরাসরি সরকারি সহায়তা দিতে কৃষক কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা থাকবে না।"
ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "এ কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য হলো দেশের মা ও বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। নারীরা স্বাবলম্বী হলে পরিবারের পাশাপাশি পুরুষরাও উপকৃত হবেন।"
তিনি বলেন, "কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা আরও সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হবে। স্বৈরাচারী সময়ে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন সেগুলো আবার চালু হচ্ছে। এর ফলে মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে।"
তারেক রহমান আরও বলেন, "পরশুরাম উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১৫০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর টেলিভিশন সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব ও জনআস্থা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি দেশ গঠনে এবং জনস্বার্থ রক্ষায় প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখারও অনুরোধ করেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তাঁদের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গভবনে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার (বিজেসি)-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে দেশের ব্রডকাস্ট সাংবাদিকতা, গণমাধ্যমের বর্তমান পরিস্থিতি, সাংবাদিকদের পেশাগত উন্নয়ন এবং গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামে দুঃসময়ে পাশে থাকার স্মৃতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, "আপনাদের সাহচর্য, সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর জুলুম-নির্যাতন হয়েছে, আপনাদের পাশে ছিলাম এবং সবসময় আছি।"
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, দেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পরিবর্তে গণতন্ত্রচর্চা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা গেলে আমরাও উন্নত দেশগুলোর মতো উপরে উঠতে পারতাম। নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রপতি ক্ষুদ্র ও রাজনৈতিক স্বার্থ পরিহার করার আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, "শুধু টেলিভিশনের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, এর গুণগত মান বজায় রাখতে হবে।" তিনি গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন গঠন করে গণমাধ্যমের সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে তিনি নীতিনির্ধারকদের বড় ক্যানভাসে, দীর্ঘমেয়াদে ও দূরদৃষ্টি দিয়ে সমস্যাগুলোকে দেখার ও সমাধানের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি ডিজিটালাইজেশন ও স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে টেলিভিশন চ্যানেলগুলো যাতে টেকসই হতে পারে, সে ব্যাপারে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিজেসির সদস্য সচিব ইলিয়াস হোসেন জানান, বিজেসি ট্রাস্টি সংগঠনের মতো সাংবাদিকদের কল্যাণ নিয়ে কাজ করে। এটি সম্প্রচার সাংবাদিকদের পেশাগত গুণগতমান বজায় রাখতে প্রশিক্ষণ প্রদান করে, স্বাস্থ্যসহায়তা, বিমাসহ ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি বিএনপির মহাসচিব থাকাকালে বিজেসির নানা কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করেছেন। তিনি রাষ্ট্রপতিকে বিজেসির পাশে থাকার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ জানান। বিজেসি চেয়ারম্যান ফাহিম আহমেদ টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বাধীনতা ও সক্ষমতায় রাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি বিজেসির কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি তাদের আয়বৃদ্ধির কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দেন। পাশাপাশি বিজেসির উত্তরাত্তর সাফল্যও কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে বিজেসি প্রতিনিধি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, ট্রাস্টি তালাত মামুন, নির্বাহী জান্নাতুল ফেরদৌসী মানু, সাইফুল শাহীন, নায়লা পারভীন পিয়া, সদস্য মাহমুদ হাসান, আজিজুর রহমান কিরন, শরিফুল ইসলাম খান ও বেলায়েত হোসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আধুনিকীকৃত কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের উদ্বোধন আগামী ৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই উপলক্ষে সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য জনাব হামিদুর রহমানও উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৭ জুন জবির কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম আধুনিকায়ন ও শিক্ষার্থীদের টয়লেট নির্মাণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। পরে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত এডিপির আওতায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অনুকূলে এই বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানা গেছে, ছাত্রলীগের এই নেতা জুলাই মাসের ছাত্র আন্দোলন ও গণ–অভ্যুত্থানের পর থেকে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।
বৃহষ্পতিবার (১ অক্টোবর) দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন।
অবৈধ উপায়ে অর্থ উপার্জন, ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সেই অর্থ বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন, অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে তা বৈধ করার চেষ্টা এবং বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
সূত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব অভিযোগের অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি নাজমুল আলমের বিদেশ গমন রহিত করার জন্য কমিশনে সুপারিশ করা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে। তবে কমিশনের অনুপস্থিতির কারণে প্রায় সাড়ে সাত মাস পর তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নাজমুল আলম দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ